হবিগঞ্জে ৫ বছরেও শেষ হয়নি ‘ধর্ষণ ও হত্যা’ মামলার বিচার
হবিগঞ্জের চাঞ্চল্যকর ‘ধর্ষণ ও হত্যা’ মামলার বিচার কার্যক্রম ৫ বছরেও শেষ না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আদালত। ফলে হবিগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) সৈয়দা মিনহাজ উম মুনীরাকে তলব করেছেন হাইকোর্ট। আগামী মঙ্গলবার (২৩ জুন) তাকে সশরীরে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৯ জুন) বিচারপতি কে এম ইমরুল কায়েশ ও বিচারপতি সগীর হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
ওই ধর্ষণ ও হত্যা মামলার আসামি গোলাম হোসেনের জামিন শুনানিকালে আদালত স্ব-প্রণোদিতভাবে এ আদেশ দেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন– ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মহসীন কবির রকি, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল জসিম উদ্দিন, আলী রেজা মো. আমীর।
শুনানি শেষে, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মহসীন কবির রকি, ২০২১ সালের ডিসেম্বরে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। আইন অনুযায়ী, চার্জ গঠনের ১৮০ দিনের মধ্যে বিচার সম্পন্ন হওয়ার কথা থাকলেও ৫ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও কোনো সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ বা ট্রায়াল সম্পন্ন হয়নি। মামলার অভিযুক্ত আসামিদের জামিন আবেদনের শুনানিকালে বিষয়টি আদালতের নজরে আসে।
আইনজীবী আরও বলেন, 'দীর্ঘদিনেও ব
হবিগঞ্জের চাঞ্চল্যকর ‘ধর্ষণ ও হত্যা’ মামলার বিচার কার্যক্রম ৫ বছরেও শেষ না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আদালত। ফলে হবিগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) সৈয়দা মিনহাজ উম মুনীরাকে তলব করেছেন হাইকোর্ট। আগামী মঙ্গলবার (২৩ জুন) তাকে সশরীরে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৯ জুন) বিচারপতি কে এম ইমরুল কায়েশ ও বিচারপতি সগীর হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
ওই ধর্ষণ ও হত্যা মামলার আসামি গোলাম হোসেনের জামিন শুনানিকালে আদালত স্ব-প্রণোদিতভাবে এ আদেশ দেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন– ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মহসীন কবির রকি, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল জসিম উদ্দিন, আলী রেজা মো. আমীর।
শুনানি শেষে, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মহসীন কবির রকি, ২০২১ সালের ডিসেম্বরে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। আইন অনুযায়ী, চার্জ গঠনের ১৮০ দিনের মধ্যে বিচার সম্পন্ন হওয়ার কথা থাকলেও ৫ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও কোনো সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ বা ট্রায়াল সম্পন্ন হয়নি। মামলার অভিযুক্ত আসামিদের জামিন আবেদনের শুনানিকালে বিষয়টি আদালতের নজরে আসে।
আইনজীবী আরও বলেন, 'দীর্ঘদিনেও বিচার কাজ শেষ না হওয়ায় সমাজে নেতিবাচক বার্তা যাচ্ছে। দ্রুত বিচার না হওয়ার কারণেই অপরাধপ্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে মনে করছে আদালত। ফলে এই মামলা বিলম্বের কারণ জানতে বিচারককে ব্যক্তিগতভাবে তলব করা হয়েছে।'
আদালত সূত্রে জানা যায়, হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ থানায় দায়ের হওয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার এক আসামি গোলাম হোসেনের জামিন আবেদন শুনানির সময় হাইকোর্ট মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা করেন। তখন দেখা যায়, ২০২১ সালের ডিসেম্বরে দায়ের হওয়া মামলাটিতে এখন পর্যন্ত সাক্ষ্যগ্রহণই শুরু হয়নি এবং বিচার কার্যক্রমও শেষ হয়নি।
এ অবস্থায় আদালত বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, আইন অনুযায়ী চার্জ গঠনের পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিচার সম্পন্ন হওয়ার কথা থাকলেও প্রায় পাঁচ বছর পেরিয়ে গেলেও মামলাটির বিচার উল্লেখযোগ্যভাবে অগ্রসর হয়নি।
পরে হাইকোর্ট হবিগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩ এর বিচারক সৈয়দা মিনহাজুম মনিরাকে আগামী ২৩ জুন ২০২৬ তারিখে ব্যক্তিগতভাবে আদালতে হাজির হয়ে মামলার বিচারকাজ কেন শেষ হয়নি, সে বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেন।
রাষ্ট্রপক্ষ আদালতকে জানায়, মামলাটি একটি নৃশংস ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনা। অভিযোগ অনুযায়ী, ভুক্তভোগীকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যা করা হয়। মামলার দুই প্রধান আসামিরই ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রয়েছে। শুনানিতে আদালত পর্যবেক্ষণ দেন যে, এ ধরনের গুরুতর অপরাধের মামলার বিচার দীর্ঘদিন ঝুলে থাকলে সমাজে নেতিবাচক বার্তা যায় এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি উৎসাহিত হতে পারে। সে কারণেই বিচার বিলম্বের কারণ জানতে সংশ্লিষ্ট বিচারককে তলব করা হয়েছে।