হরমুজ কবে খুলবে জানালেন মার্কিন কর্মকর্তা
হরমুজ প্রণালি কবে খুলবে, সে বিষয়ে জানিয়েছেন মার্কিন জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট। তিনি বলেন, সবচেয়ে বেশি দেরি হলেও এ গ্রীষ্মের মধ্যেই আবার এটি খুলে দেওয়া হতে পারে। তবে তিনি সতর্ক করে দেন, ইরান যদি এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে জাহাজ চলাচলে বাধা দিতে থাকে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী হস্তক্ষেপ করতে পারে। শনিবার (১৬ মে) আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সিএনবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রাইট বলেন, ‘আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই’ ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সমঝোতা হতে পারে। যদিও ৮ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি এবং পরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণার পরও পরিস্থিতি এখনও নাজুক রয়ে গেছে ‘ রাইট বলেন, ইরান যদি বিশ্ব অর্থনীতিকে জিম্মি করে রাখা অব্যাহত রাখে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলতে বাধ্য করবে। তবে এটি খুব সহজ কাজ নয়। তিনি বলেন, সামরিক পদক্ষেপের চেয়ে আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান বের করাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এদিকে, আমেরিকান অটোমোবাইল অ্যাসোসিয়েশন (এএএ) জানিয়েছে, শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির গড় মূ
হরমুজ প্রণালি কবে খুলবে, সে বিষয়ে জানিয়েছেন মার্কিন জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট। তিনি বলেন, সবচেয়ে বেশি দেরি হলেও এ গ্রীষ্মের মধ্যেই আবার এটি খুলে দেওয়া হতে পারে। তবে তিনি সতর্ক করে দেন, ইরান যদি এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে জাহাজ চলাচলে বাধা দিতে থাকে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী হস্তক্ষেপ করতে পারে।
শনিবার (১৬ মে) আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সিএনবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রাইট বলেন, ‘আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই’ ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সমঝোতা হতে পারে। যদিও ৮ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি এবং পরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণার পরও পরিস্থিতি এখনও নাজুক রয়ে গেছে ‘
রাইট বলেন, ইরান যদি বিশ্ব অর্থনীতিকে জিম্মি করে রাখা অব্যাহত রাখে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলতে বাধ্য করবে। তবে এটি খুব সহজ কাজ নয়।
তিনি বলেন, সামরিক পদক্ষেপের চেয়ে আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান বের করাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
এদিকে, আমেরিকান অটোমোবাইল অ্যাসোসিয়েশন (এএএ) জানিয়েছে, শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির গড় মূল্য প্রতি গ্যালনে ৪ দশমিক ৫৩ ডলারে পৌঁছেছে। এর মধ্যেই ট্রাম্পের ফেডারেল গ্যাস কর সাময়িকভাবে স্থগিত করার প্রস্তাব নিয়ে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।
রাইট জানান, হরমুজ সংকটের কারণে জ্বালানি সরবরাহে যে বিঘ্ন তৈরি হয়েছে, তা সামাল দিতে যুক্তরাষ্ট্র তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) রপ্তানি বাড়াচ্ছে।
What's Your Reaction?