হরমুজ প্রণালি নিয়ে পরিকল্পনা জানাল ইরান

হরমুজ প্রণালি নিয়ে পরিকল্পনা জানিয়েছে ইরান। দেশটির এক শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা বলেছেন, হরমুজ প্রণালীকে চাপের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হবে।  রোববার (১৫ মার্চ) ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।  ইরানের খাতাম আল আম্বিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টারের কমান্ডার আলী আবদুল্লাহি বলেন, দেশের সশস্ত্র বাহিনী সব ধরনের ভূরাজনৈতিক সুবিধা কাজে লাগাতে প্রস্তুত। এর মধ্যে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণও রয়েছে। তিনি বলেন, এই কৌশল ব্যবহার করে ইরান আগ্রাসীদের হাঁটু গেড়ে বসতে বাধ্য করবে। ইতোমধ্যে শত্রুদের ওপর ‘ভারী আঘাত’  শুরু হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।  আবদুল্লাহি বলেন, ইরান এই যুদ্ধ শুরু করেনি, তবে কীভাবে যুদ্ধ শেষ হবে তা তেহরানই নির্ধারণ করবে। শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের ইরানের সামরিক শক্তির সামনে আত্মসমর্পণ করা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবে না। এর আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেন, ভবিষ্যতে আর হামলা না হওয়ার নিশ্চয়তা এবং যুদ্ধের ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ না পাওয়া পর্যন্ত সংঘাতের অবসান হবে না। আরবি সংবাদপত্র আরাবি আল জাদিদকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন

হরমুজ প্রণালি নিয়ে পরিকল্পনা জানাল ইরান

হরমুজ প্রণালি নিয়ে পরিকল্পনা জানিয়েছে ইরান। দেশটির এক শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা বলেছেন, হরমুজ প্রণালীকে চাপের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হবে। 

রোববার (১৫ মার্চ) ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

ইরানের খাতাম আল আম্বিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টারের কমান্ডার আলী আবদুল্লাহি বলেন, দেশের সশস্ত্র বাহিনী সব ধরনের ভূরাজনৈতিক সুবিধা কাজে লাগাতে প্রস্তুত। এর মধ্যে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণও রয়েছে।

তিনি বলেন, এই কৌশল ব্যবহার করে ইরান আগ্রাসীদের হাঁটু গেড়ে বসতে বাধ্য করবে। ইতোমধ্যে শত্রুদের ওপর ‘ভারী আঘাত’  শুরু হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। 

আবদুল্লাহি বলেন, ইরান এই যুদ্ধ শুরু করেনি, তবে কীভাবে যুদ্ধ শেষ হবে তা তেহরানই নির্ধারণ করবে। শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের ইরানের সামরিক শক্তির সামনে আত্মসমর্পণ করা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবে না।

এর আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেন, ভবিষ্যতে আর হামলা না হওয়ার নিশ্চয়তা এবং যুদ্ধের ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ না পাওয়া পর্যন্ত সংঘাতের অবসান হবে না। আরবি সংবাদপত্র আরাবি আল জাদিদকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হওয়া হামলার তদন্তে আঞ্চলিক দেশগুলোর সঙ্গে যৌথ তদন্ত কমিটি গঠনে তেহরান প্রস্তুত।

আরাঘচি জানান, ইরানের সামরিক অভিযান কেবলমাত্র অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি ও স্বার্থকে লক্ষ্য করে পরিচালিত হয়েছে। প্রতিবেশী দেশগুলোর কোনো বেসামরিক বা আবাসিক এলাকায় ইরান হামলা চালায়নি।

তিনি অভিযোগ করেন, আরব দেশগুলোর সঙ্গে ইরানের সম্পর্ক নষ্ট করার উদ্দেশ্যে বেসামরিক স্থাপনায় হামলার পেছনে ইসরায়েল থাকতে পারে।

আরাঘচি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের শাহেদ ড্রোনের মতো লুকাস নামের একটি ড্রোন তৈরি করেছে। এই ড্রোন ব্যবহার করে আরব দেশগুলোর বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে।

তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি ইরানের জ্বালানি স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়, তাহলে তেহরান পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে অঞ্চলে আমেরিকান কোম্পানিগুলোর স্থাপনায় আঘাত হানবে।
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow