হরমুজ প্রণালিতে মহড়া নিয়ে নতুন তথ্য দিল ইরান

হরমুজ প্রণালিতে মহড়া নিয়ে নতুন তথ্য দিয়েছে ইরান। দেশটির ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) হরমুজ প্রণালিতে কোনো লাইভ-ফায়ার নৌ সামরিক মহড়া চালানোর পরিকল্পনা করেনি বলে জানিয়েছেন এক ইরানি কর্মকর্তা।  রোববার (০১ ফেব্রুয়ারি) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।  এর আগে বৃহস্পতিবার ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশন চ্যানেল প্রেস টিভি জানায়, আইআরজিসি ১ ও ২ ফেব্রুয়ারি হরমুজ প্রণালিতে সামরিক মহড়া চালাবে। তবে ওই ইরানি কর্মকর্তা বলেন, আইআরজিসির পক্ষ থেকে সেখানে কোনো সামরিক মহড়ার পরিকল্পনা ছিল না এবং এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণাও দেওয়া হয়নি। গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরটি ভুল ছিল। হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ, যার মাধ্যমে প্রায় ২০ শতাংশ বৈশ্বিক তেল সরবরাহ পরিবাহিত হয়। এদিকে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে তাদের নৌ উপস্থিতি বাড়িয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে পারমাণবিক চুক্তিতে সম্মত না হলে অথবা সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমন না করলে সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকি দিয়ে আসছেন। ইরানে গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে অর্থনৈতিক সংকটকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ

হরমুজ প্রণালিতে মহড়া নিয়ে নতুন তথ্য দিল ইরান

হরমুজ প্রণালিতে মহড়া নিয়ে নতুন তথ্য দিয়েছে ইরান। দেশটির ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) হরমুজ প্রণালিতে কোনো লাইভ-ফায়ার নৌ সামরিক মহড়া চালানোর পরিকল্পনা করেনি বলে জানিয়েছেন এক ইরানি কর্মকর্তা। 

রোববার (০১ ফেব্রুয়ারি) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

এর আগে বৃহস্পতিবার ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশন চ্যানেল প্রেস টিভি জানায়, আইআরজিসি ১ ও ২ ফেব্রুয়ারি হরমুজ প্রণালিতে সামরিক মহড়া চালাবে। তবে ওই ইরানি কর্মকর্তা বলেন, আইআরজিসির পক্ষ থেকে সেখানে কোনো সামরিক মহড়ার পরিকল্পনা ছিল না এবং এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণাও দেওয়া হয়নি। গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরটি ভুল ছিল।

হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ, যার মাধ্যমে প্রায় ২০ শতাংশ বৈশ্বিক তেল সরবরাহ পরিবাহিত হয়।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে তাদের নৌ উপস্থিতি বাড়িয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে পারমাণবিক চুক্তিতে সম্মত না হলে অথবা সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমন না করলে সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকি দিয়ে আসছেন।

ইরানে গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে অর্থনৈতিক সংকটকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ শুরু হলেও তা দ্রুত রাজনৈতিক রূপ নেয়। ১৯৭৯ সালে ইসলামি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পর এটিই দেশটির জন্য সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ বলে মনে করা হচ্ছে। কঠোর দমন-পীড়নের পর বর্তমানে বিক্ষোভ অনেকটাই স্তিমিত হয়েছে।

সরকারি হিসাবে সহিংসতায় ৩ হাজার ১১৭ জন নিহত হয়েছেন। তবে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ জানিয়েছে, তারা এখন পর্যন্ত ৬ হাজার ৭১৩ জনের মৃত্যুর তথ্য যাচাই করেছে।

রোববার ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানে হামলা চালায়, তবে তা আঞ্চলিক সংঘাতে রূপ নেবে। তিনি বিক্ষোভকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সমর্থিত একটি ‘অভ্যুত্থান’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে বলেন, এই ‘অশান্তির’ উদ্দেশ্য ছিল দেশের শাসনব্যবস্থার কেন্দ্রগুলোতে আঘাত হানা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow