হরমুজ প্রণালির গুরুত্বপূর্ণ তেল পাইপলাইন ঠিক করল সৌদি 

হরমুজ প্রণালিকে বাইপাস করা গুরুত্বপূর্ণ পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইন ঠিক করেছে সৌদি আরব। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ চলাকালীন এ পাইপলাইনে হামলা করেছিল ইরান। রোববার (১২ এপ্রিল) সৌদি আরবের জ্বালানিমন্ত্রী এ তথ্য জানিয়েছেন। প্রায় ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এ পাইপলাইনটি মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ লাইনের একটি। এর মাধ্যমে হরমুজ প্রণালি বাইপাস করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তেল সরবরাহ করত সৌদি আরব।    হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকাকালীনও সৌদি আরব এ পাইপলাইন ব্যবহার করে তেল সরবরাহ চালু রেখেছিল। এরপরই ইরান এ পাইপলাইনে হামলা করে। তারপর থেকেই এ পাইপের কার্যক্রম বন্ধ ছিল। সৌদি আরবের বার্তাসংস্থা প্রেস এজেন্সি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছিল, এ পাইপলাইনের কার্যক্রম বন্ধ হওয়ায় দৈনিক প্রায় ৭ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছিল। তবে পাইপটি পুনরায় ঠিক হওয়ার পর তেল পাম্পের সক্ষমতা ৭০ লাখ ব্যারেলে পৌঁছাবে।  এছাড়া, মানিফা তেলক্ষেত্রে দৈনিক ৩ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদন হবে বলে জানা গেছে। তবে ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত খুরাইস তেলক্ষেত্র পুরোপুরি ঠিক করতে এখনো কাজ চলছে।   ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ চলাকালীন সৌদি আরবের একাধিক জ্বা

হরমুজ প্রণালির গুরুত্বপূর্ণ তেল পাইপলাইন ঠিক করল সৌদি 

হরমুজ প্রণালিকে বাইপাস করা গুরুত্বপূর্ণ পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইন ঠিক করেছে সৌদি আরব। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ চলাকালীন এ পাইপলাইনে হামলা করেছিল ইরান।

রোববার (১২ এপ্রিল) সৌদি আরবের জ্বালানিমন্ত্রী এ তথ্য জানিয়েছেন। প্রায় ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এ পাইপলাইনটি মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ লাইনের একটি। এর মাধ্যমে হরমুজ প্রণালি বাইপাস করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তেল সরবরাহ করত সৌদি আরব।   

হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকাকালীনও সৌদি আরব এ পাইপলাইন ব্যবহার করে তেল সরবরাহ চালু রেখেছিল। এরপরই ইরান এ পাইপলাইনে হামলা করে। তারপর থেকেই এ পাইপের কার্যক্রম বন্ধ ছিল।

সৌদি আরবের বার্তাসংস্থা প্রেস এজেন্সি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছিল, এ পাইপলাইনের কার্যক্রম বন্ধ হওয়ায় দৈনিক প্রায় ৭ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছিল। তবে পাইপটি পুনরায় ঠিক হওয়ার পর তেল পাম্পের সক্ষমতা ৭০ লাখ ব্যারেলে পৌঁছাবে। 

এছাড়া, মানিফা তেলক্ষেত্রে দৈনিক ৩ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদন হবে বলে জানা গেছে। তবে ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত খুরাইস তেলক্ষেত্র পুরোপুরি ঠিক করতে এখনো কাজ চলছে।  

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ চলাকালীন সৌদি আরবের একাধিক জ্বালানিক্ষেত্রে হামলা চালায় ইরান। কিন্তু এসব হামলার বিপরীতে কোনো পাল্টা আক্রমণ করেনি সৌদি। তবে ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিনিদের হামলা চালিয়ে যেতে বলেছিলেন সৌদি আরবের প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি পাকিস্তানের ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে। দুই দেশের এ বৈঠক আলোর মুখ না দেখায় মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন সংশয় দেখা দিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর সাথে ইরানের বিরোধ আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow