হরমুজে জাহাজ চলাচলে ‘সার্ভিস ফি’ আরোপ করবে ইরান
হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের জন্য ‘সার্ভিস ফি’ বাবদ অর্থ প্রদানের বিষয়টি সমঝোতা স্মারকে (MoU) অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তবে, ৬০ দিনের আলোচনাকালীন সময়ে প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোকে কোনো ফি দিতে হবে না। ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার এবং আলোচক দলের প্রধান মোহাম্মদ ঘালিবাফ এ তথ্য জানিয়েছেন বলে সংবাদ প্রকাশ করেছে মেহের নিউজ এজেন্সি। বুধবার (১৭ জুন) রাতে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কালিবাফ বলেন, হরমুজ প্রণালি আর যুদ্ধ-পূর্ব অবস্থায় ফিরে যাবে না। তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালির ওপর সার্বভৌমত্ব এবং সেখানে প্রদত্ত সেবার জন্য ফি গ্রহণের অধিকার ইরানের রয়েছে। তবে, এর অর্থ এই নয় যে ইরান আন্তর্জাতিক আইন বা সামুদ্রিক নৌচলাচলের নিয়ম উপেক্ষা করবে। ঘালিবাফ জানান, ৬০ দিনের ফি-মুক্ত সময়সীমা শেষ হওয়ার পর প্রণালি অতিক্রমকারী জাহাজগুলোর কাছ থেকে সার্ভিস ফি আদায়ের পরিকল্পনা রয়েছে ইরানের। ইরানের প্রধান এই আলোচক বলেন, যুদ্ধ শুরুর ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ঘোষিত নয়টি লক্ষ্য বাস্তবায়ন হতে দেওয়া হয়নি এবং প্রতিপক্ষ তাদের কোনো উদ্দেশ্যই অর্জন করতে পারেনি। তার দাবি, এই য
হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের জন্য ‘সার্ভিস ফি’ বাবদ অর্থ প্রদানের বিষয়টি সমঝোতা স্মারকে (MoU) অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তবে, ৬০ দিনের আলোচনাকালীন সময়ে প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোকে কোনো ফি দিতে হবে না। ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার এবং আলোচক দলের প্রধান মোহাম্মদ ঘালিবাফ এ তথ্য জানিয়েছেন বলে সংবাদ প্রকাশ করেছে মেহের নিউজ এজেন্সি।
বুধবার (১৭ জুন) রাতে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কালিবাফ বলেন, হরমুজ প্রণালি আর যুদ্ধ-পূর্ব অবস্থায় ফিরে যাবে না।
তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালির ওপর সার্বভৌমত্ব এবং সেখানে প্রদত্ত সেবার জন্য ফি গ্রহণের অধিকার ইরানের রয়েছে। তবে, এর অর্থ এই নয় যে ইরান আন্তর্জাতিক আইন বা সামুদ্রিক নৌচলাচলের নিয়ম উপেক্ষা করবে।
ঘালিবাফ জানান, ৬০ দিনের ফি-মুক্ত সময়সীমা শেষ হওয়ার পর প্রণালি অতিক্রমকারী জাহাজগুলোর কাছ থেকে সার্ভিস ফি আদায়ের পরিকল্পনা রয়েছে ইরানের।
ইরানের প্রধান এই আলোচক বলেন, যুদ্ধ শুরুর ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ঘোষিত নয়টি লক্ষ্য বাস্তবায়ন হতে দেওয়া হয়নি এবং প্রতিপক্ষ তাদের কোনো উদ্দেশ্যই অর্জন করতে পারেনি। তার দাবি, এই যুদ্ধের মাধ্যমে ভিন্ন বাস্তবতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর শক্তিশালী কর্মদক্ষতা এবং জনগণের ব্যাপক সমর্থনের কারণে তারা আলোচনায় শক্ত অবস্থানে থেকে অংশ নিতে পেরেছেন।
এর আগে ইরানের মুখপাত্র ইসমাইল বাকেই বলেছিলেন, ফি নেওয়া হবে কারণ পরিবেশ রক্ষা ও অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণের জন্য পূর্ণ সেবা প্রদান করা হবে। ইরান ও ওমান অনেক ধরনের সেবা দেবে, আর এগুলোর জন্য খরচ রয়েছে। তাই ফি আরোপ করা হবে-এটা পরিষ্কার।
ঘালিবাফ দাবি করেন, সাম্প্রতিক ৪০ দিনের যুদ্ধের প্রভাব ভূরাজনৈতিক, সামরিক ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশ্বব্যাপী অনুভূত হয়েছে। তার ভাষায়, বিশ্বের শীর্ষ সামরিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক শক্তি এবং ইসরায়েলের মতো একটি পারমাণবিক শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করেও ইরান নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে।
ঘালিবাফের মতে, সামরিক শক্তি ও কূটনীতি পরস্পরবিরোধী নয় বরং আলোচনাও এক ধরনের সংগ্রাম। তিনি বলেন, যুদ্ধক্ষেত্রে অর্জিত সাফল্য যদি শেষ পর্যন্ত কোনো আইনি ও রাজনৈতিক নথিতে রূপ না পায়, তবে তা স্থায়ী সুফল বয়ে আনে না।
তার দাবি, ইরান সাম্প্রতিক ৪০ দিনের যুদ্ধে বিজয় অর্জন করেছে এবং এখন সেই অর্জনকে আলোচনার মাধ্যমে রাজনৈতিক ও আইনি কাঠামোতে সুসংহত করার কাজ চলছে।
কেএম
What's Your Reaction?