হাউজবোটে মালবাহী নৌকার ধাক্কা, সংঘর্ষে একজন নিহত
সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে হাউজবোট ও মালামালবাহী নৌকার ধাক্কাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম। নিহত আমিন মিয়া (২৩) একজন নৌ শ্রমিক ও কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব উপজেলার আগানগর ইউনিয়নের কলাপাড়া গ্রামের কালাম মিয়ার ছেলে। এই ঘটনায় হাউজবোটের মালিকসহ ৯ আসামিকে এরইমধ্যে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন তাহিরপুর থানার ওসি আমিনুল ইসলাম। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত সোমবার (৮ জুন) রাত আনুমানিক ৩টার দিকে তাহিরপুর উপজেলার আনোয়ারপুর বাজার সংলগ্ন রক্তিনদীর পাড়ে কেবিটি প্রেজেন্টস নোটিলাস হাউজবোট ও ভৈরব থেকে আসা একটি মালামালবাহী নৌকার মধ্যে ধাক্কা লাগে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এসময় মালবাহী নৌকায় ঘুমিয়ে থাকা আমিন মিয়া চিৎকার-চেঁচামেচি শুনে বাইরে বের হলে হাউজবোটের লোকজন তার ওপর হামলা চালায় এবং তিনি গুরুতর আহত হয়ে নদীতে পড়ে গেলে তার মৃত্যু হয়। এই বিষয়ে নিহতের বাবা কালাম মিয়া অভিযোগ করে বলেন, হাউজবোটে থাকা ১২ থেকে ১৫ জন মানুষ আমাদের মালবাহী নৌকা
সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে হাউজবোট ও মালামালবাহী নৌকার ধাক্কাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম।
নিহত আমিন মিয়া (২৩) একজন নৌ শ্রমিক ও কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব উপজেলার আগানগর ইউনিয়নের কলাপাড়া গ্রামের কালাম মিয়ার ছেলে।
এই ঘটনায় হাউজবোটের মালিকসহ ৯ আসামিকে এরইমধ্যে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন তাহিরপুর থানার ওসি আমিনুল ইসলাম।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত সোমবার (৮ জুন) রাত আনুমানিক ৩টার দিকে তাহিরপুর উপজেলার আনোয়ারপুর বাজার সংলগ্ন রক্তিনদীর পাড়ে কেবিটি প্রেজেন্টস নোটিলাস হাউজবোট ও ভৈরব থেকে আসা একটি মালামালবাহী নৌকার মধ্যে ধাক্কা লাগে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এসময় মালবাহী নৌকায় ঘুমিয়ে থাকা আমিন মিয়া চিৎকার-চেঁচামেচি শুনে বাইরে বের হলে হাউজবোটের লোকজন তার ওপর হামলা চালায় এবং তিনি গুরুতর আহত হয়ে নদীতে পড়ে গেলে তার মৃত্যু হয়।
এই বিষয়ে নিহতের বাবা কালাম মিয়া অভিযোগ করে বলেন, হাউজবোটে থাকা ১২ থেকে ১৫ জন মানুষ আমাদের মালবাহী নৌকায় থাকা মানুষদের ওপর হামলা চালায় এবং সেখানে থাকা আমার ছেলেকে তারা মেরে নীতে ফেলে দেয়। সেইসঙ্গে আমাকে হাউজবোট মালিকের নির্দেশে প্রায় তিন ঘণ্টা আটকে রেখে মিথ্যা স্বীকারোক্তি দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করে। পরে আমি সেখান থেকে বের হয়ে থানায় ও ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে মঙ্গলবার বিকেলে নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
তাহিরপুর থানার ওসি আমিনুল ইসলাম বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত হাউজবোটের মালিকসহ ৯ জনকে গ্রেফতার করে বুধবার আদালতে পাঠালে আদালত তাদের জামিন নামুঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়েছেন।
লিপসন আহমেদ/এফএ/এএসএম
What's Your Reaction?