হাওর রক্ষা বাঁধে পাউবো-প্রশাসনের অনিয়ম-দুর্নীতির প্রতিবাদে গণ-সমাবেশ
সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে হাওর রক্ষা বাঁধ নির্মাণে অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতিবাদ এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ক্ষতিপূরণের দাবিতে গণ-সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলা পাগলা বাজারে ‘হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলন’ উপজেলা আহ্বায়ক কমিটির ব্যানারে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। গণসমাবেশে বক্তারা বলেন, দেখার হাওরে বৃষ্টির পানিতে জলাবদ্ধতায় বহু কৃষকের ধান তলিয়ে গেছে, সাথে তাদের স্বপ্ন ও তলিয়ে গেছে। এই হাওরে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের সংখ্যা বেশি, তাদের ক্ষতিপূরণ নিরূপণ করে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে, এই উপজেলায় খাল নদী খনন দ্রুত শুরু করতে হবে। তারা অভিযোগ, পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ও স্থানীয় প্রশাসনের দুর্নীতির কারণে বাঁধের সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ হয়নি। অবিলম্বে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রণয়ন করে ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং উপজেলার প্রধান খাল ও নদীগুলো দ্রুত খনন করার দাবি জানান তারা। হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলনের শান্তিগঞ্জ উপজেলার আহ্বায়ক মোহাম্মদ ইমদাদ হোসেনের সভাপতিত্বে ও জেলা সাধারণ সম্পাদক মো. ওবায়দুল হক মিলনের সঞ্চালনায় গণ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলনের জেলা কমিটির সভাপতি মো. রাজু আহমেদ, সহ-সভাপতি
সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে হাওর রক্ষা বাঁধ নির্মাণে অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতিবাদ এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ক্ষতিপূরণের দাবিতে গণ-সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলা পাগলা বাজারে ‘হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলন’ উপজেলা আহ্বায়ক কমিটির ব্যানারে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।
গণসমাবেশে বক্তারা বলেন, দেখার হাওরে বৃষ্টির পানিতে জলাবদ্ধতায় বহু কৃষকের ধান তলিয়ে গেছে, সাথে তাদের স্বপ্ন ও তলিয়ে গেছে। এই হাওরে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের সংখ্যা বেশি, তাদের ক্ষতিপূরণ নিরূপণ করে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে, এই উপজেলায় খাল নদী খনন দ্রুত শুরু করতে হবে।
তারা অভিযোগ, পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ও স্থানীয় প্রশাসনের দুর্নীতির কারণে বাঁধের সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ হয়নি। অবিলম্বে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রণয়ন করে ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং উপজেলার প্রধান খাল ও নদীগুলো দ্রুত খনন করার দাবি জানান তারা।
হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলনের শান্তিগঞ্জ উপজেলার আহ্বায়ক মোহাম্মদ ইমদাদ হোসেনের সভাপতিত্বে ও জেলা সাধারণ সম্পাদক মো. ওবায়দুল হক মিলনের সঞ্চালনায় গণ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলনের জেলা কমিটির সভাপতি মো. রাজু আহমেদ, সহ-সভাপতি ওবায়দুল মুন্সী, উপজেলার সদস্য সচিব আহমদ উসমান, যুগ্ম আহ্বায়ক রেদুয়ান আহমেদ।
এছাড়া আরও বক্তব্য রাখেন সংগঠনটির উপজেলা কমিটির সদস্য ইমরানুল হাসান, লায়েক আহমদ, জয়কলস ইউনিয়ন কমিটির আহ্বায়ক রুয়েল আহমদ, পূর্ব পাগলা ইউনিয়ন কমিটির সদস্য সচিব খসরু মিয়া, সমাজকর্মী কিবরিয়া, আজাদ আহমদ, মনসুর উদ্দিন, আজির উদ্দিন, রুহুল মিয়া, আতিকুর রহমান রাহিম প্রমুখ।
লিপসন আহমেদ/কেএইচকে/এমএস
What's Your Reaction?