হাত-পা বেঁধে বৃদ্ধাকে হত্যা

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুটের সময় ওয়ালেদা খাতুন (৭৫) নামে এক বৃদ্ধাকে হাত-পা বেঁধে হত্যা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার পূর্ব পালশা গ্রামে বৃদ্ধার নিজ বাসায় এ ঘটনা ঘটে।  নিহত ওয়ালেদা খাতুন উপজেলার পালশা ইউনিয়নের মৃত হবিবুর রহমানের স্ত্রী। স্থানীয়রা জানান, ছোট মেয়ে রহিমা বেগমকে নিয়ে নিজ বাড়িতে বসবাস করতেন ওয়ালেদা খাতুন। তার পাঁচ ছেলে ও দুই মেয়ে। ছেলেরা আলাদা বাড়িতে বসবাস করে এবং বড় মেয়ে স্বামীর বাড়িতে থাকেন। ছোট মেয়ে রহিমা বেগম স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর বিদেশে যান এবং ৬ বছর প্রবাসে থাকার পর ছয় মাস আগে দেশে ফিরে মায়ের সঙ্গে বসবাস করছিলেন। মঙ্গলবার বিকেলের কোনো এক সময় একটি দুর্বৃত্তচক্র ঘরে ঢুকে স্কচটেপ দিয়ে বৃদ্ধা ওয়ালেদা খাতুনের হাত-পা বেঁধে ফেলে। এরপর তাকে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। তারা আরও জানান, ঘটনার সময় ছোট মেয়ে রহিমা বেগম বাড়ি থেকে প্রায় ২ কিলোমিটার দূরে ডুগডুগি বাজারে তার কাপড়ের দোকানে ছিলেন। বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে বাড়িতে ফিরে এসে তিনি তার মায়ের শরীর কাপড় দিয়ে ঢাকা অবস্থ

হাত-পা বেঁধে বৃদ্ধাকে হত্যা
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুটের সময় ওয়ালেদা খাতুন (৭৫) নামে এক বৃদ্ধাকে হাত-পা বেঁধে হত্যা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার পূর্ব পালশা গ্রামে বৃদ্ধার নিজ বাসায় এ ঘটনা ঘটে।  নিহত ওয়ালেদা খাতুন উপজেলার পালশা ইউনিয়নের মৃত হবিবুর রহমানের স্ত্রী। স্থানীয়রা জানান, ছোট মেয়ে রহিমা বেগমকে নিয়ে নিজ বাড়িতে বসবাস করতেন ওয়ালেদা খাতুন। তার পাঁচ ছেলে ও দুই মেয়ে। ছেলেরা আলাদা বাড়িতে বসবাস করে এবং বড় মেয়ে স্বামীর বাড়িতে থাকেন। ছোট মেয়ে রহিমা বেগম স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর বিদেশে যান এবং ৬ বছর প্রবাসে থাকার পর ছয় মাস আগে দেশে ফিরে মায়ের সঙ্গে বসবাস করছিলেন। মঙ্গলবার বিকেলের কোনো এক সময় একটি দুর্বৃত্তচক্র ঘরে ঢুকে স্কচটেপ দিয়ে বৃদ্ধা ওয়ালেদা খাতুনের হাত-পা বেঁধে ফেলে। এরপর তাকে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। তারা আরও জানান, ঘটনার সময় ছোট মেয়ে রহিমা বেগম বাড়ি থেকে প্রায় ২ কিলোমিটার দূরে ডুগডুগি বাজারে তার কাপড়ের দোকানে ছিলেন। বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে বাড়িতে ফিরে এসে তিনি তার মায়ের শরীর কাপড় দিয়ে ঢাকা অবস্থায় মাটিতে পড়ে থাকতে দেখেন। পরে কাপড় সরিয়ে দেখেন, মুখে টেপ লাগানো, গলায় গামছা পেঁচানো এবং হাত-পা বাঁধা অবস্থায় রয়েছে। এ সময় তার চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে। পরে বাড়ির ভিতর একটি কক্ষে থাকা আলমারির জিনিসপত্র ও কাপড়চোপড় এলোমেলোভাবে মেঝেতে ছড়ানো ছিটানো অবস্থায় দেখতে পান।   নিহতের ছোট মেয়ে রহিমার দাবি, তার মায়ের হত্যাকারীরা ঘর থেকে প্রায় পাঁচ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ দুই লাখ টাকা লুট করেছে। ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় নিহতের বড় ছেলে বাদী হয়ে এজাহার দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow