হাতিয়ায় ছোট গরুর বড় বাজার

ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার বাজারে ছোট ও মাঝারি সাইজের দেশি গরুর জমজমাট হাট বসেছে। বিস্তীর্ণ চরে প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে ওঠা এসব গরুর স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে এখন ঢাকা ও চট্টগ্রামেও নিয়ে যাচ্ছেন বেপারিরা। শনিবার (১৬ মে) হাতিয়া বাজারে গিয়ে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। এখানে প্রতি শনিবার ও মঙ্গলবার পশুর হাট বসে। জানা গেছে, নদীপথ সহজ হওয়ায় কেবল হাতিয়া নয়, পার্শ্ববর্তী রামগতি, মনপুরা, সন্দ্বীপ এবং ভোলা থেকেও প্রচুর গরু নিয়ে হাটে আসছেন খামারি ও বেপারিরা। জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এবার নোয়াখালী জেলায় কোরবানির পশুর মোট চাহিদা রয়েছে ১ লাখ ৫০ হাজার। এর বিপরীতে স্থানীয় খামারিরা প্রস্তুত করেছেন ১ লাখ ৫৬ হাজার পশু। ফলে জেলার নিজস্ব চাহিদা মিটিয়েও প্রায় ৬ হাজার গরু ঢাকা ও চট্টগ্রামে সরবরাহ করা সম্ভব হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, জেলার প্রায় ৬ হাজার ৬০০ খামারির অধিকাংশই এবার ক্রেতাদের পছন্দের কথা মাথায় রেখে ছোট ও মাঝারি সাইজের গরু লালন-পালনে বেশি ঝুঁকেছেন। জেলা শহর মাইজদী থেকে আসা নিজাম উদ্দিন জাগো নিউজকে জানান, গত বছরের চেয়ে দাম একটু বেশি। এখানে

হাতিয়ায় ছোট গরুর বড় বাজার

ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার বাজারে ছোট ও মাঝারি সাইজের দেশি গরুর জমজমাট হাট বসেছে। বিস্তীর্ণ চরে প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে ওঠা এসব গরুর স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে এখন ঢাকা ও চট্টগ্রামেও নিয়ে যাচ্ছেন বেপারিরা।

শনিবার (১৬ মে) হাতিয়া বাজারে গিয়ে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। এখানে প্রতি শনিবার ও মঙ্গলবার পশুর হাট বসে।

জানা গেছে, নদীপথ সহজ হওয়ায় কেবল হাতিয়া নয়, পার্শ্ববর্তী রামগতি, মনপুরা, সন্দ্বীপ এবং ভোলা থেকেও প্রচুর গরু নিয়ে হাটে আসছেন খামারি ও বেপারিরা।

জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এবার নোয়াখালী জেলায় কোরবানির পশুর মোট চাহিদা রয়েছে ১ লাখ ৫০ হাজার। এর বিপরীতে স্থানীয় খামারিরা প্রস্তুত করেছেন ১ লাখ ৫৬ হাজার পশু। ফলে জেলার নিজস্ব চাহিদা মিটিয়েও প্রায় ৬ হাজার গরু ঢাকা ও চট্টগ্রামে সরবরাহ করা সম্ভব হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, জেলার প্রায় ৬ হাজার ৬০০ খামারির অধিকাংশই এবার ক্রেতাদের পছন্দের কথা মাথায় রেখে ছোট ও মাঝারি সাইজের গরু লালন-পালনে বেশি ঝুঁকেছেন।

হাতিয়ায় ছোট গরুর বড় বাজার

জেলা শহর মাইজদী থেকে আসা নিজাম উদ্দিন জাগো নিউজকে জানান, গত বছরের চেয়ে দাম একটু বেশি। এখানে দেশি গরু পাওয়া যায়, এ কারণেই এই বাজারে এসেছি। কিন্তু বেপারিরা দাম ছাড়ছেন না।

ইজারাদার আবদুল মতিন জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমাদের এ বাজারে দেশি গরু পাওয়া যায়। সারা দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বেপারিরা এসে এ বাজারে গরু কিনতে আসেন। আমরা সরকারি নিয়ম মেনে খাজনা নিয়ে থাকি। আলহামদুলিল্লাহ, এখানে ভালো বেচাকেনা হয়।’

নোয়াখালী জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. আবুল কালাম আজাদ জাগো নিউজকে জানান, জেলায় চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত পশু প্রস্তুত রয়েছে। খামারিরা যাতে সুস্থ-সবল পশু হাটে তুলতে পারেন, সে বিষয়ে আমরা নিয়মিত তদারকি ও পরামর্শ দিয়ে আসছি।

চলতি বছর নোয়াখালী জেলায় ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ১৯৮টি পশুর হাট বসেছে। হাটে পশুর পর্যাপ্ত জোগান থাকলেও দাম নিয়ে ক্রেতাদের পক্ষ থেকে কিছুটা বাড়তি হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। তবে বিক্রেতা ও খামারিদের প্রত্যাশা— ঈদের শেষ মুহূর্তে হাটে ক্রেতাদের ঢল নামবে এবং তারা তাদের কাঙ্ক্ষিত লাভ ঘরে তুলতে পারবেন।

ইকবাল হোসেন মজনু/কেএইচকে/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow