হাদি হত্যার আসামিদের ভারত থেকে ফিরিয়ে আনার দাবিতে ঢাবিতে বিক্ষোভ
শরিফ ওসমান হাদি হত্যার আসামিদের ভারত থেকে ফিরিয়ে এনে বিচারের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) বিক্ষোভ মিছিল করেছে জাতীয় ছাত্রশক্তি। সেই সঙ্গে শেখ হাসিনাসহ জুলাই গণহত্যার আসামিদের ফিরিয়ে আনার দাবি জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ভিসি চত্বর থেকে মিছিলটি শুরু করে হলপাড়াসহ বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্যে দিয়ে শেষ হয়। মিছিলে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা ‘শিক্ষা-সন্ত্রাস, একসঙ্গে চলে না’, ‘ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা, হুঁশিয়ার সাবধান’, ‘মুজিববাদের আস্তানা, ভেঙে দাও-গুঁড়িয়ে দাও’ ইত্যাদি স্লোগান দেন। সমাবেশে ছাত্রশক্তির সভাপতি জাহিদ আহসান বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা এখনো ভারতে বসে নানা ধরনের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। ভারত যদি সত্যিকার অর্থে বন্ধু রাষ্ট্রের মতো আচরণ করতো, তাহলে খুনি হাসিনাকে প্রথম দিনই বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করতো। বিশ্বের অনেক দেশ যখন তাকে গ্রহণ করেনি, তখন ভারতই তাকে আশ্রয় দিয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা জানতে পেরেছি, সীমান্ত থেকে শহীদ ওসমান হাদির এক খুনিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সরকারের কাছে আমাদের দাবি- অনতিবিলম্বে ত
শরিফ ওসমান হাদি হত্যার আসামিদের ভারত থেকে ফিরিয়ে এনে বিচারের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) বিক্ষোভ মিছিল করেছে জাতীয় ছাত্রশক্তি। সেই সঙ্গে শেখ হাসিনাসহ জুলাই গণহত্যার আসামিদের ফিরিয়ে আনার দাবি জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ভিসি চত্বর থেকে মিছিলটি শুরু করে হলপাড়াসহ বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্যে দিয়ে শেষ হয়।
মিছিলে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা ‘শিক্ষা-সন্ত্রাস, একসঙ্গে চলে না’, ‘ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা, হুঁশিয়ার সাবধান’, ‘মুজিববাদের আস্তানা, ভেঙে দাও-গুঁড়িয়ে দাও’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।
সমাবেশে ছাত্রশক্তির সভাপতি জাহিদ আহসান বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা এখনো ভারতে বসে নানা ধরনের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। ভারত যদি সত্যিকার অর্থে বন্ধু রাষ্ট্রের মতো আচরণ করতো, তাহলে খুনি হাসিনাকে প্রথম দিনই বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করতো। বিশ্বের অনেক দেশ যখন তাকে গ্রহণ করেনি, তখন ভারতই তাকে আশ্রয় দিয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা জানতে পেরেছি, সীমান্ত থেকে শহীদ ওসমান হাদির এক খুনিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সরকারের কাছে আমাদের দাবি- অনতিবিলম্বে তাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে এই হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উন্মোচন করতে হবে।’
জাহিদের দাবি, আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের রাজনীতিতে ‘গন কেইস’ হয়ে গেছে। তারা আর কোনো দিন এ দেশের রাজনীতিতে ফিরতে পারবে না। ছাত্রলীগের নামে যারা সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালানোর চেষ্টা করবেন, তাদের সবাইকে প্রতিহত করা হবে।
সমাবেশে ছাত্রশক্তির ঢাবি সভাপতি তাহমিদ আল মুদ্দাসসির চৌধুরী বলেন, ‘ঢাবিতে ছাত্রলীগ যতবার মাঠে নামার চেষ্টা করেছে, ছাত্রশক্তি ততবারই তাদের প্রতিরোধ করেছে। এজন্য সফট লীগাররা আমাদের নেতাকর্মীদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে। ছাত্রলীগ কর্মী গ্রেফতারের ঘটনায় আমরা ছাত্রদলের মায়াকান্না দেখতে পেয়েছি। যদি ছাত্রদল এই ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টা করে, তাহলে তাদেরও একই পরিণতি ভোগ করতে হবে।’
তাহমিদ আরও বলেন, ‘কখনো কখনো আমাদের মনে হয়, আমরা থেমে যাই, ছাত্রলীগ ফিরে এসে আপনাদের আগের মতো মারধর করুক। কিন্তু আমাদের নৈতিকতার জায়গা থেকে আমরা তা হতে দিতে পারি না। আওয়ামী লীগ যদি আবার ক্ষমতায় ফিরে আসে, তাহলে কেউই রাজনীতি করার সুযোগ পাবে না। তখন ক্যাম্পাসগুলো আবার সন্ত্রাসের আখড়ায় পরিণত হবে এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে গডফাদারদের উত্থান ঘটবে।’
ছাত্রশক্তির সাধারণ সম্পাদক আবু বাকের মজুমদারের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন সংগঠনটির ঢাবি শাখার সাধারণ সম্পাদক আল-আমিন সরকার ও মিতু আক্তারসহ অন্য নেতারা।
এফএআর/একিউএফ
What's Your Reaction?