হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে বার্লিনে মানববন্ধন

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে এবং দোষীদের বিচারের দাবিতে জার্মানিতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা এক প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধন করেছে। রোববার জার্মানির সময় বেলা ১১টায় বার্লিনের ঐতিহাসিক ব্রান্ডেনবুর্গার গেটের সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে দেশি-বিদেশি প্রতিবাদী মানুষ অংশগ্রহণ করেন। প্রতিবাদী ব্যক্তিদের কণ্ঠে বারবার ধ্বনিত হয় ‘হাদি জিন্দাবাদ’ স্লোগান। হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে আয়োজিত এই কর্মসূচির প্রধান আয়োজক মো. ইমদাদুল সাদিক বলেন, হাদি হত্যার ঘটনায় যে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে তা একটি প্রহসন। এই অভিযোগপত্র কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না এবং ন্যায়বিচার আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালবে। রোববার বার্লিনের তাপমাত্রা ছিল প্রায় মাইনাস ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, তবে অনুভূত হচ্ছিল মাইনাস ১০ ডিগ্রির মতো। তীব্র শীত উপেক্ষা করে ১১টা থেকেই প্রবাসী নারী-পুরুষ, তরুণ-তরুণীসহ সব বয়সের মানুষ এই সমাবেশে অংশ নেন। বক্তারা বলেন, যদি বিচারপ্রক্রিয়ায় গড়িমসি করা হয় বা ন্যায়বিচার নিশ্চিত না হয়, তবে প্রয়োজনে নিয়মিত প্রতিবাদ কর্মসূচির মাধ্যমে প্রবাসীদের আরও ঐক্যবদ্ধ করা হবে। এমনকি ভবি

হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে বার্লিনে মানববন্ধন

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে এবং দোষীদের বিচারের দাবিতে জার্মানিতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা এক প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধন করেছে।

রোববার জার্মানির সময় বেলা ১১টায় বার্লিনের ঐতিহাসিক ব্রান্ডেনবুর্গার গেটের সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

এতে দেশি-বিদেশি প্রতিবাদী মানুষ অংশগ্রহণ করেন। প্রতিবাদী ব্যক্তিদের কণ্ঠে বারবার ধ্বনিত হয় ‘হাদি জিন্দাবাদ’ স্লোগান। হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে আয়োজিত এই কর্মসূচির প্রধান আয়োজক মো. ইমদাদুল সাদিক বলেন, হাদি হত্যার ঘটনায় যে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে তা একটি প্রহসন। এই অভিযোগপত্র কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না এবং ন্যায়বিচার আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালবে।

রোববার বার্লিনের তাপমাত্রা ছিল প্রায় মাইনাস ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, তবে অনুভূত হচ্ছিল মাইনাস ১০ ডিগ্রির মতো। তীব্র শীত উপেক্ষা করে ১১টা থেকেই প্রবাসী নারী-পুরুষ, তরুণ-তরুণীসহ সব বয়সের মানুষ এই সমাবেশে অংশ নেন।

বক্তারা বলেন, যদি বিচারপ্রক্রিয়ায় গড়িমসি করা হয় বা ন্যায়বিচার নিশ্চিত না হয়, তবে প্রয়োজনে নিয়মিত প্রতিবাদ কর্মসূচির মাধ্যমে প্রবাসীদের আরও ঐক্যবদ্ধ করা হবে। এমনকি ভবিষ্যতে যে সরকারই ক্ষমতায় আসুক না কেন, প্রয়োজনে প্রবাসীদের সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার ‘রেমিট্যান্স’ বন্ধ করে চাপ প্রয়োগের কথাও আলোচনায় উঠে আসে।

সমাবেশে নারী ও শিশুদের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে স্বাগত বক্তব্য দেন সহ-আয়োজক ফয়জুল্লাহ ফাইয়াজ। আয়োজক আলিম মিয়া জার্মান ভাষায় বক্তব্য দিয়ে স্থানীয় নাগরিকদের উদ্দেশে বাংলাদেশের ওপর চলমান আধিপত্যবাদী শক্তির প্রভাবের কথা তুলে ধরেন এবং এসব বিষয়ে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান। খালেদ বিন রশিদ, সৈয়দ মাহিন, মুনশি জুমরাদ, তাজুল ইসলাম, লিখন, তাঞ্জিদ নাহিয়ানসহ অনেকে বক্তব্য দেন।

এমআরএম/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow