হাম উপসর্গে আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু
হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় (বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হামের উপসর্গ ও সন্দেহভাজন রোগী মিলিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ১৪৮ জন। এ নিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত হামে ও হামের উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৬৬ জনে। এর মধ্যে ৫৭৩ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে হামের উপসর্গ নিয়ে এবং নিশ্চিত হামে মারা গেছে ৯৩ জন শিশু। বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া পাঁচ শিশুর মধ্যে দুইজন সিলেট বিভাগে, এবং একজন করে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগে মারা গেছে। একই সময়ে সন্দেহভাজন হাম রোগী হিসেবে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৯০৭ জন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৩৩১ জন ঢাকা বিভাগে, এরপর চট্টগ্রামে ১৭৫ জন এবং বরিশালে ১৩৫ জন। এ সময়ে চিকিৎসা শেষে ৮১৫ জন রোগী হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছে। গত ১৫ মার্চ দেশে প্রথম হাম রোগী শনাক্ত হওয়ার পর থেকে গত ৯৫ দিনে মোট ৮৯ হাজার ৯০৪ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা গেছে। এর মধ্যে ৭৪ হাজার ১৮৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এবং মোট নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১০ হাজার ৭৭৩ জনে পৌঁছ
হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় (বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হামের উপসর্গ ও সন্দেহভাজন রোগী মিলিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ১৪৮ জন।
এ নিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত হামে ও হামের উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৬৬ জনে। এর মধ্যে ৫৭৩ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে হামের উপসর্গ নিয়ে এবং নিশ্চিত হামে মারা গেছে ৯৩ জন শিশু।
বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া পাঁচ শিশুর মধ্যে দুইজন সিলেট বিভাগে, এবং একজন করে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগে মারা গেছে।
একই সময়ে সন্দেহভাজন হাম রোগী হিসেবে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৯০৭ জন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৩৩১ জন ঢাকা বিভাগে, এরপর চট্টগ্রামে ১৭৫ জন এবং বরিশালে ১৩৫ জন।
এ সময়ে চিকিৎসা শেষে ৮১৫ জন রোগী হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছে।
গত ১৫ মার্চ দেশে প্রথম হাম রোগী শনাক্ত হওয়ার পর থেকে গত ৯৫ দিনে মোট ৮৯ হাজার ৯০৪ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা গেছে। এর মধ্যে ৭৪ হাজার ১৮৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এবং মোট নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১০ হাজার ৭৭৩ জনে পৌঁছেছে। একই সময়ে ৭০ হাজার ৫০৩ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে।
What's Your Reaction?