হাম উপসর্গে মৃত্যু পৌঁছেছে ৫৫০ জনে, নিশ্চিত হামে প্রাণহানি ৯২
দেশে হাম রোগের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশু মারা গেছে। এ নিয়ে চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৫০ জনে। সেই সঙ্গে নিশ্চিত হামে প্রাণহানি ঘটেছে ৯২ শিশুর। বৃহস্পতিবার (১০ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কেউ মারা না গেলেও সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যু হয়েছে তিনজনের। অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৯২ জনের প্রাণ গেছে। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামে প্রাণহানির সংখ্যা ৫৫০ জন। সব মিলিয়ে হাম-সংক্রান্ত রোগে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৪২ জনে। আরও পড়ুন শিগগির ৫ হাজার চিকিৎসক ও ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ প্রতিবেদনে উল্লেখিত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ১৩২ জনের। এসময়ে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা এক হাজার ১১০ জন। গত ১৫ মার্চের পর থেকে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছে ১০ হাজার ৫৯ জন। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামে আক্রান্তের সংখ্যা ৮৩ হাজার ১৩৯ জন।
দেশে হাম রোগের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশু মারা গেছে। এ নিয়ে চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৫০ জনে। সেই সঙ্গে নিশ্চিত হামে প্রাণহানি ঘটেছে ৯২ শিশুর।
বৃহস্পতিবার (১০ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কেউ মারা না গেলেও সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যু হয়েছে তিনজনের।
অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৯২ জনের প্রাণ গেছে। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামে প্রাণহানির সংখ্যা ৫৫০ জন। সব মিলিয়ে হাম-সংক্রান্ত রোগে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৪২ জনে।
প্রতিবেদনে উল্লেখিত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ১৩২ জনের। এসময়ে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা এক হাজার ১১০ জন।
গত ১৫ মার্চের পর থেকে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছে ১০ হাজার ৫৯ জন। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামে আক্রান্তের সংখ্যা ৮৩ হাজার ১৩৯ জন। একই সময়ে হাম সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে ৬৮ হাজার ৫৬ জন এবং সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ৬৪ হাজার ২৯৩ জন।
বিভাগভিত্তিক হিসাব অনুযায়ী, নিশ্চিত হামে সবচেয়ে বেশি ৫৬ রোগী মারা গেছে ঢাকায়। এছাড়া বরিশালে ১৯, চট্টগ্রামে ১০, সিলেটে তিন এবং ময়মনসিংহ ও রাজশাহীতে দুজন করে মৃত্যুবরণ করেছে।
সন্দেহজনক হামেও সবচেয়ে বেশি ২৩২ জনের মৃত্যু ঘটেছে ঢাকা বিভাগে। এরপর ৮৬ জন মারা গেছে রাজশাহীতে। সেই সঙ্গে সিলেটে ৬৬, ময়মনসিংহে ৫০, চট্টগ্রামে ৪৭, বরিশালে ৩৮, খুলনায় ২৩ ও রংপুরে আটজন প্রাণ হারিয়েছে।
একিউএফ
What's Your Reaction?
