হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী
সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলায় দেশব্যাপী হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন করেছেন, শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। সোমবার (২০ এপ্রিল) বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইউনিসেফের সহযোগিতা এবং জেলা সিভিল সার্জন অফিসের তত্ত্বাবধানে এ কর্মসূচির অনুষ্ঠিত হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, হাম-রুবেলা টিকাদান একটি গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য উদ্যোগ, যা শিশুদের সংক্রামক রোগ থেকে সুরক্ষা দেয়। জৈন্তাপুর উপজেলায় প্রায় ২৭ হাজারের বেশি শিশুকে এই কর্মসূচির আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে একটি স্থায়ী কেন্দ্রের পাশাপাশি ১২১টি অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। তিনি বলেন, ৫ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী কোনো শিশুই যেন টিকাদানের বাইরে না থাকে, সে বিষয়ে জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, ধর্মীয় নেতা ও স্বেচ্ছাসেবীদের সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। টিকা গ্রহণের পর সামান্য জ্বর হওয়া স্বাভাবিক এ নিয়ে কোনো ধরনের কুসংস্কারে বিশ্বাস না করার আহ্বান জানান তিনি। তিনি আরও বলে
সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলায় দেশব্যাপী হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন করেছেন, শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।
সোমবার (২০ এপ্রিল) বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইউনিসেফের সহযোগিতা এবং জেলা সিভিল সার্জন অফিসের তত্ত্বাবধানে এ কর্মসূচির অনুষ্ঠিত হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, হাম-রুবেলা টিকাদান একটি গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য উদ্যোগ, যা শিশুদের সংক্রামক রোগ থেকে সুরক্ষা দেয়। জৈন্তাপুর উপজেলায় প্রায় ২৭ হাজারের বেশি শিশুকে এই কর্মসূচির আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে একটি স্থায়ী কেন্দ্রের পাশাপাশি ১২১টি অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ৫ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী কোনো শিশুই যেন টিকাদানের বাইরে না থাকে, সে বিষয়ে জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, ধর্মীয় নেতা ও স্বেচ্ছাসেবীদের সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। টিকা গ্রহণের পর সামান্য জ্বর হওয়া স্বাভাবিক এ নিয়ে কোনো ধরনের কুসংস্কারে বিশ্বাস না করার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, এ কর্মসূচি সফল করতে প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগ, জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষের সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। প্রতিটি ইউনিয়নে টিকাদানের অগ্রগতি নিয়মিতভাবে তদারকির নির্দেশনাও দেন তিনি।
জৈন্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এন ইসলাম মোহাম্মদ ফারুকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সিলেট জেলার সিভিল সার্জন ডা. মো. নাসির উদ্দীন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পদ্মাসন সিংহ, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সাখাওয়াত হোসেন, জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুর রশীদ ও জেলা বিএনপির উপদেষ্টা এবিএম জাকারিয়া।
অনুষ্ঠানে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতা ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
What's Your Reaction?