হামাসকে নিরস্ত্র না করে ‘ইয়েলো লাইন’ থেকে সরবে না ইসরায়েল

ফিলিস্তিনিদের ওপর গণহত্যা চালানো ইসরায়েল গাজার ‘ইয়েলো লাইন’ থেকে এক মিলিমিটারও সরবে না। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ এমন মন্তব্য করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, হামাসকে নিষ্ক্রিয় না করা পর্যন্ত গাজার ‘ইয়েলো লাইন’ থেকে তারা এক মিলিমিটারও সরে যাবে না। ইয়েলো লাইন মূলত প্রথম ধাপে ইসরায়েলি বাহিনী যে সীমানা থেকে সেনা প্রত্যাহার করেছিল সে সীমানাকে নির্দেশ করে। কাৎজ এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আমরা কখনোই হামাসকে অস্ত্র ও সুড়ঙ্গসহ এখানে থাকতে দেব না। তিনি আরও যোগ করেন, হামাসকে অস্ত্র, সুড়ঙ্গ ও অন্যান্য সবকিছুর থেকে নিষ্ক্রিয় না করা পর্যন্ত আমরা ইয়েলো লাইন থেকে এক মিলিমিটারও সরে যাব না। এর আগে ইসরায়েলি ক্যাবিনেট সচিব ইয়োসি ফুকস বলেন, সরকার হামাসকে ৬০ দিন সময় দেবে নিষ্ক্রিয় হওয়ার জন্য এবং তা না মানলে যুদ্ধ পুনরায় শুরু হবে বলে হুমকি দিয়েছেন। ইসরায়েল ২০২৩ সালের ৮ অক্টোবর মার্কিন সমর্থনে গাজা নৃশংস হামলা চালায়। দুই বছরের এই যুদ্ধে ৭২,০০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১ লাখ ৭১,০০০ আহত হন যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। এছাড়া ৯০ শতাংশ গাজাবাসীর বসবাসের অবকাঠামো ধ্বংস হয়। ২০২৫ সাল

হামাসকে নিরস্ত্র না করে ‘ইয়েলো লাইন’ থেকে সরবে না ইসরায়েল

ফিলিস্তিনিদের ওপর গণহত্যা চালানো ইসরায়েল গাজার ‘ইয়েলো লাইন’ থেকে এক মিলিমিটারও সরবে না। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ এমন মন্তব্য করেছেন।

তিনি জানিয়েছেন, হামাসকে নিষ্ক্রিয় না করা পর্যন্ত গাজার ‘ইয়েলো লাইন’ থেকে তারা এক মিলিমিটারও সরে যাবে না। ইয়েলো লাইন মূলত প্রথম ধাপে ইসরায়েলি বাহিনী যে সীমানা থেকে সেনা প্রত্যাহার করেছিল সে সীমানাকে নির্দেশ করে।

কাৎজ এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আমরা কখনোই হামাসকে অস্ত্র ও সুড়ঙ্গসহ এখানে থাকতে দেব না।

তিনি আরও যোগ করেন, হামাসকে অস্ত্র, সুড়ঙ্গ ও অন্যান্য সবকিছুর থেকে নিষ্ক্রিয় না করা পর্যন্ত আমরা ইয়েলো লাইন থেকে এক মিলিমিটারও সরে যাব না।

এর আগে ইসরায়েলি ক্যাবিনেট সচিব ইয়োসি ফুকস বলেন, সরকার হামাসকে ৬০ দিন সময় দেবে নিষ্ক্রিয় হওয়ার জন্য এবং তা না মানলে যুদ্ধ পুনরায় শুরু হবে বলে হুমকি দিয়েছেন।

ইসরায়েল ২০২৩ সালের ৮ অক্টোবর মার্কিন সমর্থনে গাজা নৃশংস হামলা চালায়। দুই বছরের এই যুদ্ধে ৭২,০০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১ লাখ ৭১,০০০ আহত হন যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু।

এছাড়া ৯০ শতাংশ গাজাবাসীর বসবাসের অবকাঠামো ধ্বংস হয়। ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও ইসরায়েল এখনও বিভিন্ন অংশে বিমান হামলা ও ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে।

ট্রাম্পের পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপের অংশে ছিলো হামাসকে নিষ্ক্রিয় করা। চলতি বছরের জানুয়ারিতে এই ধাপ শুরু হয়। এতে রয়েছে ইসরায়েলি আরও কিছু প্রত্যাহার, পুনর্গঠন শুরু, অতিরিক্ত মানবিক সহায়তার প্রবেশ এবং গাজা পরিচালনার জন্য প্রশাসনিক কমিটি গঠন।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

কেএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow