হামে আক্রান্ত হয়ে টাঙ্গাইলে ২ জনের মৃত্যু
টাঙ্গাইলে হামে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুই জনের মৃত্যু হয়েছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত কয়েকদিন ধরে হাসপাতালে হাম আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা বাড়তে থাকে।
গত বুধবার বিকেল ৪টার দিকে সদর উপজেলার হাতিলা গ্রামের সোহেল রানার ছেলে সায়ফালকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওইদিন রাত আনুমানিক ৩টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়।
অপরদিকে, সদর উপজেলার ধুলটিয়া গ্রামের সাদ্দাম হোসেনের মেয়ে ১৩ মাস বয়সী সাফাকে গত ২ মার্চ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তীব্র জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ওইদিন রাতে সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশু মারা যায়।
সদর হাসপাতালে শিশু বিশেষজ্ঞ সাইফুল ইসলাম জানান, হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই শিশুদের টিকাদান নিশ্চিত করা, আক্রান্তদের আলাদা রাখা এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি।
তিনি অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে শিশুদের নির্ধারিত সময়ে টিকা প্রদান এবং জ্বর, ফুসকুড়ি বা চোখ লাল হওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করার জন্য বলেন।
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের উপপরিচালক খন্দকার সাদিকুর রহমান করেন
টাঙ্গাইলে হামে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুই জনের মৃত্যু হয়েছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত কয়েকদিন ধরে হাসপাতালে হাম আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা বাড়তে থাকে।
গত বুধবার বিকেল ৪টার দিকে সদর উপজেলার হাতিলা গ্রামের সোহেল রানার ছেলে সায়ফালকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওইদিন রাত আনুমানিক ৩টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়।
অপরদিকে, সদর উপজেলার ধুলটিয়া গ্রামের সাদ্দাম হোসেনের মেয়ে ১৩ মাস বয়সী সাফাকে গত ২ মার্চ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তীব্র জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ওইদিন রাতে সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশু মারা যায়।
সদর হাসপাতালে শিশু বিশেষজ্ঞ সাইফুল ইসলাম জানান, হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই শিশুদের টিকাদান নিশ্চিত করা, আক্রান্তদের আলাদা রাখা এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি।
তিনি অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে শিশুদের নির্ধারিত সময়ে টিকা প্রদান এবং জ্বর, ফুসকুড়ি বা চোখ লাল হওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করার জন্য বলেন।
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের উপপরিচালক খন্দকার সাদিকুর রহমান করেন, গত কয়েকদিনে হামে আক্রান্ত শিশুদের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার কারণে আলাদা একটি ওয়ার্ডের প্রয়োজন পড়ে। যার ফলে সে অনুসারে হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ড হামের চিকিৎসার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, রোববার পর্যন্ত হাম ওয়ার্ডে ১৬জন রোগী রয়েছেন। হামে আক্রান্ত এ পর্যন্ত ২ জনের মৃত্যু হয়েছে।
টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. ফরাজী মো. মাহবুব আলম মঞ্জু জানান, জেলায় ১৫টি হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে এ পর্যন্ত ভর্তি হয়েছিল ১৯৬ জন রোগী। তাদের মধ্যে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। অপরদিকে, ছাড়পত্র নিয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেছেন ১৩৮ জন। বর্তমানে জেলায় ভর্তি রয়েছেন ৫৬ জন।