হামে আক্রান্ত হয়ে বরিশালে আরও ২ শিশুর মৃত্যু

বরিশালে ক্রমেই ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে অতিসংক্রামক রোগ হাম। গত ২৪ ঘণ্টায় শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) হাসপাতালটিতে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে চারজনে। একই সময়ে বিভাগজুড়ে আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা পৌঁছেছে ১৩ জনে। মারা যাওয়া দুই শিশু হলো- বাকেরগঞ্জ উপজেলার চরামদ্দি ইউনিয়নের পান্না খানের পাঁচ মাস বয়সি ছেলে মো. ইমাম এবং বরগুনার আমতলী উপজেলার আবু বক্করের নয় মাস বয়সি ছেলে আবু সালেহ। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ২৮ জন হাম আক্রান্ত শিশুকে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে শেবাচিম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে ৯১ জন শিশু। চলতি বছরের ৯ এপ্রিল সকাল ৮টা পর্যন্ত এ হাসপাতালে মোট ৩১০ জন শিশু চিকিৎসা নিয়েছে। হাসপাতালের সহকারী পরিচালক আব্দুল মোনায়েম সাদ বলেন, ‘প্রতিদিনই হাম আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা বাড়ছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।’ এদিকে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বরিশাল বিভাগের ছয় জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ৭৫১ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফির

হামে আক্রান্ত হয়ে বরিশালে আরও ২ শিশুর মৃত্যু

বরিশালে ক্রমেই ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে অতিসংক্রামক রোগ হাম। গত ২৪ ঘণ্টায় শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

সর্বশেষ বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) হাসপাতালটিতে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে চারজনে। একই সময়ে বিভাগজুড়ে আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা পৌঁছেছে ১৩ জনে।

মারা যাওয়া দুই শিশু হলো- বাকেরগঞ্জ উপজেলার চরামদ্দি ইউনিয়নের পান্না খানের পাঁচ মাস বয়সি ছেলে মো. ইমাম এবং বরগুনার আমতলী উপজেলার আবু বক্করের নয় মাস বয়সি ছেলে আবু সালেহ।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ২৮ জন হাম আক্রান্ত শিশুকে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে শেবাচিম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে ৯১ জন শিশু। চলতি বছরের ৯ এপ্রিল সকাল ৮টা পর্যন্ত এ হাসপাতালে মোট ৩১০ জন শিশু চিকিৎসা নিয়েছে।

হাসপাতালের সহকারী পরিচালক আব্দুল মোনায়েম সাদ বলেন, ‘প্রতিদিনই হাম আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা বাড়ছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।’

এদিকে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বরিশাল বিভাগের ছয় জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ৭৫১ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৫৬৯ জন শিশু।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ভর্তি হয়েছে ৭২ জন এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৬১ জন। তবে একই সময়ে আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ জনের মৃত্যু হওয়ায় জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow