হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, প্রাণহানি বেড়ে ৬৮৬
দেশজুড়ে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ১৩৫ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৫৯৩টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৩টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৬৮৬টি শিশু মারা গেছে। এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ১২৬টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১,০০৯ জন। এসময়ে ৯৭৩টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৯৮৬টি শিশু। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৯৪ হাজার ৭৬৪, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১১ হাজার ২৯৭। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৭৮ হাজার ৭১৬ রো
দেশজুড়ে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ১৩৫ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৫৯৩টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৩টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৬৮৬টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ১২৬টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১,০০৯ জন। এসময়ে ৯৭৩টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৯৮৬টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৯৪ হাজার ৭৬৪, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১১ হাজার ২৯৭। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৭৮ হাজার ৭১৬ রোগী, যাদের মধ্যে ৭৪ হাজার ৯৭১ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
What's Your Reaction?