হামের হটস্পট ঘোষণা করায় বরগুনায় হামের টিকাদান কর্মসূচি শুরু

দেশজুড়ে হামের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পাওয়ায় ২০টি জেলার ৩০টি স্থানকে ‘হটস্পট’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এরমধ্যে বরগুনা জেলার সদর ও পৌরসভাকে হামের হটস্পট ঘোষণা করেছে সরকার। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে জেলার সদর উপজেলায় সিভিল সার্জন কার্যালয়ে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলা সিভিল সার্জন ডা: মোহাম্মদ আবুল ফাত্তাহর সভাপতিত্বে ঢাকা থেকে লাইভ সম্প্রচারে এসে টিকাদান কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন জাতীয় সংসদ এর মাননীয় চিফ হুইপ বরগুনা ২ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য আলহাজ্ব নুরুল ইসলাম মনি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ ইব্রাহিম সহ সকল উপজেলার ডাক্তার ও সাংবাদিকবৃন্দ। জেলা সদর ও পৌরসভার সব স্পটে সরকারি উদ্যোগে ৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়েসি সকল বাচ্চাকে এই টিকা কর্মসূচির আওতায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। জেলা সিভিল সার্জন ডা: মোহাম্মদ আবুল ফাত্তাহ বলেন, ইপিআই কার্ড অনুযায়ী ৯ মাসে এমআর ১ম ডোজ ও ১৫ মাসে এমআর ২য় ডোজ দেয়া হয়; যাদের ইতোমধ্যে এই দুই ডোজ বা শুধু প্রথম ডোজ কমপ্লিট তারাও এই টিকা পাবে। শুধু খেয়াল রাখতে হবে সর্বশেষ টিকা পাওয়ার পরে ৪ সপ্তাহ (১মাস) গ্যাপ যেনো হয়। যাদের বাচ্চার হাম হয়ে গিয়েছ

হামের হটস্পট ঘোষণা করায় বরগুনায় হামের টিকাদান কর্মসূচি শুরু

দেশজুড়ে হামের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পাওয়ায় ২০টি জেলার ৩০টি স্থানকে ‘হটস্পট’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এরমধ্যে বরগুনা জেলার সদর ও পৌরসভাকে হামের হটস্পট ঘোষণা করেছে সরকার। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে জেলার সদর উপজেলায় সিভিল সার্জন কার্যালয়ে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলা সিভিল সার্জন ডা: মোহাম্মদ আবুল ফাত্তাহর সভাপতিত্বে ঢাকা থেকে লাইভ সম্প্রচারে এসে টিকাদান কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন জাতীয় সংসদ এর মাননীয় চিফ হুইপ বরগুনা ২ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য আলহাজ্ব নুরুল ইসলাম মনি।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ ইব্রাহিম সহ সকল উপজেলার ডাক্তার ও সাংবাদিকবৃন্দ।

জেলা সদর ও পৌরসভার সব স্পটে সরকারি উদ্যোগে ৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়েসি সকল বাচ্চাকে এই টিকা কর্মসূচির আওতায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। জেলা সিভিল সার্জন ডা: মোহাম্মদ আবুল ফাত্তাহ বলেন, ইপিআই কার্ড অনুযায়ী ৯ মাসে এমআর ১ম ডোজ ও ১৫ মাসে এমআর ২য় ডোজ দেয়া হয়; যাদের ইতোমধ্যে এই দুই ডোজ বা শুধু প্রথম ডোজ কমপ্লিট তারাও এই টিকা পাবে। শুধু খেয়াল রাখতে হবে সর্বশেষ টিকা পাওয়ার পরে ৪ সপ্তাহ (১মাস) গ্যাপ যেনো হয়। যাদের বাচ্চার হাম হয়ে গিয়েছে তারাও এই টিকা দিবে। আর যেসকল বাচ্চারা বর্তমানে জ্বর, সর্দিকাশিতে আক্রান্ত তারা এখন এই টিকা দিবে না; সুস্থ হয়ে এরপর দিবে। সরকারিভাবে এই কার্যক্রম এক মাস পর্যন্ত চলবে। আতঙ্কিত ও অস্থির না হয়ে সকল কে সচেতন হবার আহবান জানান তিনি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow