‘হারলে ইংল্যান্ডের অনেকেই আজেবাজে কথা বলতো, সেই সুযোগ দিইনি’

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। ২-১ গোলের এই নাটকীয় জয়ের পর উচ্ছ্বসিত লিওনেল মেসি বলেন, ‘এটি শুধুই আরেকটি জয় নয়। আর্জেন্টিনার মানুষের জন্য বিশেষ এক বিজয়। পাশাপাশি সমালোচকদেরও কড়া বার্তা দিয়েছেন বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক। ’ টিওয়াইসি স্পোর্টসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মেসি বলেন, ‘মাঠে প্রবেশের মুহূর্ত থেকেই দলের সবাই বুঝতে পেরেছিল ম্যাচটির গুরুত্ব। শুরু থেকেই অনুভূতিটা ছিল অন্যরকম। মাঠে প্রবেশের সময়, জাতীয় সংগীতের সময়, সবকিছুই ছিল বিশেষ। এটা শুধু একটি ফুটবল ম্যাচ ছিল না। আর্জেন্টিনার মানুষ এই জয় চেয়েছিল, আমরাও চেয়েছিলাম। আর এই জয় আমাদের আরেকটি বিশ্বকাপ ফাইনালে নিয়ে গেছে।’ ম্যাচে পিছিয়ে পড়েও দল যেভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে, তাতে গর্ব প্রকাশ করেন আটবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী এই তারকা, ‘টানা দুই বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠা অবিশ্বাস্য ব্যাপার। এই দল কখনও বিশ্বাস হারায় না। আমরা পিছিয়ে পড়ার পরও নিজেদের ফুটবল খেলেছি, প্রতিপক্ষকে তাদের অর্ধেই আটকে রেখেছিলাম। এই জয় আমাদের জন্য অসাধারণ আনন্দের।’ আর্জেন্টিনার এই দলকে ন

‘হারলে ইংল্যান্ডের অনেকেই আজেবাজে কথা বলতো, সেই সুযোগ দিইনি’

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। ২-১ গোলের এই নাটকীয় জয়ের পর উচ্ছ্বসিত লিওনেল মেসি বলেন, ‘এটি শুধুই আরেকটি জয় নয়। আর্জেন্টিনার মানুষের জন্য বিশেষ এক বিজয়। পাশাপাশি সমালোচকদেরও কড়া বার্তা দিয়েছেন বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক। ’

টিওয়াইসি স্পোর্টসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মেসি বলেন, ‘মাঠে প্রবেশের মুহূর্ত থেকেই দলের সবাই বুঝতে পেরেছিল ম্যাচটির গুরুত্ব। শুরু থেকেই অনুভূতিটা ছিল অন্যরকম। মাঠে প্রবেশের সময়, জাতীয় সংগীতের সময়, সবকিছুই ছিল বিশেষ। এটা শুধু একটি ফুটবল ম্যাচ ছিল না। আর্জেন্টিনার মানুষ এই জয় চেয়েছিল, আমরাও চেয়েছিলাম। আর এই জয় আমাদের আরেকটি বিশ্বকাপ ফাইনালে নিয়ে গেছে।’

ম্যাচে পিছিয়ে পড়েও দল যেভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে, তাতে গর্ব প্রকাশ করেন আটবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী এই তারকা, ‘টানা দুই বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠা অবিশ্বাস্য ব্যাপার। এই দল কখনও বিশ্বাস হারায় না। আমরা পিছিয়ে পড়ার পরও নিজেদের ফুটবল খেলেছি, প্রতিপক্ষকে তাদের অর্ধেই আটকে রেখেছিলাম। এই জয় আমাদের জন্য অসাধারণ আনন্দের।’

আর্জেন্টিনার এই দলকে নিয়ে নিজের আস্থার কথাও তুলে ধরেন মেসি, ‘বিশ্বকাপ শুরুর আগেই আমি বিশ্বাস করতাম, আমরা শেষ পর্যন্ত লড়বো। অনেকের সন্দেহ ছিল, কারণ কয়েকজন খেলোয়াড় পুরোপুরি ফিট ছিল না। কিন্তু এই দল একসঙ্গে হলে সব সময় অতিরিক্ত কিছু দিতে পারে। একজন আরেকজনকে অনুপ্রাণিত করে।’

দেশের সমর্থকদের উদ্দেশে কাতার বিশ্বকাপের মতো এবারও একই বার্তা দেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক, ‘এই মুহূর্তটা উপভোগ করুন, যেমন আমরা করছি। আমরা আবারও বিশ্বকাপের ফাইনালে। গত চার বছর ধরে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হিসেবে আছি, এখন আবার শিরোপার জন্য খেলব। ঈশ্বর যা চান, তাই হবে।’

বিশ্বকাপের জন্য দীর্ঘ প্রস্তুতির কথাও জানান তিনি, ‘গত বছরই স্কালোনির সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, বিশ্বকাপের জন্য নিজেকে পুরোপুরি প্রস্তুত করবো। ডিসেম্বরজুড়ে আর্জেন্টিনায় সকাল-বিকেল অনুশীলন করেছি। কাতারের পর এবার সেরা শারীরিক অবস্থায় খেলতে চেয়েছিলাম।’

শেষে ইংল্যান্ডকে হারানোর বিশেষ তাৎপর্য তুলে ধরে মেসি জানন, এই ম্যাচে হারার সুযোগ ছিল না , ‘বিশ্বকাপ আমাদের জন্য সবসময়ই বিশেষ। দেশের মানুষ অনেক কষ্টের মধ্যে থাকে। তাদের মুখে হাসি ফোটাতে পারা আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এটি ছিল বিশেষ একটি ম্যাচ, আমরা হারতে পারতাম না। আমরা জানতাম ফুটবলে আমরা তাদের চেয়ে ভালো। আর যদি আজ হেরে যেতাম, অনেকেই বেরিয়ে এসে আজেবাজে কথা বলতো। সেই সুযোগ আমরা কাউকে দিইনি।’

আরআর/আইএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow