হাসনাতের বিপক্ষে মুন্সীর নির্বাচন বিষয়ে সবশেষ যা জানা গেল
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিল বিভাগের লিভ টু আপিলের ওপর শুনানি শেষ হয়েছে। এ বিষয়ে আদেশ ঘোষণার জন্য আগামী রোববার দিন ধার্য করেছেন আদালত। প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের বেঞ্চ গত বৃহস্পতিবার আদেশের জন্য এই দিন নির্ধারণ করেন। রোববারের কার্যতালিকায় আবেদনটি ১০৩ নম্বর ক্রমিকে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। উল্লেখ্য, কুমিল্লা-৪ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ ঋণ খেলাপির অভিযোগ এনে বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র বাতিলের আবেদন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৭ জানুয়ারি বিকেলে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ঋণ খেলাপির অভিযোগে মুন্সীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করে। এই সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। তবে গত ২১ জানুয়ারি হাইকোর্ট সরাসরি তার রিট আবেদন খারিজ করে দেন। পরবর্তীতে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে তিনি আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল দায়ের করেন। সেই আবেদনের শুনানি শেষে এখন আদালতের চূড়ান্ত আদেশের অপেক্ষায় রয়েছে বিষয়টি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিল বিভাগের লিভ টু আপিলের ওপর শুনানি শেষ হয়েছে। এ বিষয়ে আদেশ ঘোষণার জন্য আগামী রোববার দিন ধার্য করেছেন আদালত।
প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের বেঞ্চ গত বৃহস্পতিবার আদেশের জন্য এই দিন নির্ধারণ করেন। রোববারের কার্যতালিকায় আবেদনটি ১০৩ নম্বর ক্রমিকে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
উল্লেখ্য, কুমিল্লা-৪ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ ঋণ খেলাপির অভিযোগ এনে বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র বাতিলের আবেদন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৭ জানুয়ারি বিকেলে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ঋণ খেলাপির অভিযোগে মুন্সীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করে।
এই সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। তবে গত ২১ জানুয়ারি হাইকোর্ট সরাসরি তার রিট আবেদন খারিজ করে দেন।
পরবর্তীতে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে তিনি আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল দায়ের করেন। সেই আবেদনের শুনানি শেষে এখন আদালতের চূড়ান্ত আদেশের অপেক্ষায় রয়েছে বিষয়টি।
What's Your Reaction?