হাসপাতালে ডায়রিয়া রোগীকে দেওয়া হলো মেয়াদোত্তীর্ণ পাউরুটি
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন এক ডায়রিয়া রোগীকে মেয়াদোত্তীর্ণ পাউরুটি নাস্তা হিসেবে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
সরকারি হাসপাতালে রোগীদের খাবার সরবরাহে এমন অবহেলা ও অনিয়মের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অন্যা রোগী ও তাদের স্বজনরা।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) নাচোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, ডায়রিয়াজনিত সমস্যায় বুধবার নাচোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন উপজেলার খেসবা গ্রামের মোস্তফার ছেলে মোবারক আলী। পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তাকে নাস্তা হিসেবে ‘মিম বিস্কুট অ্যান্ড ফ্যাক্টরি’র একটি পাউরুটির প্যাকেট দেওয়া হয়।
প্যাকেট খুলে মোবারক আলী দেখতে পান, পাউরুটির গায়ে মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ লেখা ১০ মে। অর্থাৎ, পরিবেশনের ১১ দিন আগেই সেটির মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। পরে তিনি পাউরুটিটি না খেয়ে নিজের কাছে রেখে দেন।
ভুক্তভোগী মোবারক আলী বলেন, ‘মেয়াদোত্তীর্ণ দেখে আমি পাউরুটিটি খাইনি। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানাই। কিন্তু ততক্ষণে অনেক রোগী ওই পাউরুটি খেয়ে ফেলেছেন। পরে জানতে পারি, অন্য রোগীদের দেওয়া কিছু পাউরুটির গায়েও ১৬ ও ১৭ মে ম
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন এক ডায়রিয়া রোগীকে মেয়াদোত্তীর্ণ পাউরুটি নাস্তা হিসেবে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
সরকারি হাসপাতালে রোগীদের খাবার সরবরাহে এমন অবহেলা ও অনিয়মের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অন্যা রোগী ও তাদের স্বজনরা।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) নাচোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, ডায়রিয়াজনিত সমস্যায় বুধবার নাচোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন উপজেলার খেসবা গ্রামের মোস্তফার ছেলে মোবারক আলী। পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তাকে নাস্তা হিসেবে ‘মিম বিস্কুট অ্যান্ড ফ্যাক্টরি’র একটি পাউরুটির প্যাকেট দেওয়া হয়।
প্যাকেট খুলে মোবারক আলী দেখতে পান, পাউরুটির গায়ে মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ লেখা ১০ মে। অর্থাৎ, পরিবেশনের ১১ দিন আগেই সেটির মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। পরে তিনি পাউরুটিটি না খেয়ে নিজের কাছে রেখে দেন।
ভুক্তভোগী মোবারক আলী বলেন, ‘মেয়াদোত্তীর্ণ দেখে আমি পাউরুটিটি খাইনি। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানাই। কিন্তু ততক্ষণে অনেক রোগী ওই পাউরুটি খেয়ে ফেলেছেন। পরে জানতে পারি, অন্য রোগীদের দেওয়া কিছু পাউরুটির গায়েও ১৬ ও ১৭ মে মেয়াদ লেখা ছিল।’
তিনি আরও জানান, বিষয়টি জানাজানি হলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তড়িঘড়ি করে কয়েকজন রোগীর কাছ থেকে পাউরুটিগুলো ফেরত নেয়।
এ ঘটনায় হাসপাতালজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। রোগী ও স্বজনদের অভিযোগ, হাসপাতালে অসুস্থ মানুষের জন্য খাবার সরবরাহে এমন গাফিলতি চরম দায়িত্বহীনতার পরিচয়।
এ বিষয়ে নাচোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ইউএইচ অ্যান্ড এফপিও ডা. ফারহানা নবী বলেন, ‘একজন রোগী আমাকে বিষয়টি জানানোর পরপরই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। খাবার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানকে কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
চাঁপাইনবাবগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. এ কে এম শাহাব উদ্দীন বলেন, সরকারি হাসপাতালে রোগীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে এমন খাবার পরিবেশন কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সরকারি হাসপাতালে রোগীদের জন্য নিম্নমানের ও মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার সরবরাহের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যেও তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।