হাসিনা আমলের ‘হেলমেট বাহিনী’ই এখনকার ‘গুপ্ত বাহিনী’: ভূমিমন্ত্রী

ভূমি মন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, বিগত শেখ হাসিনার শাসনামলে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতন চালানো সেই ‘হেলমেট বাহিনী’ এখন ‘গুপ্ত বাহিনীতে’ রূপান্তর হয়েছে। তারাই বর্তমানে দেশে মব সৃষ্টি করে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে। শুক্রবার (২৭ মার্চ) দুপুরে রাজশাহীর একটি কমিউনিটি সেন্টারে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে জেলা বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মিনু অভিযোগ করেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকার পতনের পর সেই হেলমেট বাহিনীর সদস্যরা এখন গুপ্ত বাহিনী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। দেশের বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতির পেছনে তাদের হাত রয়েছে। তিনি বলেন, “স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে রক্ষা করা কঠিন। আমাদের ঘোষণা সবার আগে বাংলাদেশ। আমরা কোনো প্রভু নয়, বরং বন্ধুত্বে বিশ্বাস করি। বাংলাদেশের সাধারণ মানুষই আমাদের মূল শক্তি। নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বিএনপি কোনো মন্ত্রী, এমপি বা মেয়রের দল নয়; এটি সম্পূর্ণভাবে কর্মীদের দল। কর্মীরাই এই দলের প্রাণশক্তি। ভূমি মন্ত্রণালয়ের খাস জমি প্রসঙ্গে সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীনে অনেক খাস জায়গা রয়েছে। আমরা চাইলে সেসব দখল কর

হাসিনা আমলের ‘হেলমেট বাহিনী’ই এখনকার ‘গুপ্ত বাহিনী’: ভূমিমন্ত্রী

ভূমি মন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, বিগত শেখ হাসিনার শাসনামলে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতন চালানো সেই ‘হেলমেট বাহিনী’ এখন ‘গুপ্ত বাহিনীতে’ রূপান্তর হয়েছে। তারাই বর্তমানে দেশে মব সৃষ্টি করে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) দুপুরে রাজশাহীর একটি কমিউনিটি সেন্টারে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে জেলা বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মিনু অভিযোগ করেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকার পতনের পর সেই হেলমেট বাহিনীর সদস্যরা এখন গুপ্ত বাহিনী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। দেশের বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতির পেছনে তাদের হাত রয়েছে।

তিনি বলেন, “স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে রক্ষা করা কঠিন। আমাদের ঘোষণা সবার আগে বাংলাদেশ। আমরা কোনো প্রভু নয়, বরং বন্ধুত্বে বিশ্বাস করি। বাংলাদেশের সাধারণ মানুষই আমাদের মূল শক্তি।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বিএনপি কোনো মন্ত্রী, এমপি বা মেয়রের দল নয়; এটি সম্পূর্ণভাবে কর্মীদের দল। কর্মীরাই এই দলের প্রাণশক্তি।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের খাস জমি প্রসঙ্গে সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীনে অনেক খাস জায়গা রয়েছে। আমরা চাইলে সেসব দখল করে অফিস করতে পারতাম। কিন্তু বিএনপি দখলবাজিতে বিশ্বাস করে না। আমরা দলের মহাসচিবের নামে জায়গা কিনে বৈধভাবে স্থায়ী অফিস নির্মাণ করব।

জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও রাজশাহী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবু সাঈদ চাঁদের সভাপতিত্বতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন। বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম মার্শাল। জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অধ্যাপক বিশ্বনাথ সরকার।

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য দেবাশীষ রায় মধু। জেলা বিএনপির সদস্য সৈয়দ মোহাম্মদ মহসিন প্রমুখ।

সাখাওয়াত হোসেন/কেএইচকে/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow