হাসিনার মতো শুভেন্দুও ভোটাধিকার হরণ করে ক্ষমতায় এসেছেন: বুলু
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকতউল্লা বুলু বলেছেন, ভারতের একটি উগ্র হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠী রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসার পর থেকে মুসলমানদের ওপর নির্যাতন শুরু হয়েছে। বাংলাদেশে যেভাবে শেখ হাসিনা ১৭ বছর ভোট জালিয়াতি করে ক্ষমতায় ছিলেন, তেমনিভাবে পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লাখ মুসলমানকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করে বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী ক্ষমতায় এসেছেন। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন। ভারতের পশ্চিমবঙ্গে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদে এ মানববন্ধন আয়োজন করে বাংলাদেশ খ্রিষ্টান অ্যাসোসিয়েশন। বরকতউল্লা বুলু বলেন, শুভেন্দু অধিকারী পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরেই মুসলমানদের ঘর-বাড়ি, মসজিদ-মাদরাসায় হামলা শুরু হয়েছে। মোয়াজ্জেমদের ভাতা বন্ধ করে দেওয়াসহ মুসলমানদের দোকানপাট লুণ্ঠন করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও ভারতের অন্যান্য প্রদেশেও একইভাবে হামলা চলছে। শুধু মুসলমান নয়, খ্রিষ্টানদের ওপরও হামলা চালানো হয়েছে। আরও পড়ুন বালেন্দ্র শাহ / নেপালে ‘পরিবর্তনের নায়ক’ ৪ মাসেই কীভাবে ‘ভিলেন’ হলেন? জাতিসংঘের কাছে অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, ভারতের উগ্রবাদী সরকার সংখ্যাল
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকতউল্লা বুলু বলেছেন, ভারতের একটি উগ্র হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠী রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসার পর থেকে মুসলমানদের ওপর নির্যাতন শুরু হয়েছে। বাংলাদেশে যেভাবে শেখ হাসিনা ১৭ বছর ভোট জালিয়াতি করে ক্ষমতায় ছিলেন, তেমনিভাবে পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লাখ মুসলমানকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করে বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী ক্ষমতায় এসেছেন।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন। ভারতের পশ্চিমবঙ্গে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদে এ মানববন্ধন আয়োজন করে বাংলাদেশ খ্রিষ্টান অ্যাসোসিয়েশন।
বরকতউল্লা বুলু বলেন, শুভেন্দু অধিকারী পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরেই মুসলমানদের ঘর-বাড়ি, মসজিদ-মাদরাসায় হামলা শুরু হয়েছে। মোয়াজ্জেমদের ভাতা বন্ধ করে দেওয়াসহ মুসলমানদের দোকানপাট লুণ্ঠন করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও ভারতের অন্যান্য প্রদেশেও একইভাবে হামলা চলছে। শুধু মুসলমান নয়, খ্রিষ্টানদের ওপরও হামলা চালানো হয়েছে।
জাতিসংঘের কাছে অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, ভারতের উগ্রবাদী সরকার সংখ্যালঘু মানুষের ওপর যেভাবে হামলা করছে, আমাদের জাতিসংঘের কাছে দাবি থাকবে— ভারতে একটি মিশন পাঠিয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে বিচারের ব্যবস্থা করা। যারা নির্যাতন করছে, তাদেরকে আন্তর্জাতিক আদালতে বিচার করতে হবে।
বিএনপির এই ভাইস চেয়ারম্যান আরও বলেন, সব সম্প্রদায়ের মানুষ সুন্দর করে বসবাস করে, এর উদাহরণ হচ্ছে বাংলাদেশ। এখানে কোনো গন্ডগোল হয়েছে, এরকম কোনো নজির নেই। এখানকার মানুষ বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদে বিশ্বাস করে।
তিনি বলেন, এ দেশের দেশপ্রেমিকরা এখন বিরোধী এবং সরকারি দলে রয়েছেন। আজ বাংলাদেশের মানুষের ঐক্যবদ্ধ রয়েছে।
মানববন্ধনে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বলেন, ভারতকে ঘোষিতভাবে হিন্দু রাষ্ট্র বানানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। এ অবস্থায় দেশটির শিক্ষিত সমাজকে এগিয়ে আসা উচিত।
জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের নায়েবে আমির মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, আমরা সম্প্রীতিতে বিশ্বাসী। এখানে বিভিন্ন ধর্মের মানুষ আছে, তবুও অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণভাবে বসবাস করি। যে যার ধর্ম পালন করে থাকি, কেউ কারও ওপর জুলুম করি না। কিন্তু ভারতে মুসলমানসহ অন্যান্য ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ওপরে তারা নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গে নির্যাতন করতে করতে হত্যা করা হয়েছে। এটা কখনই ধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট্র হতে পারে না।
মানববন্ধনে বাংলাদেশ খ্রিষ্টান অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অ্যালবার্ট পি কষ্টাসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
কেএইচ/কেএসআর
What's Your Reaction?

