হিসাব করলে বিএনপির ভেতরেই মুক্তিযোদ্ধা সবচেয়ে বেশি আছে : জ্বালানিমন্ত্রী
বিএনপি মুক্তিযোদ্ধার দল। এখনো হিসাব করলে বিএনপির ভেতরেই মুক্তিযোদ্ধা সবচেয়ে বেশি আছে বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বিকেলে সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে ভদ্রঘাট ইউনিয়নে ব্রিজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, এই ব্রিজ দিয়ে উল্লাপাড়ার লোকও পার হবে, কামারখন্দের লোকও পার হবে। এই ব্রিজ দিয়ে যাতে সাধারণ মানুষ যাতায়াত করতে পারে সেই ব্যবস্থা করা হবে। শেষ রাতে যদি পোয়াতির প্রসব পেইন ওঠে তাহলে নদী পাড় দিয়ে যেতে হবে না, ব্রিজের উপর দিয়ে যেতে পারবে এই ব্যবস্থা করা হবে। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ড. বিপাশা হোসাইন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লা আল মামুন, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল কায়েস, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি বদিউজ্জামান ফেরদৌস, সাধারণ সম্পাদক রেজাতে রাব্বি উথান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল আজি
বিএনপি মুক্তিযোদ্ধার দল। এখনো হিসাব করলে বিএনপির ভেতরেই মুক্তিযোদ্ধা সবচেয়ে বেশি আছে বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বিকেলে সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে ভদ্রঘাট ইউনিয়নে ব্রিজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, এই ব্রিজ দিয়ে উল্লাপাড়ার লোকও পার হবে, কামারখন্দের লোকও পার হবে। এই ব্রিজ দিয়ে যাতে সাধারণ মানুষ যাতায়াত করতে পারে সেই ব্যবস্থা করা হবে। শেষ রাতে যদি পোয়াতির প্রসব পেইন ওঠে তাহলে নদী পাড় দিয়ে যেতে হবে না, ব্রিজের উপর দিয়ে যেতে পারবে এই ব্যবস্থা করা হবে।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ড. বিপাশা হোসাইন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লা আল মামুন, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল কায়েস, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি বদিউজ্জামান ফেরদৌস, সাধারণ সম্পাদক রেজাতে রাব্বি উথান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল আজিজ সরকারসহ এবং স্থানীয় নেতারা।
What's Your Reaction?