হুইপ অপুর কাছে ছাউনি চাইল পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী

শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার ধূবখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অভিভাবকদের দীর্ঘদিনের দাবির কথা সরাসরি জাতীয় সংসদের হুইপ ও শরীয়তপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপুর কাছে তুলে ধরেছে বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী প্রিয়ন্তী। বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অভিভাবকদের বসার জন্য একটি ছাউনি নির্মাণের আবেদন জানিয়ে সে উপস্থিত সবার প্রশংসা কুড়িয়েছে। শনিবার (১৩ জুন) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ করতে যান হুইপ অপু। এসময় কথা বলার সুযোগ পেয়ে প্রিয়ন্তী বিদ্যালয়ের অভিভাবকদের দুর্ভোগের বিষয়টি তুলে ধরে একটি ছাউনি নির্মাণের দাবি জানায়। প্রিয়ন্তী বলে, ‘আমাদের বিদ্যালয়ে বিভিন্ন সময় অভিভাবকরা আসেন। কিন্তু তাদের বসার জন্য কোনো ছাউনি নেই। রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে তাদের দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। তাই বিদ্যালয়ে একটি ছাউনি নির্মাণ করে দিলে, অভিভাবকদের অনেক উপকার হবে।’ একজন কোমলমতি শিক্ষার্থীর এমন বাস্তবধর্মী আবেদন উপস্থিত অতিথি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।  এসময় মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু শিক্ষার্থীর আবেদন গুরুত্

হুইপ অপুর কাছে ছাউনি চাইল পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী
শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার ধূবখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অভিভাবকদের দীর্ঘদিনের দাবির কথা সরাসরি জাতীয় সংসদের হুইপ ও শরীয়তপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপুর কাছে তুলে ধরেছে বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী প্রিয়ন্তী। বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অভিভাবকদের বসার জন্য একটি ছাউনি নির্মাণের আবেদন জানিয়ে সে উপস্থিত সবার প্রশংসা কুড়িয়েছে। শনিবার (১৩ জুন) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ করতে যান হুইপ অপু। এসময় কথা বলার সুযোগ পেয়ে প্রিয়ন্তী বিদ্যালয়ের অভিভাবকদের দুর্ভোগের বিষয়টি তুলে ধরে একটি ছাউনি নির্মাণের দাবি জানায়। প্রিয়ন্তী বলে, ‘আমাদের বিদ্যালয়ে বিভিন্ন সময় অভিভাবকরা আসেন। কিন্তু তাদের বসার জন্য কোনো ছাউনি নেই। রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে তাদের দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। তাই বিদ্যালয়ে একটি ছাউনি নির্মাণ করে দিলে, অভিভাবকদের অনেক উপকার হবে।’ একজন কোমলমতি শিক্ষার্থীর এমন বাস্তবধর্মী আবেদন উপস্থিত অতিথি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।  এসময় মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু শিক্ষার্থীর আবেদন গুরুত্বের সঙ্গে শোনেন এবং বিষয়টি দ্রুত বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের মুখে বিদ্যালয়ের প্রয়োজনীয়তার কথা শুনে আমি আনন্দিত। শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নে যা প্রয়োজন, তা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।’ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও অভিভাবকরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ে অভিভাবকদের বসার জন্য কোনো নির্দিষ্ট স্থান নেই। ফলে অভিভাবক সমাবেশ, বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, ফলাফল প্রকাশসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তাদের রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে অপেক্ষা করতে হয়। একটি ছাউনি নির্মাণ করা হলে অভিভাবকদের ভোগান্তি অনেকটাই কমে যাবে। স্থানীয়দের মতে, ছোট্ট প্রিয়ন্তীর এই সাহসী ও সচেতন উদ্যোগ বিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের সামাজিক দায়িত্ববোধের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে থাকবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow