‘হেলদি সিটি’ গড়তে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ চান চসিক মেয়র

চট্টগ্রামকে একটি সুস্থ, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য ‘হেলদি সিটি’ হিসেবে গড়ে তুলতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি খাতের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য বলে উল্লেখ করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। শনিবার (৪ এপ্রিল) নগরে এসপেরিয়া হেলথ কেয়ার লিমিটেড আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। মেয়র বলেন, একটি আধুনিক ও মানবিক নগর গড়ে তুলতে শুধু অবকাঠামো উন্নয়ন যথেষ্ট নয়, নাগরিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। আন্তর্জাতিক মানের ডায়াগনস্টিক ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলো এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি বলেন, বর্তমানে ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, কিডনি রোগ ও ক্যানসারের মতো অসংক্রামক রোগের প্রকোপ উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। এসব রোগ প্রতিরোধে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্তকরণ এবং স্বাস্থ্যকর জীবনধারা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। মেয়র বলেন, প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবার ওপর জোর না দিলে ‘হেলদি সিটি’ গড়া সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোর অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসপেরিয়ার মতো প্

‘হেলদি সিটি’ গড়তে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ চান চসিক মেয়র

চট্টগ্রামকে একটি সুস্থ, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য ‘হেলদি সিটি’ হিসেবে গড়ে তুলতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি খাতের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য বলে উল্লেখ করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

শনিবার (৪ এপ্রিল) নগরে এসপেরিয়া হেলথ কেয়ার লিমিটেড আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মেয়র বলেন, একটি আধুনিক ও মানবিক নগর গড়ে তুলতে শুধু অবকাঠামো উন্নয়ন যথেষ্ট নয়, নাগরিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। আন্তর্জাতিক মানের ডায়াগনস্টিক ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলো এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

তিনি বলেন, বর্তমানে ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, কিডনি রোগ ও ক্যানসারের মতো অসংক্রামক রোগের প্রকোপ উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। এসব রোগ প্রতিরোধে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্তকরণ এবং স্বাস্থ্যকর জীবনধারা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

মেয়র বলেন, প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবার ওপর জোর না দিলে ‘হেলদি সিটি’ গড়া সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোর অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসপেরিয়ার মতো প্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক মানের সেবা দিয়ে এ উদ্যোগকে ত্বরান্বিত করতে পারে।

ডা. শাহাদাত হোসেন জানান, সিটি করপোরেশন এরই মধ্যে নগরের স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার, মশক নিধন কার্যক্রম শক্তিশালী করা, ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে বিশেষ অভিযান, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোর সেবা সম্প্রসারণ এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা।

এছাড়া স্কুলভিত্তিক স্বাস্থ্যসচেতনতা এবং পরিবেশবান্ধব বর্জ্য ব্যবস্থাপনাও জোরদার করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে এমন একটি নগর গড়ে তোলা হচ্ছে, যেখানে নাগরিকরা সহজে স্বাস্থ্যসেবা পাবে, পরিবেশ থাকবে পরিচ্ছন্ন এবং জীবনযাত্রা হবে স্বাস্থ্যসম্মত। তবে এ লক্ষ্য অর্জনে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি খাত, চিকিৎসক সমাজ ও সচেতন নাগরিকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।

এমআরএএইচ/এমকেআর 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow