হোসাইন মোহাম্মদ দিদারের কবিতা
গোলাপ হবে তুমি
তুমি হও বিকেলের আলোর মতো কোমল মোহনীয়,
যে আলো পোড়াতে জানে না,শুধু আলতো করে ছোঁয়ে যেতে জানে।
তুমি হয়ে ওঠো শান্ত নদীর মতো,
যেখানে কড়াল স্রোতের তোড়ে পড়ে জীবন শঙ্কিত হওয়ার ভয় থাকে না।
তুমি হয়ে ওঠো একটি গোলাপ
নিরবিচ্ছিন্নভাবে আকৃষ্ট করো আমায়, ডাকো কাছে।
নিবিড় আলিঙ্গনে আবদ্ধ হই
যে গোলাপের প্রেমে পড়ে আমি হবো তুমুল প্রেমিক তোমার।
তোমার স্পর্শে যাই সন্ন্যাসী হয়ে, ভূলন্ঠিত করি জগত সংসার।
তুমি হও আমারই বক্ষ।
হয়ে ওঠো আমার অশান্ত হৃদপিণ্ড
দেখো ভিতরেও গাইছে দোয়েল শ্যামা গান জ্বলছে ভিসুভিয়াস,
এবার জ্বলো নিজে তুমি
পুড়িয়ে ফেলো সকল প্রেম সভ্যতা।
তুমি হয়ে ওঠো এলোকেশী অষ্টাদশী বালিকা
আমি হয়ে যাই তুমুল প্রেমিকা তোমার ;
বাহুডোরে বেঁধে রাখি কলিজা ছিঁড়ে হাজার হাজার দুঃখ।
তুমি হয়ে ওঠো পূর্নিমা তিথি,
আমি হয়ে যাই পৌরাণিক গল্প।
তুমি হয়ে ওঠো আবেদনময়ী জোছনা
সেই স্পর্শে আমি।
হয়ে যাই মহাকবি
লিখে যাই পৃথিবী বিখ্যাত সব অলিখিত কাব্য।
তুমি হয়ে ওঠো ফেমি ব্রাউন পাথরের মতো ভালোবাসা,
আমি হয়ে যাই তোমার সহচর
দূর হোক আমার এই এই দীনহীনতা
ভরে যাক হৃদয়ের গোলা শুধ
গোলাপ হবে তুমি
তুমি হও বিকেলের আলোর মতো কোমল মোহনীয়,
যে আলো পোড়াতে জানে না,শুধু আলতো করে ছোঁয়ে যেতে জানে।
তুমি হয়ে ওঠো শান্ত নদীর মতো,
যেখানে কড়াল স্রোতের তোড়ে পড়ে জীবন শঙ্কিত হওয়ার ভয় থাকে না।
তুমি হয়ে ওঠো একটি গোলাপ
নিরবিচ্ছিন্নভাবে আকৃষ্ট করো আমায়, ডাকো কাছে।
নিবিড় আলিঙ্গনে আবদ্ধ হই
যে গোলাপের প্রেমে পড়ে আমি হবো তুমুল প্রেমিক তোমার।
তোমার স্পর্শে যাই সন্ন্যাসী হয়ে, ভূলন্ঠিত করি জগত সংসার।
তুমি হও আমারই বক্ষ।
হয়ে ওঠো আমার অশান্ত হৃদপিণ্ড
দেখো ভিতরেও গাইছে দোয়েল শ্যামা গান জ্বলছে ভিসুভিয়াস,
এবার জ্বলো নিজে তুমি
পুড়িয়ে ফেলো সকল প্রেম সভ্যতা।
তুমি হয়ে ওঠো এলোকেশী অষ্টাদশী বালিকা
আমি হয়ে যাই তুমুল প্রেমিকা তোমার ;
বাহুডোরে বেঁধে রাখি কলিজা ছিঁড়ে হাজার হাজার দুঃখ।
তুমি হয়ে ওঠো পূর্নিমা তিথি,
আমি হয়ে যাই পৌরাণিক গল্প।
তুমি হয়ে ওঠো আবেদনময়ী জোছনা
সেই স্পর্শে আমি।
হয়ে যাই মহাকবি
লিখে যাই পৃথিবী বিখ্যাত সব অলিখিত কাব্য।
তুমি হয়ে ওঠো ফেমি ব্রাউন পাথরের মতো ভালোবাসা,
আমি হয়ে যাই তোমার সহচর
দূর হোক আমার এই এই দীনহীনতা
ভরে যাক হৃদয়ের গোলা শুধু মোহ মৌনতায়।
তুমি হয়ে যাও আমারই চোখজোড়া
দেখুক মানুষেরা তাকিয়ে,
তাকালেই দেখবে আমার বা-চোখে বয়ে গেছে গভীর প্রশান্ত মহাসাগর
আর ডান চোখে অতল আটলান্টিক...
আমার জন্য কিছুই নেই...
এই অন্তঃসার শূন্য নগরী গ্রোগাসে খেয়ে ফেলছে দানবের দল!
যেটুকু আছে এটা কেবলই ছায়া।
বিকাল শেষে গোধূলি বেলায় এই ছায়াটুকুও ফিকে হয়ে যাবে
কী আর আছে?
কিছুই নেই!
তবুও মানুষ বলে আছি তো বেশ
আমি তো দেখি যেটুকু আছে—
এটা আস্ত একটা ধ্বংসাবশেষ।
এখন
আমার জন্যেও কিছুই নেই
তোমার জন্যেও কিছু নেই
আমাদের জন্য কিছুই নেই।
আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ
মানুষের বিরুদ্ধে আমি কোনোকালেই দাঁড়াতে চাই নি,
মানুষ আমার বিপক্ষে গেলে গেছে কিন্তু আমি মানুষের বিরুদ্ধে যাই নি।
যদি ন্যায়ের পক্ষে কথা বলি
যদি ইনসাফের পক্ষে কথা বলি
যদি মাজলুমের পক্ষে বলি
তবে আমার কথা মানুষের বিরুদ্ধে চলে যায়, তখন আমাকে মানুষের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হয়েছে।
আমি কখনো ফুলের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে চাই নি;
আমি চাই নি কখনো সবুজ গাছে ফুটন্ত একটি সতেজ ফুল ছিঁড়ি।
আমি যখন আমার প্রিয়তমার কবরীতে একটি ফুল গুঁজে দিতে চাই,তখন আমাকে গাছ থেকে ফুল ছিঁড়তে হয়।
ঠিক তখনই আমাকে ফুলের বিরুদ্ধে যেতে হয়েছে।
বিশ্বাস করুন! আমি কোনোদিন, কখনো মানুষের বিরুদ্ধে যেতে চাই নি।
আমি কোনোদিন, কোনোকালেই রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যেতে চাই নি।
আমি যখনই রাষ্ট্রের অনিয়ম, অসংহতি, আইনের শাসনের ত্রুটির বিরুদ্ধে কথা বলেছি।
তখনই আমাকে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যেতে হয়েছে।
আমি কোনোদিনই শাসকের বিরুদ্ধে যেতে চাই নি।
আমি যখনই শাসকের শোষণের কথা বলেছি, শাসকের নিপীড়নের কথা বলেছি।
তখনই আমাকে শাসকের বিরুদ্ধে যেতে হয়েছে।
আমি কোনোদিন কোনোকালেই মানুষের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে চাই নি।
এভাবেই তুমি দুঃখ হয়ে যাও
একদিন দেখি তুমি মস্ত বড় আকাশ হয়ে গেছো।
দেখি একদিন আকাশের বুকে খন্ড খন্ড মেঘ জমে গেছে।
এবার মেঘগুলো আকস্মিক বৃষ্টি হয়ে আমাকে ভিজিয়ে দিলো;
ওমা দেখি এতো বৃষ্টি নয় যেন তুমি এবং তুমি।
যেন তুমিই আমাকে স্পর্শ করছো!
এভাবেই তুমি আকাশ হও,আকাশ হতে গিয়ে কখনো কখনো মেঘ হয়ে যাও।
অতঃপর জুম বৃষ্টি
সুতরাং এভাবেই তুমি দুঃখ হয়ে যাও...