হোয়াটসঅ্যাপে স্প্যাম কল এলে অটো সাইলেন্ট হবে, আসছে নতুন ফিচার

বর্তমানে ব্যক্তিগত যোগাযোগ থেকে শুরু করে অফিসের কাজ সব ক্ষেত্রেই হোয়াটসঅ্যাপ একটি অপরিহার্য প্ল্যাটফর্ম। শুধু বার্তা আদান-প্রদান নয়, ভয়েস ও ভিডিও কল, ছবি-ভিডিও শেয়ারিং, গুরুত্বপূর্ণ নথি পাঠানো এবং ব্যবসায়িক যোগাযোগেও এর ব্যবহার বেড়েছে। তবে জনপ্রিয়তার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে স্প্যাম কল, টেলিমার্কেটিং এবং সাইবার প্রতারকদের তৎপরতাও। অনেকেই অচেনা নম্বর থেকে বারবার কল পেয়ে বিরক্ত হন, আবার কেউ কেউ প্রতারণার শিকারও হন। এই সমস্যা কমাতে হোয়াটসঅ্যাপ নিয়ে এসেছে ‘সাইলেন্স আননোন কলারস’ নামের একটি কার্যকর নিরাপত্তা ফিচার। এটি চালু থাকলে আপনার ফোনবুকে সংরক্ষিত নয় এমন নম্বর থেকে হোয়াটসঅ্যাপ কল এলেও ফোনে রিং বাজবে না। ফলে অপ্রয়োজনীয় বা সন্দেহজনক কলের কারণে আর বিরক্ত হতে হবে না। তবে এই ফিচারের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, অচেনা নম্বরের কল সম্পূর্ণভাবে অদৃশ্য হয়ে যায় না। সেই কলের তথ্য হোয়াটসঅ্যাপের কলস ট্যাব এবং নোটিফিকেশন হিস্টরিতে সংরক্ষিত থাকে। ফলে পরে প্রয়োজন মনে হলে সহজেই নম্বরটি যাচাই করে কলব্যাক করা সম্ভব। অর্থাৎ, নিরাপত্তা বজায় রাখার পাশাপাশি জরুরি কোনো কলও পুরোপুরি হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্ক

হোয়াটসঅ্যাপে স্প্যাম কল এলে অটো সাইলেন্ট হবে, আসছে নতুন ফিচার

বর্তমানে ব্যক্তিগত যোগাযোগ থেকে শুরু করে অফিসের কাজ সব ক্ষেত্রেই হোয়াটসঅ্যাপ একটি অপরিহার্য প্ল্যাটফর্ম। শুধু বার্তা আদান-প্রদান নয়, ভয়েস ও ভিডিও কল, ছবি-ভিডিও শেয়ারিং, গুরুত্বপূর্ণ নথি পাঠানো এবং ব্যবসায়িক যোগাযোগেও এর ব্যবহার বেড়েছে। তবে জনপ্রিয়তার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে স্প্যাম কল, টেলিমার্কেটিং এবং সাইবার প্রতারকদের তৎপরতাও। অনেকেই অচেনা নম্বর থেকে বারবার কল পেয়ে বিরক্ত হন, আবার কেউ কেউ প্রতারণার শিকারও হন।

এই সমস্যা কমাতে হোয়াটসঅ্যাপ নিয়ে এসেছে ‘সাইলেন্স আননোন কলারস’ নামের একটি কার্যকর নিরাপত্তা ফিচার। এটি চালু থাকলে আপনার ফোনবুকে সংরক্ষিত নয় এমন নম্বর থেকে হোয়াটসঅ্যাপ কল এলেও ফোনে রিং বাজবে না। ফলে অপ্রয়োজনীয় বা সন্দেহজনক কলের কারণে আর বিরক্ত হতে হবে না।

তবে এই ফিচারের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, অচেনা নম্বরের কল সম্পূর্ণভাবে অদৃশ্য হয়ে যায় না। সেই কলের তথ্য হোয়াটসঅ্যাপের কলস ট্যাব এবং নোটিফিকেশন হিস্টরিতে সংরক্ষিত থাকে। ফলে পরে প্রয়োজন মনে হলে সহজেই নম্বরটি যাচাই করে কলব্যাক করা সম্ভব। অর্থাৎ, নিরাপত্তা বজায় রাখার পাশাপাশি জরুরি কোনো কলও পুরোপুরি হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে না।

কেন ব্যবহার করবেন এই ফিচার?

‘সাইলেন্স আননোন কলারস’ চালু করলে বেশ কয়েকটি সুবিধা পাওয়া যায়। যেমন-

  • স্প্যাম ও প্রচারণামূলক কলের বিরক্তি কমে যায়।
  • সাইবার প্রতারণার উদ্দেশ্যে করা অনেক কল এড়ানো সম্ভব হয়।
  • অচেনা আন্তর্জাতিক নম্বর থেকে আসা সন্দেহজনক কলের ঝুঁকি কমে।
  • একই নম্বর থেকে বারবার কল করে বিরক্ত করার ঘটনাও নিয়ন্ত্রণে থাকে।
  • গুরুত্বপূর্ণ কলের রেকর্ড সংরক্ষিত থাকায় প্রয়োজনে পরে যাচাই করা যায়।

অ্যান্ড্রয়েডে কীভাবে চালু করবেন?

প্রথমে হোয়াটসঅ্যাপ খুলুন। এরপর ডান পাশে উপরের তিন ডট মেনুতে গিয়ে সেটিংস নির্বাচন করুন। সেখান থেকে প্রাইভেসি অপশনে প্রবেশ করে কলস মেনুতে যান। এবার সাইলেন্স আননোন কলারস অপশনটি চালু করে দিন।

আইফোনে কীভাবে চালু করবেন?

হোয়াটসঅ্যাপ খুলে সেটিংসে যান। এরপর প্রাইভেসি থেকে কলস অপশনে প্রবেশ করুন। সেখানে সাইলেন্স আননোন কলারস সুইচটি অন করলেই ফিচারটি সক্রিয় হয়ে যাবে।

শুধু এই ফিচারই নয়, ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা ও সুবিধা বাড়াতে হোয়াটসঅ্যাপ সম্প্রতি আরও বেশ কয়েকটি নতুন সুবিধা যুক্ত করেছে। এর মধ্যে রয়েছে গ্রুপ ভয়েস চ্যাট, মেটা এআই, মেসেজ ড্রাফটস, ডকুমেন্ট স্ক্যানিং, এইচডি ফটো ও ভিডিও শেয়ারিং, চ্যাট লক এবং সিক্রেট কোড। এসব সুবিধার মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা আরও জোরদার হয়েছে এবং দৈনন্দিন ব্যবহারও হয়েছে আরও সহজ।

বর্তমান সময়ে অনলাইন প্রতারণা ও স্প্যাম কলের সংখ্যা যেভাবে বাড়ছে, তাতে হোয়াটসঅ্যাপের এই ফিচারটি ব্যবহার করা একটি বুদ্ধিমান সিদ্ধান্ত হতে পারে। মাত্র কয়েকটি ধাপে সেটিংস চালু করলেই অচেনা নম্বরের অপ্রয়োজনীয় কলের ঝামেলা অনেকটাই কমবে, একই সঙ্গে প্রয়োজনীয় কলের তথ্যও নিরাপদে সংরক্ষিত থাকবে।

কেএসকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow