১০ মহররমের বিশেষ মর্যাদার প্রকৃত কারণ

আশুরার দিন তথা ১০ মহররম ইসলামে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ দিন। আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এ দিন গুরুত্বের সঙ্গে রোজা রেখেছেন এবং সাহাবিদেরও রোজা রাখতে বলেছেন। আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, আমি আল্লাহর রাসুলকে (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রমজান মাসের রোজা ও আশুরার দিনের রোজার মতো অন্য কোনো রোজাকে এত বেশি গুরুত্ব দিতে দেখিনি। (সহিহ বুখারি: ২০০৬) ১০ মহররম রোজা রাখার ফজিলত সম্পর্কে রাসুল (সা.) বলেছেন, আশুরার রোজার ব্যাপারে আমি আল্লাহর কাছে আশাবাদী যে, এ রোজার কারণে আল্লাহ তাআলা পূর্ববর্তী এক বছরের গুনাহ মাফ করে দেবেন। (সহিহ মুসলিম: ২৬১৭) সুতরাং ইসলামে দিনটি অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ এতে কোনো সন্দেহ নেই। আরও পড়ুন জুমার খুতবা / আশুরার তাৎপর্য ও করণীয় ১০ মহররমের বিশেষ মর্যাদার কারণ সম্পর্কে বিশুদ্ধ সূত্রে পাওয়া যায় যে, এ দিন হজরত মুসা (আ.) ও বনি ইসরাইলকে আল্লাহ তাআলা ফেরাউনের কবল থেকে মুক্ত করেছিলেন। যে কারণে হজরত মুসা (আ.) এ দিন রোজা রাখতেন। আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হিজরতের পর মদিনার ইহুদিদের আশুরার দিন রোজা

১০ মহররমের বিশেষ মর্যাদার প্রকৃত কারণ

আশুরার দিন তথা ১০ মহররম ইসলামে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ দিন। আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এ দিন গুরুত্বের সঙ্গে রোজা রেখেছেন এবং সাহাবিদেরও রোজা রাখতে বলেছেন। আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, আমি আল্লাহর রাসুলকে (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রমজান মাসের রোজা ও আশুরার দিনের রোজার মতো অন্য কোনো রোজাকে এত বেশি গুরুত্ব দিতে দেখিনি। (সহিহ বুখারি: ২০০৬)

১০ মহররম রোজা রাখার ফজিলত সম্পর্কে রাসুল (সা.) বলেছেন, আশুরার রোজার ব্যাপারে আমি আল্লাহর কাছে আশাবাদী যে, এ রোজার কারণে আল্লাহ তাআলা পূর্ববর্তী এক বছরের গুনাহ মাফ করে দেবেন। (সহিহ মুসলিম: ২৬১৭)

সুতরাং ইসলামে দিনটি অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ এতে কোনো সন্দেহ নেই।

১০ মহররমের বিশেষ মর্যাদার কারণ সম্পর্কে বিশুদ্ধ সূত্রে পাওয়া যায় যে, এ দিন হজরত মুসা (আ.) ও বনি ইসরাইলকে আল্লাহ তাআলা ফেরাউনের কবল থেকে মুক্ত করেছিলেন। যে কারণে হজরত মুসা (আ.) এ দিন রোজা রাখতেন। আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হিজরতের পর মদিনার ইহুদিদের আশুরার দিন রোজা রাখতে দেখে এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেন। তারা বলল, এটি একটি উত্তম দিন যেদিন আল্লাহ মুসা (আ.) ও বনি ইসরাইলকে ফেরাউনের মুক্তি দিয়েছেন। তাই মুসা (আ.) এ দিন রোজা রাখতেন। তখন আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, ‘আমি তোমাদের চেয়েও মুসার (আ.) অধিক নিকটবর্তী।’ এরপর তিনি এ দিন রোজা রাখেন, অন্যদেরও রোজা রাখার নির্দেশ দেন। (সহিহ মুসলিম: ২৫৪৮)

এ ছাড়া কিছু বর্ণনায় এসেছে, আশুরার দিন আল্লাহ তাআলা নবী আদমকে (আ.) ক্ষমা করেছিলেন, নবী নুহ (আ.) ও তার সঙ্গীরা নিরাপদে নৌকা থেকে অবতরণ করেছিলেন, আল্লাহর নবী ও খলিল ইবরাহিম (আ.) জন্মগ্রহণ করেছিলেন ইত্যাদি। কিন্তু এগুলো কোনোটিই নির্ভরযোগ্য সূত্রে প্রমাণিত নয়।

১০ মহররম ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক ঘটনা

আল্লাহর রাসুলের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ওফাতের প্রায় পঞ্চাশ বছর পর তার নাতি হজরত হোসাইন (রা.) ১০ মহররম অত্যন্ত মর্মান্তিকভাবে শাহাদাত বরণ করেন। তাই এ দিন মুসলমানরা হজরত হোসাইনকেও (রা.) বিশেষভাবে স্মরণ করে, তার ত্যাগের আদর্শের কথা স্মরণ করে। তবে এ ঘটনা ১০ মহররমের বিশেষ মর্যাদা ও রোজা রাখার কারণ নয়।

ওএফএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow