১০ হাজার টাকার জন্য চালককে হত্যা করে লাশ গুম
১০ হাজার টাকার প্রয়োজন মেটাতে অটোরিকশা চালক নায়েব আলীকে হত্যা করে মরদেহ লাগেজে ভরে ধানক্ষেতে ফেলে দেওয়া হয়। হত্যায় জড়িত মূল অভিযুক্ত গ্রেফতারের পর এমন তথ্য দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন পিবিআই জামালপুরের পুলিশ সুপার পংকজ দত্ত। বুধবার (২৪ জুন) বিকেলে বিষয়টি তিনি নিশ্চিত করেন। চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করে মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যে মূল অভিযুক্তসহ ছয়জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। গ্রেফতাররা হলেন- মূল অভিযুক্ত মো. নাহিদুল ইসলাম (৩০)। এছাড়া চোরাই অটোরিকশার যন্ত্রাংশ কেনা ও পরিবহনের অভিযোগে মো. সোলাইমান কবির (৫০), মো. শফিকুল ইসলাম (৪১), মো. আব্দুল কাদের (৫৬), মো. রাসেল হোসেন (৩৪) এবং সাগর পাশা (২৬)। এর আগে গত সোমবার (২২ জুন) দিবাগত রাত ২টার দিকে ইসলামপুরের চরপটিমারী ইউনিয়নের ডেফলা ব্রিজ থেকে বেনুয়ারচর বাজারগামী সড়কের পাশে একটি পানিভর্তি ধানক্ষেতে থাকা লাগেজের ভেতর অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির মরদেহ পাওয়া যায়। খবর পেয়ে ইসলামপুর থানা পুলিশ মরদেহ থানায় নিয়ে যায়। পরে নিহতের স্বজনরা থানায় গিয়ে মরদেহের পরনের শার্ট ও কোমরে বাঁধা তাবিজ দেখে তাকে মেলান্দহের অটোরিকশা চালক নায়েব
১০ হাজার টাকার প্রয়োজন মেটাতে অটোরিকশা চালক নায়েব আলীকে হত্যা করে মরদেহ লাগেজে ভরে ধানক্ষেতে ফেলে দেওয়া হয়।
হত্যায় জড়িত মূল অভিযুক্ত গ্রেফতারের পর এমন তথ্য দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন পিবিআই জামালপুরের পুলিশ সুপার পংকজ দত্ত। বুধবার (২৪ জুন) বিকেলে বিষয়টি তিনি নিশ্চিত করেন।
চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করে মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যে মূল অভিযুক্তসহ ছয়জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
গ্রেফতাররা হলেন- মূল অভিযুক্ত মো. নাহিদুল ইসলাম (৩০)। এছাড়া চোরাই অটোরিকশার যন্ত্রাংশ কেনা ও পরিবহনের অভিযোগে মো. সোলাইমান কবির (৫০), মো. শফিকুল ইসলাম (৪১), মো. আব্দুল কাদের (৫৬), মো. রাসেল হোসেন (৩৪) এবং সাগর পাশা (২৬)।
এর আগে গত সোমবার (২২ জুন) দিবাগত রাত ২টার দিকে ইসলামপুরের চরপটিমারী ইউনিয়নের ডেফলা ব্রিজ থেকে বেনুয়ারচর বাজারগামী সড়কের পাশে একটি পানিভর্তি ধানক্ষেতে থাকা লাগেজের ভেতর অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির মরদেহ পাওয়া যায়। খবর পেয়ে ইসলামপুর থানা পুলিশ মরদেহ থানায় নিয়ে যায়।
পরে নিহতের স্বজনরা থানায় গিয়ে মরদেহের পরনের শার্ট ও কোমরে বাঁধা তাবিজ দেখে তাকে মেলান্দহের অটোরিকশা চালক নায়েব আলী হিসেবে শনাক্ত করেন। এর আগে প্রতিদিনের মতো গত ২১ জুন ভোরে তিনি যাত্রী পরিবহনের জন্য বাড়ি থেকে বের হন। কিন্তু সেদিন আর বাড়ি ফেরেননি। পরিবারের সদস্যরা তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে সেটি বন্ধ পান। পরে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পাশাপাশি মেলান্দহ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছিল।
এ ঘটনায় নিহতের ছেলে মো. মামুন মমিন বাদী হয়ে ইসলামপুর থানায় হত্যা, প্রমাণ লোপাট ও চুরির অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে মামলার তদন্তভার গ্রহণ করে পিবিআই।
পিবিআই সূত্র জানায়, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তদন্তকারীরা মূল অভিযুক্ত নাহিদুল ইসলামের অবস্থান শনাক্ত করে মঙ্গলবার (২৩ জুন) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে মেলান্দহের চাকদহ সর্দারবাড়ি এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করেন।
পরে নাহিদুলের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে নিহতের ব্যবহৃত একটি আইটেল মোবাইল ফোন, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত জিআই তার এবং চোরাই অটোরিকশার বিভিন্ন যন্ত্রাংশ উদ্ধার করা হয়।
এছাড়াও চোরাই মালামাল ক্রয় এবং পরিবহনে জড়িত থাকার অভিযোগে আরও পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পরে আদালতে হাজির করা হলে প্রধান আসামি নাহিদুল স্বেচ্ছায় ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।
পিবিআই জামালপুরের পুলিশ সুপার পংকজ দত্ত বলেন, ‘হত্যাকাণ্ডের সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পিবিআই তদন্ত শুরু করে। আমাদের চৌকস টিম মামলার মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যে রহস্য উদঘাটন, মূল আসামি গ্রেফতার এবং গুরুত্বপূর্ণ আলামত উদ্ধার করেছে।’
হৃদয় আহম্মেদ/এএইচ/জেআইএম
What's Your Reaction?