১১ বলে ২৯, ফাহিমের ঝড়ে বাঁচল পাকিস্তানের মান
কলম্বোতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে বড় অঘটনের শঙ্কায় পড়েছিল পাকিস্তান। তবে শেষ মুহূর্তে ত্রাতা হয়ে আসেন ফাহিম আশরাফ। তার ঝড়ো ব্যাটিংয়ের সৌজন্যেই আজ নেদারল্যান্ডসকে ৩ উইকেটে হারিয়ে স্বস্তির জয় দিয়ে আসর শুরু করেছে সালমান আলী আগার দল।
কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব গ্রাউন্ডে ১৪৮ রান তারা করতে গিয়ে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে পাকিস্তান। সাহিবজাদা ফারহানের ৪৭ ও বাবর আজমের ১৫ রানের পরও শেষ দিকে সমীকরণ কঠিন হয়ে যায়। তবে ১১ বলে অপরাজিত ২৯ রানের এক বিধ্বংসী ক্যামিও খেলে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন ফাহিম আশরাফ। অপর প্রান্তে শাহিন আফ্রিদিও ৫ রানে অপরাজিত থেকে আশরাফকে দারুণ সঙ্গ দেন।
ফাহিম আশরাফ তার ইনিংসটি সাজান ২ চার ও ৩ ছক্কায়। মাত্র ১৯ মিনিট ক্রিজে থাকা ফাহিম আশরাফ ঝড়ো এই ইনিংসটি খেলেন ২৬৩.৬৩ স্ট্রাইকরেটে। মূলত, ১৯তম ওভারেই ম্যাচের মোড় ঘুড়িয়ে দেন ফাহিম। ডাচ বোলার লোগান ভ্যান বিকের করা এই ওভারেই ২৪ রান তুলে প্রায় হারতে যাওয়া ম্যাচ থেকে জয় উপহার দেন পাকিস্তানকে। যে ওভারে ৩টি ছক্কার পাশাপাশি একটি চার এবং একটি ডাবলস নেন তিনি।
অসাধারণ এই ইনিংসের সৌজন্যে দলকে জয় উপহার দিয়ে ম্য
কলম্বোতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে বড় অঘটনের শঙ্কায় পড়েছিল পাকিস্তান। তবে শেষ মুহূর্তে ত্রাতা হয়ে আসেন ফাহিম আশরাফ। তার ঝড়ো ব্যাটিংয়ের সৌজন্যেই আজ নেদারল্যান্ডসকে ৩ উইকেটে হারিয়ে স্বস্তির জয় দিয়ে আসর শুরু করেছে সালমান আলী আগার দল।
কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব গ্রাউন্ডে ১৪৮ রান তারা করতে গিয়ে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে পাকিস্তান। সাহিবজাদা ফারহানের ৪৭ ও বাবর আজমের ১৫ রানের পরও শেষ দিকে সমীকরণ কঠিন হয়ে যায়। তবে ১১ বলে অপরাজিত ২৯ রানের এক বিধ্বংসী ক্যামিও খেলে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন ফাহিম আশরাফ। অপর প্রান্তে শাহিন আফ্রিদিও ৫ রানে অপরাজিত থেকে আশরাফকে দারুণ সঙ্গ দেন।
ফাহিম আশরাফ তার ইনিংসটি সাজান ২ চার ও ৩ ছক্কায়। মাত্র ১৯ মিনিট ক্রিজে থাকা ফাহিম আশরাফ ঝড়ো এই ইনিংসটি খেলেন ২৬৩.৬৩ স্ট্রাইকরেটে। মূলত, ১৯তম ওভারেই ম্যাচের মোড় ঘুড়িয়ে দেন ফাহিম। ডাচ বোলার লোগান ভ্যান বিকের করা এই ওভারেই ২৪ রান তুলে প্রায় হারতে যাওয়া ম্যাচ থেকে জয় উপহার দেন পাকিস্তানকে। যে ওভারে ৩টি ছক্কার পাশাপাশি একটি চার এবং একটি ডাবলস নেন তিনি।
অসাধারণ এই ইনিংসের সৌজন্যে দলকে জয় উপহার দিয়ে ম্যাচ সেরার পুরস্কারটাও নিজের করে নেন ফাহিম আশরাফ।
এই ম্যাচে ডাচদের কাছে হেরে গেলে বিপদ হয়ে যেত পাকিস্তানের। কেননা, গ্রুপ পর্বে ভারতের বিপক্ষে যে ম্যাচ বয়কট করেছে তারা। ফলে বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ঘণ্টাও বেজে যাওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হতো সাবেক চ্যাম্পিয়নদের। তবে সেই শঙ্কা থেকে পাকিস্তানকে বাঁচিয়ে দিলেন ফাহিম আশরাফ।
পাকিস্তানের হয়ে এদিন সর্বোচ্চ ৪৭ রান করেন উদ্বোধনী ব্যাটার সাহিবজাদা ফারহান। ৩১ বলে ৪টি চার ও দুটি ছক্কায় ইনিংসটি সাজান তিনি। আরেক ওপেনার সাইম আইয়ুবের ব্যাট থেকে আসে ২৪ রান। অর্থাৎ শুরুটা দুর্দান্তই করেছিল পাকিস্তান। কিন্তু উদ্বোধনী দুই ব্যাটার সাজঘরে ফেরার পর বাকী ব্যাটাররা তেমন সুবিধা করতে পারেননি। অধিনায়ক সালমান আগা ১২ রানেই আউট হয়ে যান। বাবর আজমও এদিন নিজের নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি। ১৮ বল খেলে ১৫ রান তুলতে সক্ষম হন তিনি।