১২৫ কেজি ওজনের কষ্টিপাথরের মূর্তি উদ্ধার
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় পাচারের উদ্দেশ্যে পুকুরে লুকিয়ে রাখা প্রায় ১২৫ কেজি ওজনের একটি প্রাচীন কষ্টিপাথরের মূর্তি উদ্ধার করেছে র্যাব-১০। উদ্ধারকৃত মূর্তিটির আনুমানিক বাজারমূল্য ৫০০ কোটি টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় সাদ্দাম শেখ (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রোববার (১৮ জানুয়ারি) বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আলফাডাঙ্গা পৌর এলাকার বুড়াইচ গ্রামে অভিযান চালায় র্যাব-১০-এর ফরিদপুর ক্যাম্পের একটি দল। অভিযানে গ্রেপ্তার সাদ্দামের বাড়ির দক্ষিণ পাশে থাকা একটি পুকুর থেকে মূর্তিটি উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে এটি বিষ্ণু দেবের প্রাচীন প্রতিমা বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা। র্যাব সূত্র জানায়, গ্রেপ্তারকৃত সাদ্দাম শেখ প্রতিমাটি প্রায় ৩০ লাখ টাকায় সংগ্রহ করেছিলেন। পরে বিদেশে পাচার কিংবা উচ্চমূল্যে বিক্রির পরিকল্পনায় সেটি পুকুরে গোপনে লুকিয়ে রাখা হয়। প্রত্নতত্ত্ব বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক কালোবাজারে এ ধরনের প্রাচীন কষ্টিপাথরের মূর্তির মূল্য কয়েক শ কোটি টাকা পর্যন্ত হতে পারে। র্যাব-১০ ফরিদপুর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার তারিকুল ইসলাম জানান,
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় পাচারের উদ্দেশ্যে পুকুরে লুকিয়ে রাখা প্রায় ১২৫ কেজি ওজনের একটি প্রাচীন কষ্টিপাথরের মূর্তি উদ্ধার করেছে র্যাব-১০। উদ্ধারকৃত মূর্তিটির আনুমানিক বাজারমূল্য ৫০০ কোটি টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় সাদ্দাম শেখ (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আলফাডাঙ্গা পৌর এলাকার বুড়াইচ গ্রামে অভিযান চালায় র্যাব-১০-এর ফরিদপুর ক্যাম্পের একটি দল। অভিযানে গ্রেপ্তার সাদ্দামের বাড়ির দক্ষিণ পাশে থাকা একটি পুকুর থেকে মূর্তিটি উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে এটি বিষ্ণু দেবের প্রাচীন প্রতিমা বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
র্যাব সূত্র জানায়, গ্রেপ্তারকৃত সাদ্দাম শেখ প্রতিমাটি প্রায় ৩০ লাখ টাকায় সংগ্রহ করেছিলেন। পরে বিদেশে পাচার কিংবা উচ্চমূল্যে বিক্রির পরিকল্পনায় সেটি পুকুরে গোপনে লুকিয়ে রাখা হয়। প্রত্নতত্ত্ব বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক কালোবাজারে এ ধরনের প্রাচীন কষ্টিপাথরের মূর্তির মূল্য কয়েক শ কোটি টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
র্যাব-১০ ফরিদপুর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার তারিকুল ইসলাম জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নসম্পদ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি পাচারের পরিকল্পনার কথা স্বীকার করেছে। উদ্ধারকৃত মূর্তিটি রাষ্ট্রীয় হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে।
তিনি আরও বলেন, প্রত্নতত্ত্ব আইন অনুযায়ী প্রাচীন প্রত্নসম্পদের ব্যক্তিগত মালিকানা, ক্রয়-বিক্রয় ও পাচার গুরুতর অপরাধ। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের ধারণা, মূর্তিটি বহু শতাব্দী প্রাচীন এবং এ অঞ্চলের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের পরীক্ষার পর এর প্রকৃত বয়স ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব নির্ধারণ করা হবে।
What's Your Reaction?