১২৫০ লিটার অবৈধ পেট্রোল জব্দ, দুই ব্যবসায়ীকে সাজা

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় অবৈধভাবে মজুত করা ১ হাজার ২৫০ লিটার পেট্রোল জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ সময় জ্বালানি তেল অবৈধভাবে মজুত করার দায়ে দুই ব্যবসায়ীকে কারাদণ্ড ও জরিমানা প্রদান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার হাটভরতখালি ও পদুমশহর এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন সাঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আশরাফুল কবির। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, অবৈধভাবে পেট্রোল মজুত করে অতিরিক্ত দামে বিক্রি করা হচ্ছে— এমন সংবাদের ভিত্তিতে হাটভরতখালি বাজারের ‘মেসার্স আবুল কালাম আজাদ ট্রেডার্সে’ অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে ৪০০ লিটার পেট্রোল জব্দসহ দোকান মালিক আবুল কালাম আজাদ আহাদকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে পদুমশহর ইউনিয়নের স্কুলের বাজার এলাকার একটি গরুর খামারে অভিযান চালিয়ে আরও ৮৫০ লিটার পেট্রোল জব্দ করা হয়। এ সময় খামারের মালিক সুজা মিয়াকে আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। অভিযান শেষে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আবুল কালাম আজাদ আহাদকে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া সুজা মিয়াকে ৩ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জব্দকৃত পেট্রোল পরবর্তীতে ট

১২৫০ লিটার অবৈধ পেট্রোল জব্দ, দুই ব্যবসায়ীকে সাজা

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় অবৈধভাবে মজুত করা ১ হাজার ২৫০ লিটার পেট্রোল জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ সময় জ্বালানি তেল অবৈধভাবে মজুত করার দায়ে দুই ব্যবসায়ীকে কারাদণ্ড ও জরিমানা প্রদান করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার হাটভরতখালি ও পদুমশহর এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন সাঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আশরাফুল কবির।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, অবৈধভাবে পেট্রোল মজুত করে অতিরিক্ত দামে বিক্রি করা হচ্ছে— এমন সংবাদের ভিত্তিতে হাটভরতখালি বাজারের ‘মেসার্স আবুল কালাম আজাদ ট্রেডার্সে’ অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে ৪০০ লিটার পেট্রোল জব্দসহ দোকান মালিক আবুল কালাম আজাদ আহাদকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে পদুমশহর ইউনিয়নের স্কুলের বাজার এলাকার একটি গরুর খামারে অভিযান চালিয়ে আরও ৮৫০ লিটার পেট্রোল জব্দ করা হয়। এ সময় খামারের মালিক সুজা মিয়াকে আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

অভিযান শেষে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আবুল কালাম আজাদ আহাদকে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া সুজা মিয়াকে ৩ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জব্দকৃত পেট্রোল পরবর্তীতে ট্যাগ অফিসার নিয়োগ করে স্থানীয় মোটরসাইকেল চালকদের কাছে সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আনারুল ইসলাম জানান, সিন্ডিকেটের মাধ্যমে জ্বালানি তেল মজুত করায় সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। 

পাম্পে তেল নিতে আসা রায়হান বলেন, এই অসাধু চক্রগুলো কোথা থেকে এত বিপুল পরিমাণ তেল সংগ্রহ করে তা খতিয়ে দেখা দরকার। এদের কারণে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি হচ্ছে। 

এ বিষয়ে ট্যাগ অফিসার ও উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা হাসানুর রহমান জানান, জব্দকৃত তেল বিধি মোতাবেক বণ্টন করা হয়েছে। তবে মজুতকারীরা এই তেলের উৎস সম্পর্কে কোনো সঠিক তথ্য দিতে পারেনি।

সাঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আশরাফুল কবির জানান, অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুত ও চড়া দামে বিক্রির দায়ে দুইজনকে সাজা দেওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে এবং বাজার নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow