১৩ তারিখ থেকে নতুন বাংলাদেশ দেখবেন: জামায়াত আমির
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ১৩ তারিখ থেকে নতুন বাংলাদেশ দেখবেন। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে নোয়াখালী জিলা স্কুল মাঠে নির্বাচনি জনসভায় তিনি এ কথা বলেন। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, গত দেড় বছর যারা ধৈর্য ধরতে পারেননি, যারা অধৈর্য হয়ে অপকর্ম করেছেন তাদের জন্য অশনিসংকেত শুরু হয়ে গেছে। এর আগে সকাল ৯টায় জেলা জামায়াতের আমির ও নোয়াখালী-৪ আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মো. ইসহাক খন্দকারের সভাপতিত্বে জনসভা শুরু হয়। এসময় বক্তব্য রাখেন স্থানীয় জামায়াত ও ১১ দলীয় জোটের নেতারা। ইসহাক খন্দকার বলেন, জামায়াত আমির ড. শফিকুর রহমান এখানে বক্তব্য দিয়ে লক্ষ্মীপুর, বিকেলে কুমিল্লার লাকসাম ও সন্ধ্যায় কুমিল্লা টাউন হল ময়দানে নির্বাচনি জনসভায় বক্তব্য দেবেন। আমিরের সঙ্গে জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম মাছুম বিল্লাহ, ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি সিবগাতুল্লাহ সিবগাহ, ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম, কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক মু. মুতাসিম বিল্লাহ শাহেদী, তথ্য সম্পাদক মুহাম্মাদ সায়েদ সুমনসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত রয়েছেন। ইকবাল হোসেন মজনু/এনএইচআর
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ১৩ তারিখ থেকে নতুন বাংলাদেশ দেখবেন।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে নোয়াখালী জিলা স্কুল মাঠে নির্বাচনি জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, গত দেড় বছর যারা ধৈর্য ধরতে পারেননি, যারা অধৈর্য হয়ে অপকর্ম করেছেন তাদের জন্য অশনিসংকেত শুরু হয়ে গেছে।
এর আগে সকাল ৯টায় জেলা জামায়াতের আমির ও নোয়াখালী-৪ আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মো. ইসহাক খন্দকারের সভাপতিত্বে জনসভা শুরু হয়। এসময় বক্তব্য রাখেন স্থানীয় জামায়াত ও ১১ দলীয় জোটের নেতারা।
ইসহাক খন্দকার বলেন, জামায়াত আমির ড. শফিকুর রহমান এখানে বক্তব্য দিয়ে লক্ষ্মীপুর, বিকেলে কুমিল্লার লাকসাম ও সন্ধ্যায় কুমিল্লা টাউন হল ময়দানে নির্বাচনি জনসভায় বক্তব্য দেবেন।
আমিরের সঙ্গে জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম মাছুম বিল্লাহ, ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি সিবগাতুল্লাহ সিবগাহ, ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম, কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক মু. মুতাসিম বিল্লাহ শাহেদী, তথ্য সম্পাদক মুহাম্মাদ সায়েদ সুমনসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত রয়েছেন।
ইকবাল হোসেন মজনু/এনএইচআর
What's Your Reaction?