১৪ ছক্কায় সরফরাজের ৫৭ বলে ১৫৭

স্ট্রেইটে ছক্কা হাঁকিয়ে সেঞ্চুরি পূর্ণ করার পর হেলমেট খুলে ব্যাট উঁচিয়ে ধরেন সরফরাজ খান। ঊচ্ছ্বসিত উদযাপনের মধ্য দিয়ে মাত্র ৫৬ বলে নিজের তৃতীয় লিস্ট ‘এ’ শতক তুলে নিলেও, অভিজ্ঞ ব্যাটার সেখানেই থামেননি। আরও লম্বা করে ইনিংস। খেলেন একটি ৭৫ বলে ১৫৭ রানের বিধ্বংসী এক ইনিংস। প্রতিপক্ষ গোয়ার বোলারদের বেধড়ক পিটিয়ে ইনিংস সাজান ৯টি চার ও ১৪টি ছক্কায়। তার এমন দুর্দান্ত ইনিংসে ভর করে মুম্বাই তোলে ৮ উইকেটে ৪৪৪ রানের বিশাল সংগ্রহ। বিজয় হাজারে ট্রফির সেই ম্যাচে গোয়াকে ৮৭ রানে পরাজিত করে সরফরাজের মুম্বাই। গতকাল বুধবার জয়পুরিয়া বিদ্যালয় মাঠে পিচ ব্যাটিংয়ের জন্য অনুকূল হয়ে উঠলে সরফরাজ তার পূর্ণ সদ্ব্যবহার করেন। বিজয় হাজারে ট্রফিতে মুম্বাইয়ের টানা চতুর্থ জয়ের পথ প্রশস্ত করেন এই ব্যাটার। আগের তিন ম্যাচে জয়ের দেখা পাওয়া গোয়া ছিল বেশ আত্মবিশ্বাসী। টস জিতে নেয় বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত। দ্রুত ওপেনার অংক্রিশ রঘুবংশীকে ফিরিয়ে শুরুটাও হয় ভালো। এরপর যশস্বী জয়সওয়াল ও মুশির খান দ্বিতীয় উইকেটে ৭০ রানের জুটি গড়ে ইনিংস মেরামত করেন। তীব্র গ্যাস্ট্রোএন্টারাইটিস থেকে সেরে দলে ফেরা জয়সওয়াল শুরুতে সতর্কভাবে ব

১৪ ছক্কায় সরফরাজের ৫৭ বলে ১৫৭

স্ট্রেইটে ছক্কা হাঁকিয়ে সেঞ্চুরি পূর্ণ করার পর হেলমেট খুলে ব্যাট উঁচিয়ে ধরেন সরফরাজ খান। ঊচ্ছ্বসিত উদযাপনের মধ্য দিয়ে মাত্র ৫৬ বলে নিজের তৃতীয় লিস্ট ‘এ’ শতক তুলে নিলেও, অভিজ্ঞ ব্যাটার সেখানেই থামেননি।

আরও লম্বা করে ইনিংস। খেলেন একটি ৭৫ বলে ১৫৭ রানের বিধ্বংসী এক ইনিংস। প্রতিপক্ষ গোয়ার বোলারদের বেধড়ক পিটিয়ে ইনিংস সাজান ৯টি চার ও ১৪টি ছক্কায়।

তার এমন দুর্দান্ত ইনিংসে ভর করে মুম্বাই তোলে ৮ উইকেটে ৪৪৪ রানের বিশাল সংগ্রহ। বিজয় হাজারে ট্রফির সেই ম্যাচে গোয়াকে ৮৭ রানে পরাজিত করে সরফরাজের মুম্বাই।

গতকাল বুধবার জয়পুরিয়া বিদ্যালয় মাঠে পিচ ব্যাটিংয়ের জন্য অনুকূল হয়ে উঠলে সরফরাজ তার পূর্ণ সদ্ব্যবহার করেন। বিজয় হাজারে ট্রফিতে মুম্বাইয়ের টানা চতুর্থ জয়ের পথ প্রশস্ত করেন এই ব্যাটার।

আগের তিন ম্যাচে জয়ের দেখা পাওয়া গোয়া ছিল বেশ আত্মবিশ্বাসী। টস জিতে নেয় বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত। দ্রুত ওপেনার অংক্রিশ রঘুবংশীকে ফিরিয়ে শুরুটাও হয় ভালো। এরপর যশস্বী জয়সওয়াল ও মুশির খান দ্বিতীয় উইকেটে ৭০ রানের জুটি গড়ে ইনিংস মেরামত করেন।

তীব্র গ্যাস্ট্রোএন্টারাইটিস থেকে সেরে দলে ফেরা জয়সওয়াল শুরুতে সতর্কভাবে ব্যাটিং করেন এবং এগোতে থাকেন অর্ধশতকের পথে। তবে ফিফটি থেকে ৪ রান দূরে থাকতেই দর্শন মিসালের বলে কভারে স্নেহাল কৌথানকারের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান তিনি।

এরপর মুশির ও সরফরাজ দায়িত্ব নেন মুম্বাইয়ের। তৃতীয় উইকেটে দুজনে মিলে যোগ করেন ৯৩ রান। গোয়ার দুর্বল ফিল্ডিংয়ের সুযোগ নিয়ে সরফরাজ আক্রমণাত্মক রূপ নেন।

পিচে বোলারদের জন্য সুবিধাজনক না হওয়ায় মুম্বাই অধিনায়ক শার্দুল ঠাকুর শুভম তারির এক ওভারে সংগ্রহ করেন ২৬ রান।

গোয়ার দুই স্পিনারকে বেধড়ক পেটান সরফরাজ। বাঁহাতি স্পিনার মিসাল ও অফস্পিনার ললিত যাদবের করা ৪৬টি বল থেকে তিনি তোলেন ১০৪ রান। ১৫০ ছোঁয়ার পর কিছুক্ষণের মধ্যেই সরফরাজ আউট হলেও, হার্দিক তামোরের ২৮ বলে ঝোড়ো ৫৩ এবং তনুষ কোতিয়ানের অপরাজিত ১২ বলে ২৩ রানে ভর করে মুম্বাই লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে নিজেদের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংগ্রহ গড়ে।

বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে গোয়ার জন্য কাজটি কঠিন হয়ে যায় দুই ওপেনার অর্জুন টেন্ডুলকার ও কাশ্যপ বাকলে ইনিংস বড় করতে না পারায়। অভিনব তেজরানার ১০০ রান ও ললিত যাদব (৬৪) ও দীপরাজের (৭০) অর্ধশতক যায় বিফলে।

বিশেষ করে দীপরাজের ২৮ বলের বিধ্বংসী ইনিংসটি কোনো কাজেই আসেনি। ৫০ ওভার শেষে ৩৫৭ রান সংগ্রহ করে গোয়া। ফলে ৮৭ রানে পরাজিত হয় দলটি।

আইএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow