১৪’শ শহীদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সংস্কারের পক্ষে সবাই ‘হ্যাঁ’ ভোট দিন

অন্তর্বর্তী সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেছেন, জুলাই অভ্যুত্থানের ১৪’শ শহীদ এবং ৩০ হাজার অঙ্গহানি হওয়া মানুষের আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি বৈষম্যহীন সংস্কারমুখী রাষ্ট্র। সেই আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের জন্যই আমরা গণভোটে সংস্কারের পক্ষে সবাই ‘হ্যাঁ’ ভোট দেব। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় দিনাজপুরের গোর-এ শহীদ ময়দানে ‘ভোটের গাড়ি: দেশের চাবি আপনার হাতে’ শীর্ষক কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। উপদেষ্টা বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন বা গণভোট কোনো সাধারণ নির্বাচন নয়। এটি গত ৫০ বছরের ভাগ্য নির্ধারণ করবে। সংসদীয় গণতন্ত্রে ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখা, গুম-খুন বন্ধ করা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ৪টি প্রশ্নের একটি ‘প্যাকেজ’ সংস্কার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। আপনি যদি দেশের এই আমূল সংস্কার চান, তবে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন। উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান বলেন, এই সরকার কোনো দলের নয়, তাই কোনো বিশেষ দলের প্রতি আমাদের পক্ষপাত নেই। সংখ্যালঘু ও আদিবাসী সম্প্রদায়সহ সকল ভোটার যেন নির্বিঘ্নে ও নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে যেতে পারেন, সে জন্য জেলা ও পুলিশ প্রশাসনকে কঠোর নি

১৪’শ শহীদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সংস্কারের পক্ষে সবাই ‘হ্যাঁ’ ভোট দিন

অন্তর্বর্তী সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেছেন, জুলাই অভ্যুত্থানের ১৪’শ শহীদ এবং ৩০ হাজার অঙ্গহানি হওয়া মানুষের আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি বৈষম্যহীন সংস্কারমুখী রাষ্ট্র। সেই আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের জন্যই আমরা গণভোটে সংস্কারের পক্ষে সবাই ‘হ্যাঁ’ ভোট দেব।

শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় দিনাজপুরের গোর-এ শহীদ ময়দানে ‘ভোটের গাড়ি: দেশের চাবি আপনার হাতে’ শীর্ষক কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন বা গণভোট কোনো সাধারণ নির্বাচন নয়। এটি গত ৫০ বছরের ভাগ্য নির্ধারণ করবে। সংসদীয় গণতন্ত্রে ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখা, গুম-খুন বন্ধ করা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ৪টি প্রশ্নের একটি ‘প্যাকেজ’ সংস্কার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। আপনি যদি দেশের এই আমূল সংস্কার চান, তবে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন।

১৪’শ শহীদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সংস্কারের পক্ষে সবাই ‘হ্যাঁ’ ভোট দিন

উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান বলেন, এই সরকার কোনো দলের নয়, তাই কোনো বিশেষ দলের প্রতি আমাদের পক্ষপাত নেই। সংখ্যালঘু ও আদিবাসী সম্প্রদায়সহ সকল ভোটার যেন নির্বিঘ্নে ও নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে যেতে পারেন, সে জন্য জেলা ও পুলিশ প্রশাসনকে কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ১২ ফেব্রুয়ারি জনগণ তাদের প্রকৃত ক্ষমতা জাহির করবে।

তিনি আরও বলেন, মানুষ বিগত ১৭ বছর ভোট দিতে পারেনি বলেই জুলাই অভ্যুত্থান হয়েছে। জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, যে ১৪’শ মানুষ প্রাণ দিয়েছেন এবং হাজার হাজার মানুষ দৃষ্টিশক্তি ও অঙ্গ হারিয়েছেন, তাদের রক্ত যেন বৃথা না যায় সে জন্য সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব জনগণের। এই গণভোটে যে রায় আসবে, জাতি হিসেবে আমরা সেই সরকারের পেছনেই দাঁড়াব।

এমদাদুল হক মিলন/কেএইচকে/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow