১৫ ঘণ্টা পর চাঁদপুর-কুমিল্লা রুটে বাস চলাচল শুরু

চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কে প্রায় ১৫ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর যাত্রীবাহী বাস চলাচল শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২১ মে) দুপুরে জেলা প্রশাসনের জরুরি সভায় বাস চলাচল স্বাভাবিক করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর আগে বুধবার (২০ মে) রাতে শ্রমিকদের ওপর হামলা ও বাস ভাঙচুরের জেরে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট ডাকা হয়েছিল। পরিবহন সংশ্লিষ্ট ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বুধবার রাতে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার বলাখাল বাজার এলাকায় চাঁদপুরগামী ‘বোগদাদ’ ও ‘আইদি’ পরিবহনের শ্রমিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, একদল দুর্বৃত্ত অতর্কিত হামলা চালিয়ে অন্তত ১৫টি যাত্রীবাহী বাস ভাঙচুর করে এবং পরিবহন শ্রমিকদের মারধর করে। এতে প্রায় ২০ জন শ্রমিক আহত হন। আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। হামলার প্রতিবাদ ও নিরাপত্তার দাবিতে রাতেই চাঁদপুর-কুমিল্লা রুটে সব ধরনের বাস চলাচল বন্ধের ঘোষণা দেন শ্রমিকরা। এতে চাঁদপুর, হাজীগঞ্জ, শাহরাস্তি ও কুমিল্লাগামী শত শত যাত্রী চরম বিপাকে পড়েন। এদিকে আজ বৃহস্পতিবার সকালে বলাখাল বাজার এলাকায় বাস স্টপেজ স্থাপনের দাবিতে স্থানীয় শিক্ষার্থীরা সড়কে

১৫ ঘণ্টা পর চাঁদপুর-কুমিল্লা রুটে বাস চলাচল শুরু

চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কে প্রায় ১৫ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর যাত্রীবাহী বাস চলাচল শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২১ মে) দুপুরে জেলা প্রশাসনের জরুরি সভায় বাস চলাচল স্বাভাবিক করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এর আগে বুধবার (২০ মে) রাতে শ্রমিকদের ওপর হামলা ও বাস ভাঙচুরের জেরে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট ডাকা হয়েছিল।

পরিবহন সংশ্লিষ্ট ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বুধবার রাতে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার বলাখাল বাজার এলাকায় চাঁদপুরগামী ‘বোগদাদ’ ও ‘আইদি’ পরিবহনের শ্রমিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, একদল দুর্বৃত্ত অতর্কিত হামলা চালিয়ে অন্তত ১৫টি যাত্রীবাহী বাস ভাঙচুর করে এবং পরিবহন শ্রমিকদের মারধর করে। এতে প্রায় ২০ জন শ্রমিক আহত হন। আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। হামলার প্রতিবাদ ও নিরাপত্তার দাবিতে রাতেই চাঁদপুর-কুমিল্লা রুটে সব ধরনের বাস চলাচল বন্ধের ঘোষণা দেন শ্রমিকরা। এতে চাঁদপুর, হাজীগঞ্জ, শাহরাস্তি ও কুমিল্লাগামী শত শত যাত্রী চরম বিপাকে পড়েন।

এদিকে আজ বৃহস্পতিবার সকালে বলাখাল বাজার এলাকায় বাস স্টপেজ স্থাপনের দাবিতে স্থানীয় শিক্ষার্থীরা সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে শিক্ষার্থীরা সড়ক ছেড়ে দেয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আজ জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে পরিবহন মালিক-শ্রমিক প্রতিনিধি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে বাস চলাচল পুনরায় চালুর ঘোষণা দেওয়া হয়।

চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান জানান, হামলায় আহত শ্রমিকদের চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় সহায়তার দায়িত্ব প্রশাসন নিয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

তিনি জানান, স্থানীয়দের দাবি অনুযায়ী, বলাখাল বাজার এলাকায় বাস স্টপেজ স্থাপনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। ঈদের পর সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

শরীফুল ইসলাম/কেএইচকে/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow