১৫ বলের ফিফটিতে রাজস্থানের উড়ন্ত সূচনা

আগের আসরেই নিজের জাত চিনিয়েছিলেন ভারতের এই ‘বিস্ময় বালক’। আইপিএলের ১৯তম আসরের শুরুতেই যেন সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখলেন বৈভাব সুরিয়াভানশি। চেন্নাই সুপার কিংসের বোলারদের তুলাধোনা করে মাত্র ১৫ বলে ফিফটি হাঁকিয়ে রাজস্থান রয়্যালসকে এনে দিলেন ৮ উইকেটের বিশাল জয়। গুয়াহাটিতে ১২৮ রানের ছোট লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরুতেই ভাগ্যের ছোঁয়া পান ১৫ বছর বয়সী এই বাঁহাতি ব্যাটার। ইনিংসের প্রথম ওভারেই কিউই পেসার ম্যাট হেনরির বলে ক্যাচ দিয়েও বেঁচে যান তিনি। ব্যক্তিগত ৪ রানে জীবন পাওয়ার পরের বলটিকেই ছক্কায় উড়িয়ে নিজের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ের ইঙ্গিত দেন সুরিয়াভানশি। ম্যাট হেনরি এবং আনশুল কাম্বোজের ওপর চড়াও হয়ে পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে আফগান স্পিনার নূর আহমাদকে জোড়া ছক্কা হাঁকিয়ে ১৫ বলে অর্ধশতক পূর্ণ করেন তিনি। এটি আইপিএলের ইতিহাসে যৌথভাবে তৃতীয় দ্রুততম ফিফটি। টুর্নামেন্টের ইতিহাসে এর চেয়ে কম বলে ফিফটি করার রেকর্ড আছে মাত্র চারজনের (ইয়াশাসভি জয়সওয়াল ১৩ বল; প্যাট কামিন্স, লোকেশ রাহুল ও রোমারিও শেফার্ড ১৪ বল)। ১৭ বলে ৫২ রানের এক টর্নেডো ইনিংস খেলে সাজঘরে ফেরেন সুরিয়াভানশি। তার এই ইনিংসে ছিল ৫টি ছক্কা ও ৪টি চারের মার। স্ট্রাই

১৫ বলের ফিফটিতে রাজস্থানের উড়ন্ত সূচনা

আগের আসরেই নিজের জাত চিনিয়েছিলেন ভারতের এই ‘বিস্ময় বালক’। আইপিএলের ১৯তম আসরের শুরুতেই যেন সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখলেন বৈভাব সুরিয়াভানশি। চেন্নাই সুপার কিংসের বোলারদের তুলাধোনা করে মাত্র ১৫ বলে ফিফটি হাঁকিয়ে রাজস্থান রয়্যালসকে এনে দিলেন ৮ উইকেটের বিশাল জয়।

গুয়াহাটিতে ১২৮ রানের ছোট লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরুতেই ভাগ্যের ছোঁয়া পান ১৫ বছর বয়সী এই বাঁহাতি ব্যাটার। ইনিংসের প্রথম ওভারেই কিউই পেসার ম্যাট হেনরির বলে ক্যাচ দিয়েও বেঁচে যান তিনি। ব্যক্তিগত ৪ রানে জীবন পাওয়ার পরের বলটিকেই ছক্কায় উড়িয়ে নিজের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ের ইঙ্গিত দেন সুরিয়াভানশি।

ম্যাট হেনরি এবং আনশুল কাম্বোজের ওপর চড়াও হয়ে পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে আফগান স্পিনার নূর আহমাদকে জোড়া ছক্কা হাঁকিয়ে ১৫ বলে অর্ধশতক পূর্ণ করেন তিনি। এটি আইপিএলের ইতিহাসে যৌথভাবে তৃতীয় দ্রুততম ফিফটি। টুর্নামেন্টের ইতিহাসে এর চেয়ে কম বলে ফিফটি করার রেকর্ড আছে মাত্র চারজনের (ইয়াশাসভি জয়সওয়াল ১৩ বল; প্যাট কামিন্স, লোকেশ রাহুল ও রোমারিও শেফার্ড ১৪ বল)।

১৭ বলে ৫২ রানের এক টর্নেডো ইনিংস খেলে সাজঘরে ফেরেন সুরিয়াভানশি। তার এই ইনিংসে ছিল ৫টি ছক্কা ও ৪টি চারের মার। স্ট্রাইক রেট ছিল ৩০০-এর উপরে! সুরিয়াভানশি বিদায় নিলেও ওপেনার জয়সওয়ালের অপরাজিত ৩৮ রানের কল্যাণে মাত্র ১২.১ ওভারেই (৪৭ বল হাতে রেখে) জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় রাজস্থান রয়্যালস।

গত নিলামে ১ কোটি ১০ লাখ রুপিতে রাজস্থানে নাম লেখানো সুরিয়াভানশি ইতোমধ্যেই ঘরোয়া ক্রিকেটে রানের পাহাড় গড়ে আলোচনায় এসেছেন। বিহারের হয়ে রঞ্জি ট্রফি ও বিজয় হাজারে ট্রফিতে আলো ছড়ানোর পাশাপাশি গত আইপিএলে ২০৬.৩৩ স্ট্রাইক রেটে ২৫২ রান করেছিলেন তিনি। যেখানে একটি ৩৫ বলের সেঞ্চুরিও ছিল তার ঝুলিতে। এবারের আসরের শুরুতেই এমন পারফরম্যান্স তাকে আবারও পাদপ্রদীপের আলোয় নিয়ে এলো।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow