১৫০ যাত্রী নিয়ে করাচি গেলো বিমানের প্রথম ফ্লাইট

বাংলাদেশ থেকে ১৫০ যাত্রী নিয়ে পাকিস্তানের করাচির উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাত ৮টায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমানের প্রথম ফ্লাইট বিজি-৩৪১ করাচির উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে। বিমানের প্রথম ফ্লাইট করাচিতে পৌঁছাবে আজ স্থানীয় সময় রাত ১১টায়। ফিরতি ফ্লাইট বিজি-৩৪২ করাচি থেকে শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) দিনগত রাত ১২টা ১ মিনিটে যাত্রা করে ঢাকায় পৌঁছাবে ভোর ৪টা ২০ মিনিটে। শীতকালীন সূচি অনুযায়ী, সপ্তাহের প্রতি বৃহস্পতিবার ও শনিবার ঢাকা থেকে স্থানীয় সময় রাত ৮টায় যাত্রা করে করাচিতে পৌঁছাবে রাত ১১টায়। অপর দিকে, করাচি থেকে স্থানীয় সময় দিনগত রাত ১২টা ১ মিনিটে যাত্রা করে ঢাকায় পৌঁছাবে একই দিন ভোর ৪টা ২০ মিনিটে। উদ্বোধনী ফ্লাইট উপলক্ষ্যে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন, বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত ইমরান হায়দার প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ড. মো. সাফিকুর রহমান

১৫০ যাত্রী নিয়ে করাচি গেলো বিমানের প্রথম ফ্লাইট

বাংলাদেশ থেকে ১৫০ যাত্রী নিয়ে পাকিস্তানের করাচির উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাত ৮টায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমানের প্রথম ফ্লাইট বিজি-৩৪১ করাচির উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে।

বিমানের প্রথম ফ্লাইট করাচিতে পৌঁছাবে আজ স্থানীয় সময় রাত ১১টায়। ফিরতি ফ্লাইট বিজি-৩৪২ করাচি থেকে শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) দিনগত রাত ১২টা ১ মিনিটে যাত্রা করে ঢাকায় পৌঁছাবে ভোর ৪টা ২০ মিনিটে।

শীতকালীন সূচি অনুযায়ী, সপ্তাহের প্রতি বৃহস্পতিবার ও শনিবার ঢাকা থেকে স্থানীয় সময় রাত ৮টায় যাত্রা করে করাচিতে পৌঁছাবে রাত ১১টায়। অপর দিকে, করাচি থেকে স্থানীয় সময় দিনগত রাত ১২টা ১ মিনিটে যাত্রা করে ঢাকায় পৌঁছাবে একই দিন ভোর ৪টা ২০ মিনিটে।

উদ্বোধনী ফ্লাইট উপলক্ষ্যে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন, বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত ইমরান হায়দার প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ড. মো. সাফিকুর রহমান।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, রুটটি চালুর মধ্য দিয়ে পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের সরাসরি যোগাযোগ স্থাপিত হলো। রুটটি দুই দেশের মধ্যে ব্যবসা-বণিজ্যের প্রসার, শিক্ষার বিস্তার ও সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এমএমএ/এমএমকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow