১৭ বছরে সর্বনিম্নে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ঘাটতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ঘাটতিতে বড় ধরনের হ্রাস ঘটেছে। গত বছরের অক্টোবরের হিসাব অনুযায়ী, দেশটির বাণিজ্য ঘাটতি ২০০৯ সালের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। পণ্যের আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাওয়ায় এমনটি ঘটেছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য দপ্তরের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, অক্টোবরে দেশটির সামগ্রিক বাণিজ্য ঘাটতি ৩৯ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ২৯ দশমিক ৪ বিলিয়ন বা ২ হাজার ৯৪০ কোটি ডলারে। একই সময়ে দেশটির আমদানি কমেছে ৩ দশমিক ২ শতাংশ। অক্টোবরে ঘোষিত এই ঘাটতির পরিমাণ অর্থনীতিবিদদের পূর্বাভাসের তুলনায় অনেক কম। ডাও জোন্স নিউজওয়্যারস ও দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের জরিপে অর্থনীতিবিদরা গড়ে ৫৮ দশমিক ৪ বিলিয়ন বা ৫ হাজার ৮৪০ কোটি ডলারের বাণিজ্য ঘাটতির পূর্বাভাস দিয়েছিলেন। তথ্যে দেখা গেছে, অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানি ৭ দশমিক ৮ বিলিয়ন বা ৭৮০ কোটি ডলার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০২ বিলিয়ন বা ৩০ হাজার ২০০ কোটি ডলারে। বিপরীতে আমদানি ১১ বিলিয়ন বা ১১০০ কোটি ডলার কমে নেমে এসেছে ৩৩১ দশমিক ৪ বিলিয়ন বা ৩৩ হাজার ১৪০ কোটি ডলারে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই পরিবর

১৭ বছরে সর্বনিম্নে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ঘাটতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ঘাটতিতে বড় ধরনের হ্রাস ঘটেছে। গত বছরের অক্টোবরের হিসাব অনুযায়ী, দেশটির বাণিজ্য ঘাটতি ২০০৯ সালের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। পণ্যের আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাওয়ায় এমনটি ঘটেছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য দপ্তরের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, অক্টোবরে দেশটির সামগ্রিক বাণিজ্য ঘাটতি ৩৯ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ২৯ দশমিক ৪ বিলিয়ন বা ২ হাজার ৯৪০ কোটি ডলারে। একই সময়ে দেশটির আমদানি কমেছে ৩ দশমিক ২ শতাংশ।

অক্টোবরে ঘোষিত এই ঘাটতির পরিমাণ অর্থনীতিবিদদের পূর্বাভাসের তুলনায় অনেক কম। ডাও জোন্স নিউজওয়্যারস ও দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের জরিপে অর্থনীতিবিদরা গড়ে ৫৮ দশমিক ৪ বিলিয়ন বা ৫ হাজার ৮৪০ কোটি ডলারের বাণিজ্য ঘাটতির পূর্বাভাস দিয়েছিলেন।

তথ্যে দেখা গেছে, অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানি ৭ দশমিক ৮ বিলিয়ন বা ৭৮০ কোটি ডলার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০২ বিলিয়ন বা ৩০ হাজার ২০০ কোটি ডলারে। বিপরীতে আমদানি ১১ বিলিয়ন বা ১১০০ কোটি ডলার কমে নেমে এসেছে ৩৩১ দশমিক ৪ বিলিয়ন বা ৩৩ হাজার ১৪০ কোটি ডলারে।

ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই পরিবর্তনের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে পণ্যের আমদানি হ্রাস। বিশেষ করে, ভোক্তা পণ্যের আমদানি ১৪ বিলিয়ন বা ১৪০০ কোটি ডলার কমেছে। মার্কিন বাণিজ্য দপ্তর জানিয়েছে, এ খাতে ওষুধজাত পণ্যের আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।

এছাড়া শিল্পখাতে ব্যবহৃত কাঁচামাল ও উপকরণের আমদানিও কমেছে। এর মধ্যে অ-আর্থিক সোনা বা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ হিসেবে না রাখা সোনার আমদানিও হ্রাস পেয়েছে।

দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেওয়ার পর ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্রুত পরিবর্তনশীল ও ব্যাপক শুল্কনীতি যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রবাহে বড় প্রভাব ফেলেছে। পরিকল্পিত শুল্ক বৃদ্ধির আগে ব্যবসায়ীরা আগেভাগেই পণ্য মজুত করতে ছুটে যাওয়ায় সাম্প্রতিক সময়ে আমদানি ও রপ্তানির চিত্রে বড় ধরনের ওঠানামা দেখা যাচ্ছে।

সূত্র: এএফপি

এসএএইচ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow