১৭ শিক্ষকের ১৯ শিক্ষার্থী, পাস করেনি কেউ
পাবনার ভাঙ্গুড়ায় মাগুরা দাখিল মাদ্রাসায় এবার দাখিল পরীক্ষায় এক নজিরবিহীন ফলাফল বিপর্যয় ঘটেছে। এ বছর দাখিল পরীক্ষায় মাদ্রাসাটি থেকে ১৯ পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে কেউই পাস করতে পারেনি। সোমবার (১০ আগস্ট) মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড দাখিল পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করে। প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, ২০২৬ সালের দাখিল (এসএসসি সমমান) পরীক্ষায় মাদ্রাসাটির পাসের হার শূন্য। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৭৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এই মাদ্রাসাটি ২০০১ সালে এমপিওভুক্তির সুযোগ পায়। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে ১৭ জন শিক্ষক এবং চারজন কর্মচারী রয়েছেন। এমপিওভুক্ত হওয়ার পর দুই দশকের বেশি সময় পার হলেও প্রতিষ্ঠানটিতে এখন পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষসহ নানাবিধ অবকাঠামোগত সংকট রয়ে গেছে। প্রত্যন্ত চলনবিল এলাকায় এবং উপজেলা সদর থেকে দিলপাশার ইউনিয়নের প্রায় ৮-৯ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত মাদ্রাসাটি। অধিকাংশ শিক্ষক ভাঙ্গুড়া উপজেলা সদরে বসবাস করেন। যাতায়াতের দূরত্বের অজুহাতে শিক্ষকরা নিয়মিত প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত হন না বলে স্থানীয়রা গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। শিক্ষকদের এই নিয়মিত অনুপস্থিতি এবং পাঠদানে চরম গাফিলতির কারণেই মূলত দীর্ঘ এক দশক ধরে প্রতিষ্ঠানটির দা
পাবনার ভাঙ্গুড়ায় মাগুরা দাখিল মাদ্রাসায় এবার দাখিল পরীক্ষায় এক নজিরবিহীন ফলাফল বিপর্যয় ঘটেছে। এ বছর দাখিল পরীক্ষায় মাদ্রাসাটি থেকে ১৯ পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে কেউই পাস করতে পারেনি।
সোমবার (১০ আগস্ট) মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড দাখিল পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করে। প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, ২০২৬ সালের দাখিল (এসএসসি সমমান) পরীক্ষায় মাদ্রাসাটির পাসের হার শূন্য।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৭৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এই মাদ্রাসাটি ২০০১ সালে এমপিওভুক্তির সুযোগ পায়। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে ১৭ জন শিক্ষক এবং চারজন কর্মচারী রয়েছেন। এমপিওভুক্ত হওয়ার পর দুই দশকের বেশি সময় পার হলেও প্রতিষ্ঠানটিতে এখন পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষসহ নানাবিধ অবকাঠামোগত সংকট রয়ে গেছে।
প্রত্যন্ত চলনবিল এলাকায় এবং উপজেলা সদর থেকে দিলপাশার ইউনিয়নের প্রায় ৮-৯ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত মাদ্রাসাটি। অধিকাংশ শিক্ষক ভাঙ্গুড়া উপজেলা সদরে বসবাস করেন। যাতায়াতের দূরত্বের অজুহাতে শিক্ষকরা নিয়মিত প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত হন না বলে স্থানীয়রা গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন।
শিক্ষকদের এই নিয়মিত অনুপস্থিতি এবং পাঠদানে চরম গাফিলতির কারণেই মূলত দীর্ঘ এক দশক ধরে প্রতিষ্ঠানটির দাখিল পরীক্ষার ফলাফলে ধারাবাহিকভাবে এমন বিপর্যয় ঘটছে বলে দাবি করেছেন অভিভাবক ও এলাকাবাসী।
অভিভাবকরা অভিযোগ করে বলেন, শিক্ষকরা প্রতিষ্ঠানে এসে ঠিকমতো পড়ান না; শুধু মাস শেষে বেতন তোলেন। যার কারণে এলাকার সচেতন অভিভাবকরা এখন আর তাদের সন্তানদের এই মাদ্রাসায় ভর্তি করাতে চান না।
তবে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ওঠা এই গাফিলতির অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার না করলেও ফলাফলের এই চরম বিপর্যয়ের দায় শিক্ষার্থীদের কাঁধেই চাপিয়েছেন মাদ্রাসার সুপার জাকির হোসাইন। তার দাবি, গ্রামের ছেলেরা পড়াশোনায় মনোযোগী না হওয়ার কারণেই মূলত সবাই অকৃতকার্য হয়েছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আতিকুজ্জামান বলেন, কেন এমন ফলাফল বিপর্যয় ঘটল; সে বিষয়টি গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হবে।
What's Your Reaction?