১৮০০ ওমরাহ ট্রাভেল এজেন্সির কার্যক্রম স্থগিত সৌদির

১৮০০ ওমরাহ ট্রাভেল এজেন্সির কার্যক্রম স্থগিত করেছে সৌদি আরব। দুর্বল পারফরম্যান্স ও সেবার মানে ঘাটতির কারণে এসব এজেন্সির বিরুদ্ধে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।  রোববার (০১ ফেব্রুয়ারি) খালিজ টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।  প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওমরাহ খাতে বর্তমানে প্রায় ৫ হাজার ৮০০ বিদেশি ট্রাভেল এজেন্সি রয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৮০০টির সঙ্গে চুক্তি স্থগিত করেছে সৌদি আরব। রোববার দেশটির হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে। মন্ত্রণালয় জানায়, নিয়মিত মূল্যায়নের সময় সংশ্লিষ্ট এজেন্সিগুলোর সেবা ও কার্যক্রমে বিভিন্ন ত্রুটি ধরা পড়েছে। এসব ঘাটতি দূর করার জন্য এজেন্সিগুলোকে ১০ দিনের সময় দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই স্থগিতাদেশ শুধু নতুন ভিসা ইস্যুর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। এটি একটি নিয়ন্ত্রক উদ্যোগের অংশ, যার উদ্দেশ্য এজেন্সিগুলোকে নির্ধারিত মান ও বিধি অনুযায়ী কার্যক্রম সংশোধনের সুযোগ দেওয়া। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শর্ত পূরণ করলে তাদের সঙ্গে করা চুক্তি পুনরায় কার্যকর করা হবে। হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যেসব হজযাত্রীর কাছে ইতোমধ্যে বৈধ ভিসা রয়েছে ব

১৮০০ ওমরাহ ট্রাভেল এজেন্সির কার্যক্রম স্থগিত সৌদির

১৮০০ ওমরাহ ট্রাভেল এজেন্সির কার্যক্রম স্থগিত করেছে সৌদি আরব। দুর্বল পারফরম্যান্স ও সেবার মানে ঘাটতির কারণে এসব এজেন্সির বিরুদ্ধে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। 

রোববার (০১ ফেব্রুয়ারি) খালিজ টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওমরাহ খাতে বর্তমানে প্রায় ৫ হাজার ৮০০ বিদেশি ট্রাভেল এজেন্সি রয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৮০০টির সঙ্গে চুক্তি স্থগিত করেছে সৌদি আরব। রোববার দেশটির হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।

মন্ত্রণালয় জানায়, নিয়মিত মূল্যায়নের সময় সংশ্লিষ্ট এজেন্সিগুলোর সেবা ও কার্যক্রমে বিভিন্ন ত্রুটি ধরা পড়েছে। এসব ঘাটতি দূর করার জন্য এজেন্সিগুলোকে ১০ দিনের সময় দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই স্থগিতাদেশ শুধু নতুন ভিসা ইস্যুর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। এটি একটি নিয়ন্ত্রক উদ্যোগের অংশ, যার উদ্দেশ্য এজেন্সিগুলোকে নির্ধারিত মান ও বিধি অনুযায়ী কার্যক্রম সংশোধনের সুযোগ দেওয়া। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শর্ত পূরণ করলে তাদের সঙ্গে করা চুক্তি পুনরায় কার্যকর করা হবে।

হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যেসব হজযাত্রীর কাছে ইতোমধ্যে বৈধ ভিসা রয়েছে বা যাদের বুকিং সম্পন্ন হয়েছে, তাদের ওমরাহ কার্যক্রমে কোনো প্রভাব পড়বে না এবং সেবা স্বাভাবিকভাবেই চালু থাকবে।

মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ঘাসসান আল-নওয়াইমি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ত্রুটি সংশোধনে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সিগুলোর বিরুদ্ধে নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওমরাহ খাতের বিশ্বাসযোগ্যতা জোরদার এবং হাজিদের অধিকার সুরক্ষিত রাখতে মন্ত্রণালয় নিয়মিত নজরদারি ও মূল্যায়ন কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow