২ দিনের সফরে চীনে পৌঁছেছেন পুতিন
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ২ দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে মঙ্গলবার স্থানীয় সময় (১৯ মে) সন্ধ্যায় চীনে পৌঁছেছেন। বেইজিং বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই।
আগামীকাল বুধবার, পুতিন প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা এবং পারস্পরিক উদ্বেগের আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন।
পুতিনের আগমনের আগে, মঙ্গলবার বেইজিংয়ে সফররত রাশিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী ডেনিস মানতুরভের সঙ্গে আলোচনা করেন চীনের উপ-প্রধানমন্ত্রী ডিং শুয়েশিয়াং।
এর আগে, মস্কো-বেইজিং সম্পর্ককে বিশ্বে একটি স্থিতিশীলতা সৃষ্টিকারী শক্তি হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের আগে তিনি এমন মন্তব্য করেছেন।
দুই দিনের চীন সফরের আগে দেওয়া এক ভাষণে পুতিন বলেন, রাশিয়া ও চীন অন্য কোনো দেশের বিরুদ্ধে জোট গড়তে চায় না। এ দুই দেশ ‘শান্তি ও সর্বজনীন সমৃদ্ধির’ জন্য একসঙ্গে কাজ করছে।
তিনি বলেন, এই চেতনা থেকেই মস্কো ও বেইজিং আন্তর্জাতিক আইন এবং জাতিসংঘ সনদের নীতিগুলো সম্পূর্ণভাবে রক্ষার জন্য সমন্বিতভাবে কাজ করছে। রাশিয়া ও চীন জা
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ২ দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে মঙ্গলবার স্থানীয় সময় (১৯ মে) সন্ধ্যায় চীনে পৌঁছেছেন। বেইজিং বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই।
আগামীকাল বুধবার, পুতিন প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা এবং পারস্পরিক উদ্বেগের আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন।
পুতিনের আগমনের আগে, মঙ্গলবার বেইজিংয়ে সফররত রাশিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী ডেনিস মানতুরভের সঙ্গে আলোচনা করেন চীনের উপ-প্রধানমন্ত্রী ডিং শুয়েশিয়াং।
এর আগে, মস্কো-বেইজিং সম্পর্ককে বিশ্বে একটি স্থিতিশীলতা সৃষ্টিকারী শক্তি হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের আগে তিনি এমন মন্তব্য করেছেন।
দুই দিনের চীন সফরের আগে দেওয়া এক ভাষণে পুতিন বলেন, রাশিয়া ও চীন অন্য কোনো দেশের বিরুদ্ধে জোট গড়তে চায় না। এ দুই দেশ ‘শান্তি ও সর্বজনীন সমৃদ্ধির’ জন্য একসঙ্গে কাজ করছে।
তিনি বলেন, এই চেতনা থেকেই মস্কো ও বেইজিং আন্তর্জাতিক আইন এবং জাতিসংঘ সনদের নীতিগুলো সম্পূর্ণভাবে রক্ষার জন্য সমন্বিতভাবে কাজ করছে। রাশিয়া ও চীন জাতিসংঘ, সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা (এসসিও), ব্রিকস এবং অন্যান্য বহুপাক্ষিক প্ল্যাটফর্মের আওতায় সহযোগিতা জোরদার করছে। পাশাপাশি বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাগুলোর সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
সূত্র : সিজিটিএন