২শ’ টাকার বিরোধে প্রাণহানি, ৩ বছর পর রহস্য উদঘাটন
মাত্র ২শ’ টাকার লেনদেনকে কেন্দ্র করে সংঘটিত তিন বছর আগের চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত শাওন মিয়াকে গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত এ হত্যা মামলার জট খুলল। দীর্ঘ তদন্ত শেষে গত ১২ এপ্রিল চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলার ওয়াহেদপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই গাজীপুরের একটি বিশেষ দল। ২০২৩ সালের ১৩ মে গাজীপুর মহানগরীর সদর থানা এলাকায় কাজের উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হন মাসুদ রানা। পথিমধ্যে শাওন মিয়াসহ কয়েকজন তার গতিরোধ করে। কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই হামলাকারীরা তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করলে পরদিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর আগে আহত অবস্থায় মাসুদ রানা হামলাকারীদের কয়েকজনের পরিচয় সম্পর্কে স্বজনদের ধারণা দিয়েছিলেন, যা তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হিসেবে কাজ করে। ঘটনার পরপরই নিহত মাসুদ রানার পরিবারের পক্ষ থেকে গাজীপুর সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। দীর্ঘ সময় মামলাটি তদন্তের পর পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের নির্দেশে তা পিবিআইতে
মাত্র ২শ’ টাকার লেনদেনকে কেন্দ্র করে সংঘটিত তিন বছর আগের চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত শাওন মিয়াকে গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত এ হত্যা মামলার জট খুলল।
দীর্ঘ তদন্ত শেষে গত ১২ এপ্রিল চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলার ওয়াহেদপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই গাজীপুরের একটি বিশেষ দল।
২০২৩ সালের ১৩ মে গাজীপুর মহানগরীর সদর থানা এলাকায় কাজের উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হন মাসুদ রানা। পথিমধ্যে শাওন মিয়াসহ কয়েকজন তার গতিরোধ করে। কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই হামলাকারীরা তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করলে পরদিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর আগে আহত অবস্থায় মাসুদ রানা হামলাকারীদের কয়েকজনের পরিচয় সম্পর্কে স্বজনদের ধারণা দিয়েছিলেন, যা তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হিসেবে কাজ করে।
ঘটনার পরপরই নিহত মাসুদ রানার পরিবারের পক্ষ থেকে গাজীপুর সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। দীর্ঘ সময় মামলাটি তদন্তের পর পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের নির্দেশে তা পিবিআইতে হস্তান্তর করা হয়। এরপর তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের সমন্বয়ে দীর্ঘ প্রায় তিন বছর পর মূল অভিযুক্ত শাওন মিয়াকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পিবিআই।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি শাওন মিয়া স্বীকার করেন, মাত্র ২০০ টাকার লেনদেন নিয়ে বিরোধের সূত্রপাত হয়। ঘটনার দিন ওই টাকার দাবিকে কেন্দ্র করে মাসুদ রানার সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি ও ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে শাওন ও তার সহযোগীরা ছুরি দিয়ে মাসুদ রানাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা নিশ্চিত করে পালিয়ে যান। খুব দ্রুতই আসামি শাওন মিয়া আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেবেন বলে জানা গেছে।
পিবিআই গাজীপুরের পুলিশ সুপার মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, অত্যন্ত পেশাদারিত্ব, তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার এবং নিবিড় তদন্তের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচিত হয়েছে। একটি সামান্য আর্থিক বিরোধ কীভাবে ভয়াবহ প্রাণহানিতে রূপ নিতে পারে, এই ঘটনা তারই এক দৃষ্টান্ত।
What's Your Reaction?