২০ টন জব্দের পর এবার ৪৩ টন চালে গরমিল

মদন উপজেলার সরকারি খাদ্য গুদামকে ঘিরে একের পর এক থলের বিড়াল বেরিয়ে আসছে। দীর্ঘদিন ধরেই গুদামটিতে অনিয়ম, গাফিলতি ও হিসাবের অসঙ্গতির অভিযোগ থাকলেও সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো নতুন করে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সম্প্রতি ট্রাকভর্তি প্রায় ২০ টন সরকারি চাল জব্দের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই গুদামের হিসাবের বাইরে আরও প্রায় ৪৩ দশমিক ৫৬০ টন চালের সন্ধান মিলেছে। তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গুদাম পরিদর্শনে গিয়ে অতিরিক্ত চালের হিসাব পাওয়া যায়, যা সরকারি স্টকের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে বলে জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে পূর্বে জব্দ হওয়া চালের ঘটনায় আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, খাদ্য গুদাম নিয়মিত পরিদর্শনের বিধান থাকলেও দীর্ঘ সময় ধরে সেখানে যথাযথ তদারকি হয়নি। অভিযোগ রয়েছে, গত দুই বছরে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তার সরাসরি পরিদর্শন হয়নি মদন খাদ্য গুদামে। এতে করে অনিয়ম, গাফিলতি ও হিসাবের গরমিল ধীরে ধীরে ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা দাবি করেছেন, উপজেলা পর্যায় থেকে পাঠানো মাসিক

২০ টন জব্দের পর এবার ৪৩ টন চালে গরমিল

মদন উপজেলার সরকারি খাদ্য গুদামকে ঘিরে একের পর এক থলের বিড়াল বেরিয়ে আসছে। দীর্ঘদিন ধরেই গুদামটিতে অনিয়ম, গাফিলতি ও হিসাবের অসঙ্গতির অভিযোগ থাকলেও সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো নতুন করে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

সম্প্রতি ট্রাকভর্তি প্রায় ২০ টন সরকারি চাল জব্দের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই গুদামের হিসাবের বাইরে আরও প্রায় ৪৩ দশমিক ৫৬০ টন চালের সন্ধান মিলেছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গুদাম পরিদর্শনে গিয়ে অতিরিক্ত চালের হিসাব পাওয়া যায়, যা সরকারি স্টকের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে বলে জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে পূর্বে জব্দ হওয়া চালের ঘটনায় আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, খাদ্য গুদাম নিয়মিত পরিদর্শনের বিধান থাকলেও দীর্ঘ সময় ধরে সেখানে যথাযথ তদারকি হয়নি। অভিযোগ রয়েছে, গত দুই বছরে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তার সরাসরি পরিদর্শন হয়নি মদন খাদ্য গুদামে। এতে করে অনিয়ম, গাফিলতি ও হিসাবের গরমিল ধীরে ধীরে ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা দাবি করেছেন, উপজেলা পর্যায় থেকে পাঠানো মাসিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই গুদামের হিসাব তদারকি করা হতো।
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow