২০ বছর আগের শাড়িতে রেড কার্পেট কাঁপালেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া
নিউ ইয়র্ক সিটির গোল্ড হাউসে অনুষ্ঠিত পঞ্চম বার্ষিক গোল্ড গালা যেন এক অনন্য ফ্যাশন মুহূর্তের সাক্ষী হয়ে রইল, যখন আন্তর্জাতিক তারকা প্রিয়াঙ্কা চোপড়া জোনাস রেড কার্পেটে পা রাখেন। তিনি শুধু একজন অভিনেত্রী হিসেবে উপস্থিত হননি, বরং যেন নিজের সঙ্গে বহন করে এনেছিলেন ভারতীয় ঐতিহ্যের এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। এই অনুষ্ঠানে প্রিয়াঙ্কা পরেছিলেন ডিজাইনার অমিত আগরওয়াল-এর তৈরি এক অনন্য কাস্টম পোশাক। এই পোশাকটি শুধু একটি ফ্যাশন স্টেটমেন্ট ছিল না, বরং ভারতীয় ঐতিহ্য ও আধুনিক নকশার এক গভীর সংলাপ। প্রায় ২০ বছরের পুরোনো একটি চিকনকারি শাড়িকে নতুনভাবে রূপান্তর করে এই গাউন তৈরি করা হয়। পুরোনো কাপড়কে অপ্রয়োজনীয় না ভেবে তার সৌন্দর্য ও ইতিহাসকে নতুন রূপে তুলে ধরার এই ধারণাই পোশাকটিকে বিশেষ করে তোলে। ডিজাইনটি ছিল সেমি-শাড়ি ধারণার ওপর ভিত্তি করে তৈরি, যেখানে কাপড়ের একটি অংশ কাঁধের ওপর দিয়ে নেমে এসেছে। স্কার্ট অংশে ছিল অ্যাসিমেট্রিক কাট, থাই-হাই স্লিট এবং একটি নাটকীয় ট্রেইন, যা পুরো লুককে দিয়েছে সমসাময়িক ও গ্ল্যামারাস ছোঁয়া। পোশাকটি শুধু সৌন্দর্যের জন্য তৈরি হয়নি, বরং এর মাধ্যমে প্রিয়াঙ্কার জীবনযাত্রা, আত্মব
নিউ ইয়র্ক সিটির গোল্ড হাউসে অনুষ্ঠিত পঞ্চম বার্ষিক গোল্ড গালা যেন এক অনন্য ফ্যাশন মুহূর্তের সাক্ষী হয়ে রইল, যখন আন্তর্জাতিক তারকা প্রিয়াঙ্কা চোপড়া জোনাস রেড কার্পেটে পা রাখেন। তিনি শুধু একজন অভিনেত্রী হিসেবে উপস্থিত হননি, বরং যেন নিজের সঙ্গে বহন করে এনেছিলেন ভারতীয় ঐতিহ্যের এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি।
এই অনুষ্ঠানে প্রিয়াঙ্কা পরেছিলেন ডিজাইনার অমিত আগরওয়াল-এর তৈরি এক অনন্য কাস্টম পোশাক। এই পোশাকটি শুধু একটি ফ্যাশন স্টেটমেন্ট ছিল না, বরং ভারতীয় ঐতিহ্য ও আধুনিক নকশার এক গভীর সংলাপ। প্রায় ২০ বছরের পুরোনো একটি চিকনকারি শাড়িকে নতুনভাবে রূপান্তর করে এই গাউন তৈরি করা হয়। পুরোনো কাপড়কে অপ্রয়োজনীয় না ভেবে তার সৌন্দর্য ও ইতিহাসকে নতুন রূপে তুলে ধরার এই ধারণাই পোশাকটিকে বিশেষ করে তোলে।
ডিজাইনটি ছিল সেমি-শাড়ি ধারণার ওপর ভিত্তি করে তৈরি, যেখানে কাপড়ের একটি অংশ কাঁধের ওপর দিয়ে নেমে এসেছে। স্কার্ট অংশে ছিল অ্যাসিমেট্রিক কাট, থাই-হাই স্লিট এবং একটি নাটকীয় ট্রেইন, যা পুরো লুককে দিয়েছে সমসাময়িক ও গ্ল্যামারাস ছোঁয়া।
পোশাকটি শুধু সৌন্দর্যের জন্য তৈরি হয়নি, বরং এর মাধ্যমে প্রিয়াঙ্কার জীবনযাত্রা, আত্মবিশ্বাস এবং বৈশ্বিক পরিচয়ের প্রতিফলন ঘটানোর চেষ্টা করা হয়েছে। ডিজাইনারের মতে, এই কালেকশনের মূল উদ্দেশ্য ছিল কোমলতা ও দৃঢ়তার সহাবস্থান তুলে ধরা।
চিকনকারি সূচিকর্মের সূক্ষ্মতা একদিকে যেমন ভঙ্গুরতার প্রতীক, অন্যদিকে ভাস্কর্যসদৃশ কাঠামো তার শক্তিকে প্রকাশ করে। এই দুই বিপরীত বৈশিষ্ট্যকে একত্রিত করে পোশাকটি তৈরি করা হয়েছে, যা আধুনিক নারীর দ্বৈত সত্তাকে প্রতিফলিত করে, একদিকে কোমল, অন্যদিকে দৃঢ়। তাই এটি শুধু একটি রেড কার্পেট লুক ছিল না, বরং তার পরিচয়ের একটি শিল্পিত প্রকাশ।
এই লুককে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে প্রিয়াঙ্কা পরেছিলেন বিলাসবহুল ব্র্যান্ড বুলগারি-এর একটি জমকালো নেকলেস ও মানানসই কানের দুল। স্টাইলিস্ট আমি প্যাটেল পুরো সাজটিকে এমনভাবে সাজিয়েছেন যাতে পোশাকই মূল আকর্ষণ হিসেবে সামনে থাকে।
মেকআপে উষ্ণ বাদামি টোন ব্যবহার করা হয়, সঙ্গে হালকা গোলাপি ব্লাশ এবং চকচকে লিপস্টিক। চোখের মেকআপ রাখা হয় খুবই ন্যূনতম, শুধু মাসকারা ব্যবহার করা হয়, যাতে পুরো ফোকাস থাকে পোশাকের ওপর।
এই পুরো উপস্থিতি প্রমাণ করে যে ফ্যাশন, সংস্কৃতি এবং পরিচয় একে অপরের থেকে আলাদা নয়। প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার এই লুক ছিল শুধু একটি রেড কার্পেট মুহূর্ত নয়, বরং ঐতিহ্য, আধুনিকতা এবং ব্যক্তিত্বের এক অসাধারণ সংমিশ্রণ, যা তাঁকে আবারও বিশ্বমঞ্চে আলাদা করে তুলেছে।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
এসএকেওয়াই
What's Your Reaction?