২০ মিনিটের ব্যবধানে আবার ভূমিকম্পে কাঁপলো মিয়ানমার

প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমারে আজ (মঙ্গলবার) রাতে আবারও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। এদিন রাতেই এর ২০ মিনিট আগে দেশটিতে ভূমিকম্প হয়। ম্রাউক-ইউ শহর থেকে ৪২ কিলোমিটার দূরে উৎপত্তি হওয়া ওই ভূমিকম্পের রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৯। বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ৩৪ মিনিটে প্রথম ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়। ইউরো-মেডিটেরানিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মিয়ানমারে সবশেষ হওয়া ভূমিকম্পটির মাত্রা রিখটার স্কেলে ৫ দশমিক ২। ভূগর্ভের ৬৮ কিলোমিটার গভীরে এর উৎপত্তি হয়। রাতে ৫ দশমিক ৯ মাত্রার প্রথম যে ভূমিকম্পটি হয়েছিল সেটির কম্পন বাংলাদেশেও অনুভূত হয়। এর আগে, মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ভূমিকম্পে কাঁপে বাংলাদেশের উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা। ভোর ৪টা ৩৬ মিনিটে অনুভূত সেই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ১। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এ বিষয়ে সাতক্ষীরা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও আবহাওয়াবিদ জুলফিকার আলি রিপন জাগো নিউজকে জানান, ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া এলাকা। ভূপৃষ্ঠ থেকে এর গভীরতা ছিল প্রায় ১৫০ কিলোমিটার। গভীরতা বেশি হওয়ায় ভূমিকম্পটির প্রভা

২০ মিনিটের ব্যবধানে আবার ভূমিকম্পে কাঁপলো মিয়ানমার

প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমারে আজ (মঙ্গলবার) রাতে আবারও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। এদিন রাতেই এর ২০ মিনিট আগে দেশটিতে ভূমিকম্প হয়। ম্রাউক-ইউ শহর থেকে ৪২ কিলোমিটার দূরে উৎপত্তি হওয়া ওই ভূমিকম্পের রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৯। বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ৩৪ মিনিটে প্রথম ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়।

ইউরো-মেডিটেরানিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মিয়ানমারে সবশেষ হওয়া ভূমিকম্পটির মাত্রা রিখটার স্কেলে ৫ দশমিক ২। ভূগর্ভের ৬৮ কিলোমিটার গভীরে এর উৎপত্তি হয়।

রাতে ৫ দশমিক ৯ মাত্রার প্রথম যে ভূমিকম্পটি হয়েছিল সেটির কম্পন বাংলাদেশেও অনুভূত হয়।

এর আগে, মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ভূমিকম্পে কাঁপে বাংলাদেশের উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা। ভোর ৪টা ৩৬ মিনিটে অনুভূত সেই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ১। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

এ বিষয়ে সাতক্ষীরা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও আবহাওয়াবিদ জুলফিকার আলি রিপন জাগো নিউজকে জানান, ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া এলাকা। ভূপৃষ্ঠ থেকে এর গভীরতা ছিল প্রায় ১৫০ কিলোমিটার। গভীরতা বেশি হওয়ায় ভূমিকম্পটির প্রভাব ছিল তুলনামূলকভাবে মৃদু। এতে এখন পর্যন্ত কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

এএমএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow