২০১০–এর সঙ্গে অবিশ্বাস্য ৭ মিল, আবারও কি বিশ্বকাপ জয়ের পথে স্পেন?
২০২৬ বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ছন্দে থাকা স্পেনকে ঘিরে নতুন এক আলোচনার জন্ম দিয়েছে কয়েকটি কাকতালীয় ঘটনা। ২০১০ সালে প্রথম ও একমাত্র বিশ্বকাপ জয়ের পথে যে ঘটনাগুলো ঘটেছিল, তার সঙ্গে এবারের টুর্নামেন্টের একাধিক বিস্ময়কর মিল খুঁজে পেয়েছেন সমর্থকেরা।
ফুটবলে কুসংস্কার বা কাকতালীয় ঘটনাকে অনেকে গুরুত্ব না দিলেও বড় টুর্নামেন্টে এমন মিল প্রায়ই আলোচনার জন্ম দেয়। স্পেনের সমর্থকদের বিশ্বাস, ২০১০ সালের স্মৃতি হয়তো আবারও ফিরে আসতে পারে।
প্রথম মিলটি উদ্বোধনী ম্যাচে। ২০১০ বিশ্বকাপ শুরু হয়েছিল ১১ জুন দক্ষিণ আফ্রিকা ও মেক্সিকোর ম্যাচ দিয়ে। ২০২৬ বিশ্বকাপও শুরু হয়েছে একই ১১ জুন, আর উদ্বোধনী ম্যাচেও ছিল এই দুই দল। শুধু স্বাগতিক ও সফরকারী দলের অবস্থান বদলেছে।
দ্বিতীয় মিল, স্পেন আবারও খেলছে 'গ্রুপ এইচ' থেকে। ২০১০ সালেও তারা ছিল এই গ্রুপে, সেখান থেকেই শুরু হয়েছিল বিশ্বজয়ের যাত্রা।
তৃতীয় মিলটি ইউরো চ্যাম্পিয়ন হিসেবে বিশ্বকাপে আসা। ২০১০ সালের আগে স্পেন জিতেছিল ২০০৮ ইউরো। এবারও তারা ২০২৪ ইউরো চ্যাম্পিয়ন হয়ে বিশ্বকাপে এসেছে।
চতুর্থ কাকতালীয় ঘটনা জোসে মরিনিওকে ঘিরে। ২০১০ সালে বিশ্বকাপের আগে রিয়াল মাদ্রিদের দায়িত্ব নি
২০২৬ বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ছন্দে থাকা স্পেনকে ঘিরে নতুন এক আলোচনার জন্ম দিয়েছে কয়েকটি কাকতালীয় ঘটনা। ২০১০ সালে প্রথম ও একমাত্র বিশ্বকাপ জয়ের পথে যে ঘটনাগুলো ঘটেছিল, তার সঙ্গে এবারের টুর্নামেন্টের একাধিক বিস্ময়কর মিল খুঁজে পেয়েছেন সমর্থকেরা।
ফুটবলে কুসংস্কার বা কাকতালীয় ঘটনাকে অনেকে গুরুত্ব না দিলেও বড় টুর্নামেন্টে এমন মিল প্রায়ই আলোচনার জন্ম দেয়। স্পেনের সমর্থকদের বিশ্বাস, ২০১০ সালের স্মৃতি হয়তো আবারও ফিরে আসতে পারে।
প্রথম মিলটি উদ্বোধনী ম্যাচে। ২০১০ বিশ্বকাপ শুরু হয়েছিল ১১ জুন দক্ষিণ আফ্রিকা ও মেক্সিকোর ম্যাচ দিয়ে। ২০২৬ বিশ্বকাপও শুরু হয়েছে একই ১১ জুন, আর উদ্বোধনী ম্যাচেও ছিল এই দুই দল। শুধু স্বাগতিক ও সফরকারী দলের অবস্থান বদলেছে।
দ্বিতীয় মিল, স্পেন আবারও খেলছে 'গ্রুপ এইচ' থেকে। ২০১০ সালেও তারা ছিল এই গ্রুপে, সেখান থেকেই শুরু হয়েছিল বিশ্বজয়ের যাত্রা।
তৃতীয় মিলটি ইউরো চ্যাম্পিয়ন হিসেবে বিশ্বকাপে আসা। ২০১০ সালের আগে স্পেন জিতেছিল ২০০৮ ইউরো। এবারও তারা ২০২৪ ইউরো চ্যাম্পিয়ন হয়ে বিশ্বকাপে এসেছে।
চতুর্থ কাকতালীয় ঘটনা জোসে মরিনিওকে ঘিরে। ২০১০ সালে বিশ্বকাপের আগে রিয়াল মাদ্রিদের দায়িত্ব নিয়েছিলেন পর্তুগিজ এই কোচ। ২০২৬ সালেও বিশ্বকাপের বছরেই তার বার্নাব্যুতে ফেরার ঘটনা আলোচনায় এসেছে।
পঞ্চম মিল আরও চমকপ্রদ। ২০১০ সালের শেষ ষোলোতে স্পেন ১-০ গোলে হারিয়েছিল পর্তুগালকে। এবারও শেষ ষোলোতে একই প্রতিপক্ষকে একই ব্যবধানে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে লা রোখা।
ষষ্ঠ মিলটি বার্সেলোনা-নির্ভর দল গঠনে। ২০১০ সালের বিশ্বকাপজয়ী দলে বার্সেলোনার আটজন খেলোয়াড় ছিলেন। ২০২৬ সালের স্কোয়াডেও রয়েছেন আটজন বার্সা ফুটবলার, যাদের মধ্যে আছেন লামিনে ইয়ামাল, পেদ্রি, গাভি, পাউ কুবারসি, এরিক গার্সিয়া, জোয়ান গার্সিয়া, দানি ওলমো ও ফেরান তোরেস।
সপ্তম ও শেষ মিলটি সংগীতকে ঘিরে। ২০১০ বিশ্বকাপে শাকিরার 'ওয়াকা ওয়াকা' ছিল টুর্নামেন্টের অন্যতম আকর্ষণ। ২০২৬ বিশ্বকাপেও জনপ্রিয় এই শিল্পী পারফর্ম করছেন, যা সমর্থকদের কাছে আরেকটি শুভ লক্ষণ হিসেবে আলোচনায় এসেছে।
অবশ্য এসব মিল মাঠের লড়াইয়ে কোনো নিশ্চয়তা দেয় না। বিশ্বকাপ জিততে হলে স্পেনকে এখনও শক্তিশালী প্রতিপক্ষদের বিপক্ষে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিতে হবে। তবে ২০১০ সালের স্মৃতি আর ২০২৬ সালের এই কাকতালীয় ঘটনাগুলো স্প্যানিশ সমর্থকদের মনে নতুন করে শিরোপা জয়ের স্বপ্ন দেখাচ্ছে।